খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

বিএসএফের বেড়া নির্মাণ

আতঙ্কে দিন কাটছে সীমান্ত এলাকার বাংলাদেশিদের

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০২৫, ১:৪৫ অপরাহ্ণ
আতঙ্কে দিন কাটছে সীমান্ত এলাকার বাংলাদেশিদের

লালমনিরহাটের দহগ্রাম সীমান্তের শূন্যরেখার ১৫০ গজের মধ্যে আইন ভেঙে বেড়া দিয়ে গেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। গত শুক্রবার (১০ জানুয়ারি) সকালে বিপুল সংখ্যক ভারতীয় শ্রমিক দিয়ে দেড় কিলোমিটারের কাঁটাতারের বেড়াটি নির্মাণ করা হয়। এরপর থেকেই ওই ইউনিয়নের জনসাধারণের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। সীমান্ত এলাকা একেবারেই সুনসান। নিজেদের জমি চাষে নামতেও ভয় পাচ্ছেন বাংলাদেশের বাসিন্দারা। দহগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ইউনুস আলীর ওয়ার্ডের সীমান্তে এই বেড়া নির্মাণ হয়েছে। তিনি বলেন, বেড়া নির্মাণের পর স্থানীয়রা বেশ আতঙ্কিত। কিছু কিছু স্থানে ওপারে বিএসএফ বাঙ্কার নির্মাণ করেছে। বিজিবিরও টহল বেড়েছে। সব মিলিয়ে আতঙ্কে আছি আমরা। লালমনিরহাট ৫১ বিজিবি সহকারী পরিচালক (এডি) আমির খসরু বলেন, আমরা চূড়ান্ত কোনও সিদ্ধান্তে আসতে পারিনি। বিজিবির জনবল বৃদ্ধি করেছি। বিএসএফ সরে গেছে। বিষয়টি নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা অব্যাহত আছে। একটি ক্রস মিটিং হয়েছে। কোনও পক্ষই কোনও ধরনের স্থাপনার কাজ করবে না।

 

ওই দিন যা ঘটেছে : বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের পিলার ডিএমপি ৮ নম্বরের উপ-পিলার ৪৬ থেকে ৩৭ নম্বরের কাছাকাছে শূন্যরেখায় বিএসএফ ৩০ থেকে ৩৫ জন নির্মাণশ্রমিক দিয়ে লোহার এঙ্গেলের খুঁটি দিয়ে প্রায় চার ফুট উঁচু কাঁটাতারের বেড়া স্থাপন করে। স্থানীয়রা এসব দেখে বিজিবিকে খবর দিলে ৫১ বিজিবির পানবাড়ি ও দহগ্রাম ক্যাম্পের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে বেড়া স্থাপনে বাধা দেন। এতে কিছু সময় নির্মাণকাজ বন্ধ রাখলেও পরে কয়েকশত বিএসএফ সদস্য আরও লোকজন নিয়ে আবারও বেড়া স্থাপনের কাজ করতে থাকে।

বর্তমান পরিস্থিতি : সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওই সীমান্তে বিএসএফ অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করেছে। দহগ্রাম ইউনিয়ন সীমান্তে বিজিবিকেও সতর্ক অবস্থানে দেখা গেছে। এপারে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।

স্থানীয়রা যা বলছেন : পিলার থেকে পিলার বেড়া দিতে গিয়ে কোথাও কোথাও সীমান্ত পার করেছে। বেড়া নির্মাণকে ঘিরে চলমান উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের কৃষকরা তাদের জমিতে নামতে ভয় পাচ্ছেন। সীমান্ত সড়কটি চলাফেরা একেবারে কমেছে। স্থানীয়রা এতে বিপাকে পড়েছেন। তাদের দাবি, বিষয়টি সরকারকে দ্রুত দেখা উচিত।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।