খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

সংস্কার প্রতিবেদন থেকে তৈরি হবে নতুন বাংলাদেশের চার্টার: ড. ইউনূস

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৫, ৪:৩৫ অপরাহ্ণ
সংস্কার প্রতিবেদন থেকে তৈরি হবে নতুন বাংলাদেশের চার্টার: ড. ইউনূস

ঢাকা: অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন চারটি সংস্কার কমিশনের প্রধান। তারা হলেন—সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান অধ্যাপক ড. আলী রিয়াজ, নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রধান ড. বদিউল আলম মজুমদার, পুলিশ প্রশাসন সংস্কার কমিশনের প্রধান সরফরাজ হোসেন এবং দুর্নীতি দমন কমিশন সংস্কার কমিশনের প্রধান ড. ইফতেখারুজ্জামান।

আলোচনার শুরুতে প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদন তৈরির গুরু দায়িত্ব পালনের জন্য সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ দেন।

তিনি বলেন, এটা শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয়, এটা একটা ঐতিহাসিক মুহূর্ত। বহু রকম রিপোর্ট হয়, কমিটি হয়, রিপোর্ট আসে, গ্রহণ করে আনুষ্ঠানিকতা পালন করি। আজকের আনুষ্ঠানিকতা সেটার বহু ঊর্ধ্বে। ড. ইউনূস বলেন, আজকের ঘটনা ইতিহাসের অংশ হয়ে থাকবে। কারণ ইতিহাসের প্রবাহ থেকে এই কমিশনগুলোর সৃষ্টি হয়েছে। একটা ধ্বংসপ্রাপ্ত জাতির হঠাৎ পুনরুত্থান হয়েছে, মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে, সেখান থেকে ইতিহাসের সৃষ্টি। আজকের দিনের এই অনুষ্ঠান সেই ইতিহাসের অংশ।

 

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আমরা সেই ইতিহাস ধারণ করতে পারছি কি না, সামনে নিয়ে যেতে পারছি কি না, সেই ইতিহাসের যে অঙ্গীকার সেই অঙ্গীকার আমরা পূরণ করতে পারছি কি না, আমরা মানুষের মনোভাব, স্বপ্নকে এর মধ্যে ধারণ করতে পেরেছে কি না, সেটা মূল বিষয়। আজকে তার যাত্রা শুরু হলো, সেই ঐতিহাসিক ঘটনা প্রবাহে। একটা নতুন বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন নিয়ে এর কাঠামো রচনার কাজ আপনাদের হাতে দিয়েছিলাম কমিশনের মাধ্যমে। আমাদের যে স্বপ্ন আছে এবং সেই স্বপ্নগুলোর রূপরেখা তুলে ধরেছেন। যে স্বপ্ন নিয়ে জাতির পুনরুত্থান হলো, সেই স্বপ্নকে আমরা ধারণ করতে পারছি কি না, সেটাই আমাদের বিবেচ্য বিষয় হবে। এটা এখানে শেষ না, এই অধ্যায় শুরু হলো। স্বপ্ন এবং অভ্যুত্থান পরবর্তী যাত্রা শুরু হলো।

 

ড. ইউনূস আরও বলেন, সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদনের মাধ্যমে আপনারা আলোচনার রস তুলে দিলেন। এই আলোচনায় কীভাবে সবাই মতৈক্য হবে, এখান থেকে তৈরি হবে নতুন বাংলাদেশের চার্টার। সেই চার্টার মতৈক্যের ভিত্তিতে হবে। নির্বাচন হবে, সবকিছু হবে কিন্তু ইতিহাসের অংশ হিসেবে চাটার্র আমাদের জাতীয় কমিটমেন্ট। তিনি বলেন, আমরা আশা করি, সব দল এই চার্টারে সাইন করবে। এটা হবে আমাদের জাতীয় সনদ। যে সনদ বুকে নিয়ে আমরা অগ্রসর হব। যত তাড়াতাড়ি পারি, যত বেশি পরিমাণ পারি, এটা বাস্তবায়ন করতে থাকব। ভবিষ্যতে যে নির্বাচন হবে, এই চার্টারের ভিত্তিতে সেটাও যেন ঐকমত্যের সরকার হয়। এই চার্টারকে আমরা ধরে রাখব। আমরা এর কন্টিনিউটি চাই কাজে, এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।