খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

বাহাত্তরের সংবিধান বাতিল নিয়ে যা বললেন ফরহাদ মজহার

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২৫, ৭:১৩ অপরাহ্ণ
বাহাত্তরের সংবিধান বাতিল নিয়ে যা বললেন ফরহাদ মজহার

বাহাত্তরের সংবিধান বাতিল মানে ১০ এপ্রিলের স্বাধীনতার ঘোষণা পুনর্বহাল বা পুনরায় প্রতিষ্ঠিত করা’ বলে মন্তব্য করেছেন কবি ও চিন্তক ফরহাদ মজহার। ১৮ জানুয়ারি দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে তিনি এ কথা বলেন। স্টাটাসটি জাগো নিউজের পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো- ‘বাহাত্তরের সংবিধান বাতিল মানে ১০ এপ্রিলের স্বাধীনতার ঘোষণা পুনর্বহাল বা পুনরায় প্রতিষ্ঠিত করা। অতএব ফ্যাসিস্ট বাঙালি জাতিবাদী শক্তি এবং হিন্দুত্ববাদী দিল্লির ইসলাম নির্মূল রাজনীতির ধারক ও বাহকদের প্রপাগান্ডায় ভুলবেন না। বাহাত্তরের সংবিধান বাতিল মানে মোটেও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিরোধিতা নয় বরং তার সম্পূর্ণ বিপরীত। বাহাত্তরের সংবিধান বাতিল মানে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিজয়, স্বাধীনতার ঘোষণাকে পুনরায় প্রতিষ্ঠিত করা। অতএব জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ঘোষণায় অবশ্যই বাহাত্তর সালের সংবিধান বাতিল এবং নতুন গঠনতন্ত্র প্রণয়নের প্রক্রিয়া ও পদক্ষেপ গ্রহণের ঘোষণা থাকতে হবে।

বাহাত্তরের সংবিধান বাতিল নিয়ে যা বললেন ফরহাদ মজহার

 

গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের জনগণ বাঙালি জাতিবাদী ফ্যাসিস্ট শক্তি ও রাষ্ট্র ব্যবস্থা উৎখাত করেছে এবং শুধু সেকুলার ফ্যাসিবাদ নয়, একই সঙ্গে সকল প্রকার ধর্মীয় ফ্যাসিবাদ এবং ফ্যাসিস্ট শক্তির বিরুদ্ধে তাদের চলমান ঐতিহাসিক লড়াইকে বিশ্ব-ঐতিহাসিক মর্যাদা দান করেছে। হিন্দুত্ববাদ ও উগ্র পরিচয়বাদী মুসলিম জাতিবাদ একই মুদ্রার দুই পিঠ। অতএব লড়াই চলবে। শেখ হাসিনার বিদ্যমান ফ্যাসিস্ট সংবিধান বাতিল করে দিয়ে জনগণের সার্বভৌম ক্ষমতাবলে (Popular Sovereignty) পূর্ণ রাজনৈতিক ও আইনি ক্ষমতা সম্পন্ন অন্তর্বর্তী সরকার গঠন করাই এখনকার ঐতিহাসিক কর্তব্য। যে সকল মতবাদ ও শক্তি বাংলাদেশের জনগণের সার্বভৌম ক্ষমতাকে খর্ব করে, তাদের বিরুদ্ধে জনগণের ঐক্যবদ্ধ লড়াই আরও তীব্র ও তীক্ষ্ণ করা হবে।’’

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।