খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

সীমান্তের একটি ছবি ঘিরে নেটদুনিয়ায় প্রশংসা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২৫, ৭:১৬ অপরাহ্ণ
সীমান্তের একটি ছবি ঘিরে নেটদুনিয়ায় প্রশংসা

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে বিনোদপুর ইউনিয়নের চৌকা সীমান্ত ঘেঁষে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ কেন্দ্র করে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। এ সময়ে স্থানীয় কৃষক বাবুল আলীকে দেখা গেছে দা কিংবা কাস্তে হাতে প্রস্তুত থাকতে। সেই ছবি ছড়িয়ে পড়ে সোশ্যাল মিডিয়ায়। সবাই তার প্রশংসা করছেন।

তানজিল হাসান লিখেছেন, ‘ছবির দাও হাতে লোকটি কি কৃষক? জানি না। তবে ইতোমধ্যে নেটিজেনরা তাকে কৃষক হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। এই লোকের পরিচয় জানতে খুব ইচ্ছে করে। কিন্তু পরিচয় না জানাই শ্রেয়। কারণ ওনার একটাই পরিচয় হোক, উনি বাংলাদেশি। বাংলাদেশের কোনো ভারী অস্ত্র নাই, যুদ্ধজাহাজ, পারমাণবিক অস্ত্র নাই কিন্তু বাংলার আছে সংশপ্তক মানসিকতার জনগণ। এই জনতার নানা চারিত্রিক ত্রুটি আছে, হীনম্মন্যতা, হিংসা, জিঘাংসা, মূর্খতা, সীমাবদ্ধতা আছে, আবেগ আছে। আর বুকভরা ভালোবাসা আছে।

এ. মহিম লিখেছেন, ‘বাঙালির মতো সাহসী জাতি পৃথিবীতে খুব কমই আছে, শুধু সঠিক নেতৃত্ব দিতে পারলেই বিজয়।

ইমরান কায়েস লিখেছেন, ‘বাংলাদেশের মানুষের কোথাও একটা জেনেটিক্যাল গড়বড় আছে! এই ছবিটা দেখলেই বুঝবেন কেন এই দেশে ৭১ হয়, ২৪ হয়! পৃথিবীর দূরতম ইতিহাস ঘাটলেও আপনি কোথাও এই রকম অদ্ভুত জনগোষ্ঠীর খোঁজ পাবেন না। যারা নিজের দেশ রক্ষায়, অস্ত্রের মুখে খালি হাতে, হাসিমুখে দলে দলে এসে দাঁড়ায়া থাকে! ভয় নাই, ডর নাই, লোভ নাই, লালসা নাই বুকজুড়ে শুধু বিস্ময়কর একটা সাহসের নদী। একটা অদ্ভুত জেদ! মাথা না নোয়ানোর একটা ভয়ংকর সংকল্প! এদের কে দাবায়া রাখবে?’

আশেক এলাহি লিখেছেন, ‘আহো ভাতিজা আহো! খেলা হবে। খেজুর গাছ কাটার ছেনা হাতে পজিশন নেওয়া লোকটাই প্রকৃত দেশপ্রেমী। চেতনার ব্যবসায়ীরা এসব বুঝবে না। দেশপ্রেমের নামে তারা লুটতরাজ আর নির্দিষ্ট একটা পরিবারের গুণগান করতে শিখেছে।’

রাসেল ইব্রাহীম লিখেছেন, ‘বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার চেষ্টা। এই ছবিই অনেক কিছু বলে। এই ছবি আমাদের নিখাদ দেশপ্রেম বা ন্যাচারাল শক্তিমত্তার বহিঃপ্রকাশ। দেশের ক্ষেত্রে আমার একটাই কথা–চলার পথে থাকতে পারে মতভেদ, দেশের স্বার্থে আমরা এক।’

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।