খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় নির্বাচনে বাধা কোথায়

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৫, ১০:৩৪ পূর্বাহ্ণ
জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় নির্বাচনে বাধা কোথায়

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) জরিপ বলছে, দেশের ৬৫ শতাংশ মানুষ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে স্থানীয় সরকারের নির্বাচন চান। রাজনৈতিক দলগুলোর ভাবনা আবার ভিন্ন। বিএনপিসহ বড় দলগুলো মনে করছে, এ মুহূর্তে জাতীয় অগ্রাধিকার সংসদ নির্বাচন। নির্বাচন কমিশনও (ইসি) কথা বলছে অনেকটা একই সুরে। তবে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি স্থানীয় সরকার সংস্কার কমিশন প্রধান।

 

৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, ইউনিয়ন পরিষদ সব জায়গায় এক ধরনের স্থবিরতা চলছে। দলীয় বিবেচনায় নির্বাচিতরা অধিকাংশই সরকার পতনের পর থেকেই পলাতক। অনেকে গ্রেফতার হয়েছেন। পরে জনপ্রতিনিধিদের অপসারণ করে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোতে (সিটি করপোরেশন, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও পৌরসভা) সরকারি কর্মকর্তাদের প্রশাসক নিয়োগ দেয় অন্তর্বর্তী সরকার।

স্থানীয় সরকারের জনপ্রতিনিধির কাজ চালাচ্ছেন প্রশাসক
কাজের সুবিধার্থে এসব জায়গায় পূর্ণকালীন প্রশাসক বসানো হয়েছে। জনপ্রতিনিধিদের অনুপস্থিতিতে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে করপোরেশনের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাদের। এতে জন্ম-মৃত্যু সনদ, নাগরিক ও ওয়ারিশ সনদ পেতে বেগ পেতে হচ্ছে জনগণকে। অনেক সময় সরকারি কাজের জন্য কর্মকর্তাদের পাওয়া যায় না। তারা স্থানীয়দের চেনেন না। শনাক্ত করতে ব্যবহার করা হচ্ছে জটিল পদ্ধতি।

আবার অতিরিক্ত দায়িত্বের চাপে সব কাজ ঠিকমতো তদারকিও করতে পারছেন না কর্মকর্তারা। এতে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। তারা স্থানীয় সরকারের নির্বাচন আগে চাচ্ছেন। কারণ চলার পথে প্রতিনিয়ত প্রয়োজনীয় সনদগুলো পেতে তাদের হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। তারা আগে এর সমাধান চান।

 

বিভিন্ন সনদ পেতে ভোগান্তি
মেহেরপুরের গাংনী পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা সিরাজুল ইসলাম মাস্টার। এই ওয়ার্ডে জন্মসনদসহ নানান সেবা পেতে সবাইকে যেতে হচ্ছে গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) কাছে। এ এলাকার প্রশাসনিক কর্মকর্তা তিনি। সিরাজুল মাস্টারের ওয়ারিশ সনদ পেতে সময় লেগেছে চারদিন। কাউন্সিলর থাকলে হয়তো একদিনেই পেয়ে যেতেন বলে জানান তিনি।

 

 

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।