খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

নিজস্ব প্রতিবেদক

বনানী থানা যুবদলের আহ্বায়ক মনির ও বিএনপি নেতা আক্তারের নেতৃত্বে ‘জল খাবারে’ হামলার অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জানুয়ারি, ২০২৫, ৮:২০ অপরাহ্ণ
বনানী থানা যুবদলের আহ্বায়ক মনির ও বিএনপি নেতা আক্তারের নেতৃত্বে ‘জল খাবারে’ হামলার অভিযোগ

২০ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান আক্তার

চাঁদা না দেওয়ায় বনানী থানা যুবদলের আহ্বায়ক মনির হোসেন খান ও ২০ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান আক্তারের নেতৃত্বে মহাখালীর ঐতিহ্যবাহী জল খাবার রেস্টুরেন্টে হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে জানা যায়। বিএনপির একাধিক নেতা ও থানা পুলিশ জানায়, এই হামলার সাথে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ বনানী থানা যুবদলের এক নেতা ও ২০ নং ওয়ার্ড বিএনপির এক নেতার নাম উঠে এসেছে। তারা আপন দুই ভাই। তবে বিষয়টি নিয়ে আরও গভীর তদন্ত চলছে। থানা বিএনপির সাবেক ও বর্তমান এক সভাপতি সাংবাদিকদের জানান, চাহিদা অনুযায়ী চাঁদা না পেয়ে মহাখালীর জল খাবার হোটেল ভাংচুরে জড়িত বনানী থানা যুবদলের আহ্বায়ক মনির ও ২০ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান আক্তার। তার আপন দুই ভাই। তাদের বিরুদ্ধে এর আগে ও অনেক অভিযোগ আছে। এরআগে ও তাদের নেতৃত্বে গুলশান বনানীর বিভিন্ন জায়গায় হামলার ঘটনা ঘটেছে। যদিও এসব বিষয়ে বনানী থানা যুবদলের আহ্বায়ক মনির হোসেন খান, ও তার আপন ভাই বিএনপি নেতা আক্তার বলেন, তারা এই ঘটনা সাথে জড়িত না। এটি সাবেক এক কাউন্সিলর করেছে বলে উল্টা দাবি করেন।

 

অবশ্য এ হামলার ঘটনায় আহত হওয়া জল খাবার হোটেলের এক স্টাফ জানান, হামলার সময় দূবিত্তরা। বনানীর যুবদল নেতা মনির ও আক্তারের নাম বলে আর আমাদের মারধর করে। এবং তারা ক্যাশ থেকে ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা নিয়ে গেছে। পরে হোটেলটি বন্ধ করে দিয়ে যায়। এই ঘটনা জানা জানি হলে পরে বনানী থানা বিএনপির সভাপতি মিজানুর রহমান মিজান ভাই সহ স্থানীয় বিএনপির নেতারা এসে আমাদের জল খাবারের দোকানটি খুলে দিয়ে যায়। এই ঘটনায় আমরা বনানী থাকায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছি। পুলিশের দাবি, এই ঘটনায় বনানী থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছে জল খাবার কর্তৃপক্ষ। সেই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বিষয়টি আমলে নিয়ে তদন্ত করছে পুলিশ। তবে, এই হামলার সঙ্গে যারাই জড়িত হোক না কেনো সিসিটিভির ফুটেজ দেখে তাদের বিরুদ্ধে পুলিশ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

বনানী থানা যুবদলের আহ্বায়ক মনির হোসেন খান

হামলার ঘটনাটি প্রথমে স্বীকার করতে না চাইলেও পরে বিষয়টি স্বীকার করে জল খাবার হোটেলের ক্যাশিয়ার প্রদিপ কুমার ঘোষ জানান, যুবদলের এক নেতা ও বিএনপির এক নেতা আমাদের এখানে হামলা করেছে। তারা না কি বিএনপির কিলার। তবে, স্থানীয় বিএনপির নেতারা এসে আমাদের জল খাবার হোটেলটি চালু করে দিয়ে গেছে। থানায় আমরা মামলা করবো অভিযোগ করেছি পুলিশ তদন্ত করছে। তিনি বলেন, আমাদের এই ঘটনায় ৫ থেকে ৬ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। বনানী থানা বিএনপির একাধিক নেতা ও সূত্র জানায়, হামলায় অংশ নেওয়া ব্যক্তিরা আপন দুই ভাইয়ের অনুযারী। একজন বনানী থানার যুবদল নেতা মনির হোসেন খান আরকেজন মনিরের ভাই ২০ ওয়ার্ড বিএনপির নেতা মিজানুর রহমান আক্তার। জানা যায়, এরআগে দৃবিত্তরা ২১ জানুয়ারি দুপুরে জল খাবার তালা বন্ধ করে যায়। কেনো বন্ধ করা হয় এটা জানতে চাইলে অভিযুক্তদের নাম বলে হামলাকারীরা। এরপর দোকান নতুন রুপে খুললে দৃবিত্তরা ঘটনার দিন সন্ধায় ৭ টার দিকে এসে ভাঙচুর করে স্টাফদের মারধর করে এবং ক্যাশ থেকে ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা নিয়ে যায়।

 

এই বিষয়ে জানতে চাইলে বনানী থানা বিএনপির সভাপতি মিজানুর রহমান মিজান জানান, এই হামলার সঙ্গে বিএনপির যদি কেউ জড়িত থাকে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আমরা সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করব। এর কারণ হলো জনাব তারেক রহমান যে নির্দেশনা ও দায়িত্ব দিয়েছেন সে দায়িত্ব আমি পরিপূর্ণভাবে পালন করব। আর আপনি ২০ ওয়ার্ড বিএনপির নেতা আক্তার বা অন্য যার নাম বলেছেন তারা আপন দুই ভাই। যদি এই হামলার ঘটনায় তারা জড়িত থাকে তাহলে অবশ্যই আক্তারকে শোকজ করা হবে। এই বিষয়ে বনানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রাসেল সরোয়ার জানান, পুলিশ জল খাবার হোটেলে হামলার ঘটনাটি তদন্ত করছে। বিএনপির কোন নেতা কর্মীর যদি এর যাতে জড়িত থাকে বা অভিযোগের সত্যতা মেলে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হবে।

 

এই বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের আহ্বায়ক শরীফ উদ্দিন জুয়েল সাংবাদিকদের জানান, যুবদলে দুর্বৃত্তদের কোথাও স্থান দেওয়া হবে না। কোনো নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ আসলে বা প্রমাণ হলে তাকে দল থেকে শোকজ করা হভে। তিনি বলেন, তাছাড়া যারা দলের নাম ভাঙিয়ে অপকর্মে লিপ্ত তারা হচ্ছে দুর্বৃত্ত। দুর্বৃত্তদের যুবদল ঢাকা মহানগর উত্তরে কোথাও স্থান হবে না।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।