খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

কর্মবিরতিতে রানিং স্টাফরা, ট্রেন চলাচল বন্ধ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জানুয়ারি, ২০২৫, ১০:৪৪ পূর্বাহ্ণ
কর্মবিরতিতে রানিং স্টাফরা, ট্রেন চলাচল বন্ধ

কর্মবিরতি শুরু করেছেন রেলওয়ের রানিং স্টাফ, শ্রমিক ও কর্মচারীরা। ফলে ঢাকাসহ সারা দেশে ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) রাত ১২টা ১ মিনিট থেকে কর্মবিরতি শুরু করেন ট্রেনচালক, গার্ড ও টিকিট চেকাররা। বিষয়টি নিশ্চিত করেন বাংলাদেশ রেলওয়ে রানিং স্টাফ ও শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের ঢাকা মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক সাঈদুর রহমান। তিনি বলেন, রাত ১২টা ১ মিনিট থেকে আমরা আমাদের কর্মবিরতি শুরু করেছি। রাত ১২টার পর শিডিউল থাকা কোনো ট্রেন আর চলছে না।  তিনি আরও বলেন, তবে যেসব ট্রেনের সময় রাত ১২টার আগে ছিল, কিন্তু বিলম্ব হয়েছে, সেগুলো স্টেশন ছেড়ে যাচ্ছে। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আমাদের এই কর্মবিরতি চলবে।

মূল বেতনের সঙ্গে রানিং অ্যালাউন্স যোগ করে পেনশন এবং আনুতোষিক সুবিধা দেওয়ার দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করছেন রানিং স্টাফরা। সোমবার রানিং স্টাফদের দাবি-দাওয়া এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের পাঠানো মতামতের ভিত্তিতে একটি সভা ডেকেছিল রেলপথ মন্ত্রণালয়। কিন্তু দাবির বিষয়ে অনড় থাকায় ওই সভায় যোগ দেননি স্টাফরা। মঙ্গলবার থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতির যে ঘোষণা ছিল, পরে তা বহাল রাখার কথা জানান তারা। এ নিয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ রেলওয়ে রানিং স্টাফ ও শ্রমিক কর্মচারী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. মজিবুর রহমান বলেন, আমরা রেল মন্ত্রণালয়ের সভা প্রত্যাখ্যান করেছি। আমাদের কোনো কর্মচারী সভায় অংশ নেননি।

তিনি বলেন, আমরা জানতে পেরেছি আমাদের দাবি মানা হবে না। আমাদের কাছে আরও সময় চাওয়া হবে, সে জন্যই আমরা আলোচনা প্রত্যাখ্যান করেছি। আমরা মঙ্গলবার থেকে ট্রেন চালানো বন্ধ করে দিয়ে কর্মবিরতিতে যাব। আমাদের কর্মসূচি কাল থেকে চলতে থাকবে। আগে দৈনিক আট ঘণ্টার বেশি কাজ করলে মূল বেতনের হিসাবে বাড়তি অর্থ পেতেন রেলের রানিং স্টাফরা। এ ছাড়া অবসরের পর মূল বেতনের সঙ্গে এর ৭৫ শতাংশ অর্থ যোগ করে অবসরকালীন অর্থের হিসাব হতো। তবে ২০২১ সালের ৩ নভেম্বর এই সুবিধা সীমিত করে অর্থ মন্ত্রণালয়।  ওই সময়ের পর থেকে নতুন করে নিয়োগ পাওয়া কর্মীরা পুরোনোদের চেয়ে আরও কম সুবিধা পাবেন বলেও সরকার সিদ্ধান্ত নেয়। এর পর থেকেই নতুন ও পুরোনো রানিং স্টাফরা আন্দোলন করছেন।

সোমবার রাতে ট্রেন চলাচলের স্বাভাবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার জন্য কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রতি আহ্বান জানায় রেলওয়ে মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা রেজাউল করিম সিদ্দিকীর পাঠানো গণবিজ্ঞপ্তিতে এ আহ্বান জানানো হয়। রানিং স্টাফদের কর্মবিরতিতে ট্রেন চলাচল বন্ধের বিষয়ে জানতে রাত ১টার দিকে ঢাকা রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন ব্যবস্থাপক ও মাস্টারকে একাধিকবার ফোনকল করা হয়। তবে তারা কল ধরেননি। নাম প্রকাশ না করার শর্তে কমলাপুর রেলস্টেশন সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এক কর্মকর্তা জানান, সবশেষ তিনটি ট্রেন নির্দিষ্ট সময়ের পর একে একে কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে বেরিয়ে যায়। তবে তিনটি ট্রেনই যাত্রীতে বোঝাই ছিল। তিনি আরও জানান, ভোররাতের আগে কমলাপুর রেলস্টেশন ছেড়ে যাওয়ার আর কোনো ট্রেন নেই। শেষ তিনটি ট্রেন বিলম্বিত সময়ে ছেড়েছে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।