খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

ডিজিটাল লেনদেনের সিংহভাগই ঢাকায়

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৫ মার্চ, ২০২৫, ৩:২৭ অপরাহ্ণ
ডিজিটাল লেনদেনের সিংহভাগই ঢাকায়

গত বছর (২০২৪ সালে) দেশে ডিজিটাল লেনদেনের ৮০ শতাংশ হয়েছে ঢাকায়। একই সঙ্গে গাজীপুর, রাজশাহীসহ কয়েক জেলায় ডিজিটাল লেনদেন বেড়েছে। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে ভিসা বাংলাদেশ। ডিজিটাল পেমেন্ট সেবা প্রদানে বৈশ্বিকভাবে শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান ভিসার সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশে গত বছর (২০২৪ সালে) মোট ডিজিটাল লেনদেনের ৮০ শতাংশ এবং মোট ব্যয়ের ৭৫ শতাংশ ঢাকায় হয়েছে। আলোচ্য বছরে গাজীপুর, রাজশাহী, রংপুর ও ময়মনসিংহেও ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবহার আগের বছরের (২০২৩ সালের) তুলনায় বেড়েছে। ২০২৩ সালের তুলনায় ২০২৪ সালে সামগ্রিক ব্যয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪ শতাংশ। একই সময়ে লেনদেনের পরিমাণ ১৭ শতাংশ বেড়েছে। উল্লেখযোগ্য বেড়েছে ক্রেডিট ও ডেবিট কার্ড ব্যবহারের হার। এ ক্ষেত্রে মুখ্য ভূমিকা পালন করেছে অনলাইন পেমেন্ট

 

বাংলাদেশ, নেপাল ও ভুটানের ভিসা কান্ট্রি ম্যানেজার সাব্বির আহমেদ বলেন, বাংলাদেশের মানুষ ডিজিটাল ও কন্টাক্টলেস পেমেন্ট সুবিধার দিকে ঝুঁকছে। ক্রেডিট ও ডেবিট কার্ড, অনলাইন এবং ইন-স্টোর পেমেন্টসহ দেশের মধ্যে ও আন্তর্জাতিক পরিসরে একই প্রবণতা দেখা গেছে। দক্ষ ভিসা কনসাল্টিং ও অ্যানালিটিকস টিমের মাধ্যমে আমরা বাংলাদেশের ভোক্তা, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও গ্রাহকদের জন্য নিরাপদ ডিজিটাল পেমেন্ট সুবিধা প্রদান করছি।

ভিসার বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ব্যয়ের ৯০ শতাংশ হয়েছে ২০ দেশে। এর মধ্যে শীর্ষ পাঁচ দেশ হচ্ছে ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, থাইল্যান্ড ও সংযুক্ত আরব আমিরাত। ২০২৪ সালে বাংলাদেশিরা ইন-স্টোর কেনাকাটায় সবচেয়ে বেশি ব্যয় করেছে ভারত, থাইল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং সিঙ্গাপুরে। ভারত ক্রস-বর্ডার ব্যয়ের শীর্ষে থাকলেও গত বছর বাংলাদেশিদের কার্ডের মাধ্যমে ভারতে ব্যয় ১০ শতাংশ কমেছে। তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা থাইল্যান্ডে ব্যয় বেড়েছে ২০ শতাংশের বেশি।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।