খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

পঞ্চগড় সীমান্তে ফের বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশির মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৮ মার্চ, ২০২৫, ২:৫৪ অপরাহ্ণ
পঞ্চগড় সীমান্তে ফের বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশির মৃত্যু

সদর উপজেলার অমরখানা ইউনিয়নের কাজিরহাট উত্তর তালমা এলাকার (শিউডাঙা) সীমান্তে আল আমিন নামে এক বাংলাদেশিকে গুলি করে হত্যা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। শনিবার (৮ মার্চ) ভোরে শিউডাঙা সীমান্তে ভারতের অভ্যন্তরে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আল আমিন গরু ব্যবসা করতেন। তিনি সদর উপজেলার হাড়িভাসা ইউনিয়নের জিন্নাতপাড়া গ্রামের সুরুজ আলীর ছেলে ছিলেন।

এর আগে সদর উপজেলার মোমিনপাড়া সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে আনোয়ার হোসেন (৩৫) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়। নিহত আনোয়ার তেতুলিয়া উপজেলার দেবনগড় ইউনিয়নের দেবনগড়-আমজুয়ানি এলাকার বাসিন্দা ছিল। সদর উপজেলার হাঁড়িভাসা ইউনিয়নের মোমিনপাড়া সীমান্তের ৭৫১ নম্বর মেইন পিলারের ৮ থেকে ৯ নম্বর সাবপিলারের মাঝামাঝি এলাকায় তার লাশ পড়ে ছিল। পরে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। শনিবার বিএসএফের গুলিতে আল আমিনের নিহত হওয়ার তথ্য এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে উৎসুক মানুষ সীমান্তে ভিড় করে। স্থানীয়রা বলছেন, গত রাত ৩টার পরে ৮ থেকে ১০টি গুলির আওয়াজ পান তারা। এর পর সীমান্তের অভ্যন্তরে বিএসএফের চিৎকারের আওয়াজ পাওয়া যায়।

গোয়েন্দা সংস্থাসহ বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, নীলফামারী-৫৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ ভিতরগড় সীমান্ত বিওপি এলাকার সীমান্ত পিলার ৭৪৪/৭ এস হতে আনুমানিক ৫০ গজ ভারতের অভ্যন্তরে ভাটপাড়া এলাকায় আল আমিনের নিহত হওয়ার ঘটনাটি ঘটে। সকালে খবর পেয়ে নীলফামারী-৫৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের সদস্যরা সীমান্ত এলাকায় গিয়ে বিএসএফের সঙ্গে পতাকা বৈঠক করে। ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে আল আমিনের মরদেহ ফেরত চান বাহিনীর সদস্যরা। এ বিষয়ে নীলফামারী-৫৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল শেখ মো. বদরুদ্দোজার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয় কয়েকবার। তিনি ফোন কল না ধরলেও বাংলানিউজের এ প্রতিবেদককে ক্ষুদেবার্তা পাঠিয়ে জানান, ঘটনা সম্পর্কে বিস্তারিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হবে।

এ প্রতিবেদনে লেখা পর্যন্ত আল আমিনের মরদেহ ভারতীয় সীমান্তে রয়েছে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।