খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

ডাক্তার পদবি ব্যবহার সংক্রান্ত রিট নিয়ে কোনো অপতৎপরতা মেনে নেয়া হবে না : ইউমব

খান আহমেদ ইফতেখার, মেডিকেল ডেস্ক,. ঢাকা
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৫, ৭:২১ অপরাহ্ণ
ডাক্তার পদবি ব্যবহার সংক্রান্ত রিট নিয়ে কোনো অপতৎপরতা মেনে নেয়া হবে না : ইউমব

ডাক্তার পদবি ব্যবহার সংক্রান্ত রিট নিয়ে কোনো অপতৎপরতা চিকিৎসক সমাজ মেনে নেবে না বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছে চিকিৎসক ও চিকিৎসা শিক্ষার্থীদের সংগঠনগুলোর সম্মিলিত জোট ইউনাইটেড মেডিকেল অর্গানাইজেশনস্ অব বাংলাদেশ (ইউমব)। রোববার (২০ এপ্রিল) বিকেলে বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশন (বিএমএ) ভবনের শহীদ ডা. শামসুল আলম খান মিলন সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ হুঁশিয়া উচ্চারণ করেন সম্মিলিত চিকিৎসক ও চিকিৎসা শিক্ষার্থী জোট।

লিখিত বক্তব্যে সংগঠনের প্রধান সমন্বয়ক ডা. মোবারক হোসাইন বলেন, ‘আপনারা অবগত আছেন, গত ১২ মার্চ হাইকোর্ট বিভাগ থেকে মহামান্য আদালত রায় দিয়েছেন, কোনো মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট নামের পূর্বে ডাক্তার প্রিফিক্স ব্যবহার করতে পারবে না। গোটা দেশবাসী ও চিকিৎসকসমাজ এই রায়কে ন্যায়সঙ্গত হিসেবে স্বাগত জানিয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘মেডিকেল অ্যাসিস্টান্টদের আবেদনের প্রেক্ষিতে ডাক্তার পদবি সংক্রান্ত ২৭৩০/২০১৩ রিটটি আপিল বিভাগে শুনানির জন্য আগামী ২১ এপ্রিল দিন ধার্য করা হয়েছে। আপনাদের সবার অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, নামের পূর্বে ডাক্তার পদবি ব্যবহার করার জন্য ২০০৭ সালে একজন মেডিকেল আসিস্ট্যান্ট আদালতে রিট করেছিলেন, ওই রিটটি হাইকোর্ট বিভাগ এবং আপিল বিভাগ নিষ্পত্তি করে দিয়েছিলেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘সে হিসেবে ২৭৩০/২০১৩ এই রিট Chamber Court of Appellate Division থেকেই ফিরিয়ে দেওয়ার কথা। কিন্তু Chamber Court of Appellate Division তা আপিল বিভাগে শুনানির জন্য মঞ্জুর করেন, আমরা আদালতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। কিন্তু কোনো অনার বা জনস্বাস্থ্যবিরোধী কোনো সিদ্ধান্ত এ দেশের সাধারণ মানুষ এবং চিকিৎসক সমাজ মেনে নিবে না’।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ‘বিগত ২০০৭ সালের ১৪ এপ্রিল আপিল বিভাগ এই ব্যাপারে তাদের অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, কোনো মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট নামের পূর্বে ডাক্তার ব্যবহার করতে পারবে না। এটি এদেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার একটি কলঙ্কজনক অধ্যায়, এই অধ্যায়ের সমাপ্তি হতেই হবে।’

ইউমব সমন্বয়ক বলেন, ‘গোটা চিকিৎসক সমাজের নিকট আহ্বান, সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। নতুন করে স্টে অর্ডার নেওয়ার পরিকল্পনায় জলঘোলা করার পাঁয়তারা করা হলে চিকিৎসক সমাজ আবারো কঠোর অবস্থানে যেতে বাধ্য হবে।’

এছাড়াও সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ইউএমবি’র মুখপাত্র ডা. দীপ্ত মজুমদার, বাংলাদেশ ফরেন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ডা. হেমায়েতুল্লাহ আকাশ, হেলথ পয়েন্ট বিডির সিইও ডা. জেহাদ লস্কর এবং বাংলাদেশ ফরেন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. শাহরিমা ঋতু।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।