খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

জুলাইয়ে কক্সবাজার থেকে উড়তে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট

ইশফাক উদ্দিন রিয়াদ, কক্সবাজার প্রতিনিধি
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৫, ১০:৫৭ অপরাহ্ণ
জুলাইয়ে কক্সবাজার থেকে উড়তে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট

দেশের চতুর্থ আন্তর্জাতিক গেটওয়ে হিসেবে সরাসরি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট সংযোগের সঙ্গে যুক্ত হতে যাচ্ছে কক্সবাজার বিমানবন্দর। আগামী জুলাই মাস থেকে কক্সবাজার বিমানবন্দর পূর্ণাঙ্গ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হিসেবে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করবে। এই লক্ষ্যে ইমিগ্রেশন, কাস্টমস সুবিধাসহ সব ধরনের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে। বিমানবন্দরটি চালু হলে প্রথম আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনা করবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স।

গত ২১শে এপ্রিল(সোমবার) ঢাকায় বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ(বেবিচক) এর চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মনজুর কবির ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে এক সমন্বয় সভায় এই সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়। সভায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, ইমিগ্রেশন পুলিশ, কাস্টমস বিভাগ ও এয়ারলাইন অপারেটরস কমিটির উচ্চপদস্থ প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

সভা শেষে বেবিচকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, আগামী জুলাই মাস থেকে কক্সবাজার বিমানবন্দর আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনার জন্য সম্পূর্ণরূপে প্রস্তুত হয়ে যাবে। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সকে কক্সবাজার থেকে আন্তর্জাতিক রুট চালুর জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার জন্য মেগা প্রকল্পটি ২০২১ সালে হাতে নেওয়া হয়েছিল। এই প্রকল্পের আওতায় রানওয়ে সম্প্রসারণ ও একটি অত্যাধুনিক নতুন টার্মিনাল ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে। প্রকল্পের কাজ শেষ হলে বিমানবন্দরটি ২৪ ঘণ্টা ফ্লাইট পরিচালনার সক্ষমতা অর্জন করবে।

বেবিচক সূত্রে জানা গেছে, বঙ্গোপসাগরের ওপর সম্প্রসারিত ১ হাজার ৭০০ ফুট রানওয়ের নির্মাণকাজ আগামী জুলাইয়ের মধ্যে সম্পন্ন হবে। এর ফলে কক্সবাজার বিমানবন্দরের রানওয়ের মোট দৈর্ঘ্য দাঁড়াবে ১০ হাজার ৭০০ ফুট বা ৩.২৬ কিলোমিটারে, যা দেশের দীর্ঘতম রানওয়ে হিসেবে নতুন রেকর্ড গড়বে।

প্রাথমিকভাবে বর্তমান টার্মিনাল ভবনটি থেকে আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। পরবর্তীতে নির্মীয়মান আন্তর্জাতিক টার্মিনালটি চালু হলে সেটি সর্বাধুনিক সুযোগ সুবিধাসম্পন্ন এবং সব ধরণের ওয়াইড বডি উড়োজাহাজ পরিচালনার উপযোগী হবে।

বেবিচক চেয়ারম্যান আরও জানান, ‘আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনায় যাতে কোনো ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি না হয়, সে জন্য আমরা প্রতিনিয়ত রানওয়ে, লাইটিং সিস্টেম, প্রতিরক্ষা বাঁধ ও অন্যান্য অবকাঠামোগত দিকগুলো নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ ও তদারকি করছি।’

পর্যটনসংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, কক্সবাজার বিমানবন্দর আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার মাধ্যমে আঞ্চলিক পর্যটনের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে এবং দেশের পর্যটনশিল্পে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।