খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

তরুণ লেখক মেডিকেল শিক্ষার্থী হাসান মাহমুদ শুভ

খান আহমেদ ইফতেখার, মেডিকেল ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ মে, ২০২৫, ১২:৩৫ পূর্বাহ্ণ
তরুণ লেখক মেডিকেল শিক্ষার্থী হাসান মাহমুদ শুভ

তরুণ স্বপ্নবাজ লেখক হাসান মাহমুদ শুভ। পড়াশোনা করছেন চিকিৎসাবিজ্ঞানে। বর্তমানে তিনি গাজীপুরের ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজের এমবিবিএস কোর্সে অধ্যয়নরত রয়েছেন। পড়াশোনার পাশাপাশি লেখালেখির মাধ্যমে নিজের একটি শক্ত অবস্থান তৈরি করে নিয়েছেন। মেডিকেল এবং লেখক কমিউনিটির মধ্যে বেশ পরিচিতমুখ হাসান মাহমুদ শুভ। মাত্র চব্বিশ বছর বয়সে তার প্রায় তিন শতাধিক আর্টিকেল জাতীয় পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে।

কলাম, ফিচার, কবিতা থেকে শুরু করে ফটোগ্রাফি সবকিছুতেই তার ছোঁয়া। লেখালেখির পাশাপাশি বর্তমানে ‘নিউজ ভিশন’ নামক একটা অনলাইন নিউজ চ্যানেলের স্বাস্থ্য বিষয়ক উপ-সম্পাদক হিসেবে নিযুক্ত আছেন। মাত্র তেরো বছর বয়স থেকেই লেখালেখির হাতেখড়ি এই সম্ভাবনাময় তরুণের।

অসহায় মানুষদের নিয়ে কাজ করার জন্য প্রতিষ্ঠা করেন ‘জাগরণ ফাউন্ডেশন’ নামে একটি সেচ্ছাসেবী সংগঠন। চিকিৎসা বিজ্ঞানের মতো কঠিন জায়গায় থেকেও লেখালেখির মাধ্যমে হাজারো মেডিকেল শিক্ষার্থীও নবীন লেখকদের কাছে অনুপ্রেরণার নাম হাসান মাহমুদ শুভ।

তার লেখা মূলত জীবনবোধের গভীর প্রতিচ্ছবি, সমাজ ও রাষ্ট্রের অব্যবস্থাপনা ও অনিয়মের বিরুদ্ধে এক নির্ভীক কলম যোদ্ধা। তার লেখালেখির জগৎ সম্পের্ক জানতে চাইলে তিনি বলেন, “লেখালেখি শুরুটা সখের জায়গায় থেকে। যখন ষষ্ঠ শ্রেণীতে পড়ি, তখন থেকেই নিয়মিত পত্রিকা পড়া হতো সেখান থেকেই লেখালেখির প্রতি ঝোঁক তৈরি হয়। যখন বুঝতে শিখি তখন সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতি একটা দায়বদ্ধতার জায়গায় তৈরি হয়। এরপর একাডেমিক পড়াশোনার বাহিরে পুরোটা সময় লেখালেখিতে কাটাতাম। আমার কাছে মনে হয়, সমাজের অন্যায়-অনিয়ম ও জীবনকে পর্যবেক্ষণের অন্যতম মাধ্যমে লেখালেখি। লেখালেখি এক ধরনের সঞ্চয়, যা মানুষকে শান্ত করে। আর আমি যেহেতু মেডিকেল সাইন্স নিয়ে পড়াশোনা করছি, এজন্য লেখালেখি বিষয়টি আমার কাছে বেশ কষ্টসাধ্য। তারপর ও দেশের প্রতি দায়বদ্ধতা ও সখের জায়গায় থেকে লেখালেখিতে নিয়মিত হওয়া।”

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।