খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

খুলনা গাঙচিলের বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথের জন্মদিন উপলক্ষে আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

খান আখতার হোসেন, সাহিত্য ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১০ মে, ২০২৫, ৭:১৪ অপরাহ্ণ
খুলনা গাঙচিলের বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথের জন্মদিন উপলক্ষে আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

গতকাল সন্ধ্যায় খুলনা সোনাডাঙাস্থ ক্লাসিক সঙ্গীত একাডেমি মিলনায়তনে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথের জন্মদিন উপলক্ষে এক আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন গাঙচিল খুলনা বিভাগীয় সভাপতি সরকারি হাজি মুহাম্মদ মহসিন কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মোঃ হানিফ মল্লিক। আনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন আমেরিকা প্রবাসী ও আমেরিকা গাঙচিল সাহিত্য সংস্কৃতি পরিষদ শাখার সহ-সভাপতি আঃ রাজ্জাক মদিনাবাদী। সম্মানিত অতিথি ছিলেন গাঙচিল সাহিত্য সংস্কৃতি পরিষদ খুলনা বিভাগীয় শাখার যুগ্ম সম্পাদক কবি শাহজাহান মুরাদ, খান আখতার হোসেন, গাঙচিল সাহিত্য সংস্কৃতি পরিষদ খুলনা বিভাগীয় শাখার সিনিয়র সহ সভাপতি সোনালী ব্যাংকের সহকারী মহা ব্যবস্থাপক মোঠো কবি মফিদুল ইসলাম, গাঙচিল খুলনা বিভাগীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক কবি মনিরুজ্জামান লাবলু, গাঙচিল সাহিত্য সংস্কৃতি পরিষদ খুলনা বিভাগীয় শাখার অর্থ সম্পাদক এম এম হাসান, ক্লাসিক সঙ্গীত একাডেমির পরিচালক আজিজুর রহমান লুনা।

ক্লাসিক সঙ্গীত একাডেমির সহযোগিতায় এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ বেতার শিল্পী অসীম কুমার নীলমনি। অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন আরাধ্য মণ্ডল (কবিতাঃ সোনার তরী), আজিজুর রহমান (মায়াবনা বিহারি হরিণী), হিতৈষী (এদিন আজি কোন ঘরেতে), হ্যাপী (আমারাও পরাণে যাহা চায়),  অবুণী (বেল ফুল এনে দাও), আরাধ্য (জাগরণে যাই বিভাভরি),  শুধাংসু (ভেঙে মোর ঘরের চাবি) সহ আরও অনেকে। বেতার শিল্পী অসীম কুমার নীলমনি দরাজ কন্ঠে পরিবেশিত রবীন্দ্র সংগীত সকলকে মুগ্ধ করে। এবং গাঙচিলের খুলনা বিভাগীয় কমিটির সভাপতি ড. হানিফ মল্লিকের গাওয়া রবীন্দ্র সংগীত সকলকে মুগ্ধ করে।

উল্লেখ্য, সারাদেশে গাঙচিলের বিভিন্ন শাখায় রবীন্দ্র জয়ন্তী পালন করা হয়।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।