খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

চরম দুর্ভোগে উত্তরা রাজউক প্রকল্পের ৫ হাজার বাসিন্দা

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ মে, ২০২৫, ২:৩৪ অপরাহ্ণ
চরম দুর্ভোগে উত্তরা রাজউক প্রকল্পের ৫ হাজার বাসিন্দা

     নকশা বর্হিভূত স্থাপনার অনুমোদন

অসমাপ্ত কাজ-নেই হাসপাতাল

নিরাপত্তা সঙ্কটে `রাউআপ’ প্রকল্প

 

রাজউক উত্তরা অ্যাপার্টমেন্ট প্রকল্পের প্রায় ৩০ শতাংশ কাজ এখনো অসমাপ্ত। এর মধ্যেই আগামী ৩০ জুন প্রকল্পের অ্যাপার্টমেন্টগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তরের প্রস্তুতি নিচ্ছে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)। এ অবস্থায় অবকাঠামোগত দুর্বলতা, স্বাস্থ্যসেবা ও নিরাপত্তার অভাবে প্রকল্প এলাকায় বসবাসকারী প্রায় ৫ হাজার মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন বাসিন্দারা। নিরাপত্তা সঙ্কটে নির্ঘূম রাত পার করছেন বাসিন্দারা। সেই সাথে ডি১০ করোতোয়া ভবনের পাশেই নতুন করে অনুমোদন দেয়া হয়েছে নকশা বহির্ভূত স্কুলের।

রাজউকের এমন নানা অনিয়ম নিয়ে শনিবার রাজধানীতে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এ অভিযোগ করেন রাজউক উত্তরা অ্যাপার্টমেন্ট প্রকল্পের ব্লক-এ এর মালিক কল্যাণ সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম মাসুম বিল্লাহ। তিনি বলেন, ৩০ শতাংশ কাজ অসমাপ্ত রেখে হস্তান্তরের সিদ্ধান্ত অযৌক্তিক। আমরা ন্যূনতম নাগরিক সুবিধা ছাড়াই বাস করছি। মতবিনিময় সভায় প্রকল্প পরিচালকের অসহযোগিতার সমালোচনা করেন মাসুম বিল্লাহ। এ সময় তিনি মালিক সমিতির পক্ষ থেকে ৯ দফা দাবি তুলে ধরেন।

তাদের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে অসমাপ্ত ৩০ শতাংশ কাজ দ্রুত শেষ করা, সরকারি হাসপাতাল বা স্বাস্থ্যকেন্দ্র স্থাপন, রাজউক স্কুল-কলেজের একটি শাখা চালু, পূর্ব পাশের রাস্তা ও লেক ব্লক-এ অন্তর্ভুক্ত করে নিরাপত্তা নিশ্চিত, সার্বিক ব্যবস্থাপনায় কেন্দ্রীয় বাজেট বরাদ্দ, নিরাপত্তার জন্য ডিজিটাল পাস, সিসিটিভি ও পিএবিএক্স এন্ট্রি সিস্টেম, দক্ষিণ পাশের তারকাটা সরিয়ে স্থায়ী সীমানা প্রাচীর নির্মাণ, মার্কেট ফ্লোর, কমিউনিটি সেন্টার, সুইমিং পুল ও হেলথ ক্লাব মালিক সমিতিকে হস্তান্তর এবং কমার্শিয়াল ভবনে পাঠাগার ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের জন্য দুটি ফ্লোর বরাদ্দ দেওয়া।

মাসুম বিল্লাহ আরও বলেন, আমরা বহু টাকা খরচ করে ফ্ল্যাট কিনেছি। এখন পরিবার নিয়ে নিরাপত্তাহীন ও অসুবিধার মধ্যে আছি। দাবি বাস্তবায়ন না হলে আমরা বৃহত্তর কর্মসূচিতে যাব। রাজউক উত্তরা অ্যাপার্টমেন্ট প্রকল্পের নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরোদ্ধে এবং প্রকল্প পরিচালকের অসহযোগিতা ও সেচ্ছাচারিতার জন্য শনিবার সকল ফ্লাট মালিকরা মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন।

মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন থেকে নিম্নোক্ত দাবি তুলে ধরা হয়;-

১. প্রকল্পের ১. প্রকল্পের এর অসমাপ্ত ৩০% কাজ অবিলম্বে সমাপ্ত করতে হবে।
২. প্রকল্পে বসবাসরত ৫০০০ মানুষের স্বাস্থ্য সেবার জন্য সরকারী হাসপাতাল বা স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র চালু করতে হবে।
৩. অত্র এলাকায় রাজউক স্কুল কলেজের শাখা স্থাপন করতে হবে।
৪. সার্বিক নিরাপত্তার জন্য পূর্ব দিকের রাস্তা ও লেকটিকে ব্লক এ এর সাথে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
৫. প্রকল্পের সার্বিক ব্যবস্থাপনা পরিচালনার জন্য কেন্দ্রীয়ভাবে প্রয়োজনীয় তহবিল বরাদ্দ করতে হবে।
৬. সমগ্র প্রকল্পের নিরাপত্তার জন্য ডিজিটাল নিরাপত্তা পাশ এবং সকল সড়কে সিসি ক্যামেরা এবং গেট হতে Ruap এর মাধ্যমে এন্ট্রি কন্ট্রোল সিস্টেম করতে হবে।
৭. প্রকল্পের দক্ষিন পার্শে অরক্ষিত তারকাটার বেড়ার পরিবর্তে পার্মানেন্ট দেওয়াল বা সীমানা প্রাচীর দ্রুত নির্মান করতে হবে।
৮. সার্বিক পরিচালনা ও হতবিল সংগ্রহের জন্য মার্কেটের একটি ফ্লোর, Ruap কমিউনিটি সেন্টার, সুইমিং পুল, হেলথ ক্লাবকে সেন্ট্রাল কমিটির হাতে স্থানান্তর করতে হবে।
৯. প্রকল্পের কমার্শিয়াল বিল্ডিং এ সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের জন্য একটি ফ্লোর এবং কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি ও পাঠাগারের জন্য একটি ফ্লোর বরাদ্দ করতে হবে।

 

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।