খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

ন্যাশনাল টি কোম্পানি অধীনে চা বাগানে ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে শ্রমিকদের বিক্ষোভ ও মানববন্ধন

শায়েস্তাগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ জুলাই, ২০২৫, ৫:৪২ অপরাহ্ণ
ন্যাশনাল টি কোম্পানি অধীনে চা বাগানে ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে শ্রমিকদের বিক্ষোভ ও মানববন্ধন

দেশের সর্ব বৃহৎ সরকারি মালিকানাধীন ন্যাশনাল টি কোম্পানি অধীনে ১৩টি চা বাগানের মধ্যে হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলার তেলিয়াপাড়া, জগদীশপুর, সাত ছড়ি চা বাগান, চুনারুঘাট উপজেলার চন্ডিছড়া, পারকুল সহ সকল চা বাগানের ন্যাশনাল টি কোম্পানি ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এইচ এস এম জিয়াউল আহসান এর নেতৃত্বে বর্তমান চা বাগানে শৃঙ্খলা ও গতিশীলতা সুন্দর ভাবে ফিরে এসেছে।

তেলিয়াপাড়া চা বাগান শ্রমিকরা বলেন, গত ২ ফেব্রুয়ারি এইচ এস এম জিয়াউল আহসান ন্যাশনাল টি কোম্পানি ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই প্রতিটি চা বাগানে কস্ট কনট্রোল, দুর্নীতি মুক্ত পরিবেশ, বিভিন্ন চুরি প্রতিরোধ এবং চায়ের গুনগত মানের উন্নতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। প্রতিটি চা বাগান ব্যবস্থাপনা থেকে শুরু করে চা শ্রমিক পর্যায় পর্যন্ত প্রতিটি স্তরে জবাব দিহিতা ও কাজের গতি বেড়েছে। চা বাগান সংশ্লিষ্টদের দাবি, এই অগ্রগতিতে ঈর্ষান্বিত হয়ে অতীতে দুর্নীতির দায়ে চাকুরি চুত্য একটি সার্থনেষী মহল আবার ও ফায়দা হাসিলের জন্য সক্রিয় হয়ে উঠেছে।

তারা মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে হবিগঞ্জ সদর উপজেলার নিজামপুর ইউনিয়নের বাগুনীপাড়া গ্রামের বাসিন্দা এবং ডিএফপি ভুক্ত ছাড়াই সাপ্তাহিক হবিগঞ্জের খবর এর সম্পাদক ও প্রকাশক শাহ মোঃ হুমায়ুন কবির নামে ন্যাশনাল টি কোম্পানি ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এইচ এস এম জিয়াউল আহসান, কোম্পানি সচিব, অন্যান্য কর্মকর্তা, চা বাগান ব্যবস্থাপক, কর্মচারী ও চা শ্রমিকদের বিরুদ্ধে তাঁর অনিয়মিত সাপ্তাহিক হবিগঞ্জের খবর ও তাঁর নিজস্ব আইডি ইউ টু ব চ্যানেল খুলে প্রতিদিন ধারাবাহিক ভাবে মিথ্যা ও মানহানি অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে এবং কোম্পানির এমডি সহ অন্যান্য কর্মকর্তা কাছে মাসিক চাঁদা দাবি করে।

মাসিক চাঁদা দিলে অপপ্রচার করা বন্ধ করে দিবে। দীর্ঘ দিন ধরে ভূঁইফোড় সাপ্তাহিক হবিগঞ্জের খবর সম্পাদক ও প্রকাশক শাহ মোঃ হুমায়ুন কবির এসব অপপ্রচারের ফলে ন্যাশনাল টি কোম্পানির ১৩টি চা বাগানের স্বাভাবিক পরিবেশ হুমকির মুখে পড়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। শ্রমিকরা বলেন শাহ মোঃ হুমায়ুন কবির দীর্ঘ দিন ধরে পএিকা সাংবাদিক নামে বিভিন্ন জায়গায় চাঁদাবাজি করে আসছে এবং এই চাঁদাবাজী জন্য বিগত যৌথবাহিনি হাতে নাতে ধরে জেল হাজতে প্রেরন করে। হবিগঞ্জ শহরে কোর্ট স্টেশন এলাকায় নিউ পারভিন হোমিওপ্যাথিক ডাঃ এমএ আলীম কাছ থেকে চাঁদা আনতে গিয়ে পুলিশের হাতে ধরা পড়ে।

চাঁদাবাজি সহ বিভিন্ন অপরাধের জন্য জেল হাজত কেটেছে। জেল হাজত থেকে বের হয়ে এসে শুরু হয় বিভিন্ন লোকের বিরুদ্ধে মিথ্যা অনিয়ম সংবাদ প্রকাশ হয়। কোনো সময় সে বিএনপি, কোনো সময় জামাত, কোনো সময় আওয়ামী লীগ, কোনো সময় জাতীয় পার্টি নেতা পরিচয় দেয়। তাঁর বিরুদ্ধে শায়েস্তাগঞ্জ ও হবিগঞ্জ থানা সহ আদালতে বহু মামলা রয়েছে। বর্তমান সরকার চাঁদাবাজদের প্রতিরোধ করলে ও শাহ মোঃ হুমায়ুন কবির ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বুধবার ( ২৩ জুলাই) সকালে মাধবপুর উপজেলার ঐতিহাসিক তেলিয়াপাড়া চা বাগানে ভূঁই পুর হলুদ সাংবাদিক শাহ মোঃ হুমায়ুন কবির বিরুদ্ধে বিশাল বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেন হাজার হাজার চা শ্রমিক। কর্মসূচীতে বক্তব্য রাখেন চা বাগান পনছায়েত সভাপতি খোকন পান তাতী, মহিলা সর্দার বিরেন্দ্র ভুনার্জি ও মহিলা নেত্রী প্রেম পান তাতী। তারা বলেন চা বাগানে শৃঙ্খলা ফেরাতে যারাই নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করছেন, ন্যাশনাল টি কোম্পানি ব্যবস্থাপনা পরিচালক, সচিব, চা বাগান ব্যবস্থাপক, কর্মচারী সহ অন্যান্যদের বিরুদ্ধে মনগড়া উদ্দেশ্য প্রণোদিত মিথ্যাচার কোনো ভাবেই বরদাশত করা হবে না হুশিয়ার করে বলেছি।

শ্রমিকরা ঐক্যমত হয়ে ভূঁইয়াপুর হলুদ সাপ্তাহিক হবিগঞ্জের খবর সম্পাদক ও প্রকাশক শাহ মোঃ হুমায়ুন কবিরের দৃষ্টান্ত মূলক কঠোর শাস্তি দাবি করে দ্রুত মাননীয় উপদেষ্টা, সররাষ্ট্র উপদেষ্টা, সেনাবাহিনী ক্যাম্প, জেলা ও প্রশাসন, থানা পুলিশ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। পনচায়েত সভাপতি খোকন পান তাতী বলেন, আমরা শ্রমিকরা চা বাগানকে ভালো বেসে পরিশ্রম করে যাচ্ছি। যা কিছু হয় ন্যাশনাল টি কোম্পানি ম্যানেজ মেন্ট দেখবে। ভূঁই পুর হলুদ সাপ্তাহিক হবিগঞ্জের খবর পএিকা সম্পাদক ও প্রকাশক শাহ মোঃ হুমায়ুন কবির চা বাগানের সে কি? সে এসএসসি পাশ করে ভূঁই পুর হলুদ সাংবাদিক করে। তাঁর চেয়ে চা বাগানের শ্রমিকরা বহু লেখা পড়া রয়েছে। অথচ শাহ শাহ মোঃ হুমায়ুন কবির আমাদের ন্যাশনাল টি কোম্পানি ও চা বাগানের কার্যক্রমের বাঁধা সৃষ্টি করছে।

সে হুমকি দিয়ে বলেছে, আমার কথা না শুনলে ইউটিউবে তোমাদের চা বাগানে মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে প্রচার করে যাবো। এমন হুমকির ঘটনায় শ্রমিকদের মাঝে ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। শ্রমিকরা ঘোষণা দেন, শাহ মোঃ হুমায়ুন কবিরকে দ্রুত আইনের আওতায় না আনা হলে চা শ্রমিকরা রাজপথে কঠোর আন্দোলনে যাবেন। ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করে কর্মসূচি ঘোষণা করার ও হুশিয়ারি দেন তাঁরা। চা-শ্রমিকরা জানান , ইতিপূর্বে নানা অপকর্মের দায়ে একাধিক মামলা হয় শাহ মোঃ হুমায়ুন কবির বিরুদ্ধে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।