খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

সুশাসন প্রতিষ্ঠায় দৃঢ় অবস্থান নিয়েই আক্রমণের শিকার এস এম লাবলুর রহমান

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ১১:১২ পূর্বাহ্ণ
সুশাসন প্রতিষ্ঠায় দৃঢ় অবস্থান নিয়েই আক্রমণের শিকার এস এম লাবলুর রহমান

বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) এর সদস্য (প্রশাসন) ও অতিরিক্ত সচিব এস এম লাবলুর রহমানের বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক সময়ে চালানো নানা ধরনের অপপ্রচার ও মিথ্যা অভিযোগের বিষয়টি গভীর উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। কর্তৃপক্ষের ভেতরে ও বাইরে অনেকেই মনে করছেন, সুশাসন প্রতিষ্ঠায় তার কঠোর ও অনড় অবস্থানকেই লক্ষ্য করে একটি শক্তিশালী গোষ্ঠী এ ধরনের অপপ্রচার চালাচ্ছে।

১৫তম বিসিএসের এই কর্মকর্তা দীর্ঘদিন পদোন্নতি বঞ্চিত ছিলেন। নিজের মেধা, যোগ্যতা ও নিষ্ঠা থাকা সত্ত্বেও ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে তিনি একাধিকবার পদোন্নতির সুযোগ থেকে বঞ্চিত হন। শুধু রাজনৈতিক কারণে তার ক্যারিয়ারের স্বাভাবিক অগ্রযাত্রা দীর্ঘ সময় আটকে রাখা হয়। এমনকি প্রশাসনে তার সততা, দৃঢ়তা ও নীতি-আদর্শের জন্য তাকে বারবার অবহেলার শিকার হতে হয়।

তবে সকল প্রতিকূলতা অতিক্রম করে অবশেষে বর্তমান সরকারের আমলে তার কর্মজীবনে আসে কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন। ২০২৪ সালের ২৫ আগস্ট তিনি পদোন্নতি লাভ করেন। এই পদোন্নতি কেবল তার দীর্ঘদিনের বঞ্চনার অবসানই ঘটায়নি, বরং তাকে নতুন উদ্যমে প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের সুযোগ এনে দিয়েছে।

সেতু বিভাগে দায়িত্ব পালনকালে এস. এম. লাবলুর রহমান তাঁর দক্ষতা, সততা ও দৃঢ় প্রশাসনিক নেতৃত্বের মাধ্যমে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন। তিনি কখনো কোনো প্রকার চাপ বা প্রভাবের কাছে নতিস্বীকার করেননি। দায়িত্ব পালনের সময়ে সাবেক মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এবং তৎকালীন সেতু সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলামের বিভিন্ন চাপ সত্ত্বেও তিনি সবসময় রাষ্ট্রীয় স্বার্থকে সর্বাগ্রে রেখেছেন, কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থ কিংবা প্রভাবশালী মহলের অযৌক্তিক দাবিকে মান্য করেননি। তাঁর কার্যকর পদক্ষেপের ফলে ঠিকাদারদের অযৌক্তিক সুবিধা গ্রহণের পথ রুদ্ধ হয় এবং সরকারের প্রায় এক হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় সম্ভব হয়। তবে তাঁর এই কঠোর ও নীতিগত অবস্থান কিছু প্রভাবশালী গোষ্ঠীর স্বার্থে আঘাত হানে, যার পরিণতিতে তাঁকে সেতু বিভাগ থেকে সমাজসেবা অধিদপ্তরে বদলি করা হয়।

মূলত বেবিচকে সদস্য (অর্থ) হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে গিয়েই এস এম লাবলুর রহমান দুর্নীতিগ্রস্ত সিন্ডিকেটের রোষানলে পড়েন। কাজ না করেই বিল অনুমোদনের প্রথা, সরকারি আইনকানুন উপেক্ষা করে ফাইল সাইন করানো, ঘুষ ও ব্যক্তিগত সুবিধা ইত্যাদির বিরুদ্ধে তিনি ছিলেন অনঢ়। প্রতিটি ফাইল যাচাই-বাছাই করে তিনি নিশ্চিত করতেন যে, সরকারের অর্থ যথাযথভাবে ব্যয় হচ্ছে এবং কোনো অযৌক্তিক বিল অনুমোদিত হচ্ছে না। তার এই কড়া অবস্থান স্বাভাবিক নিয়মে দুর্নীতিগ্রস্ত সিন্ডিকেটের স্বার্থে বড় ধরনের আঘাত হানে।

যেসব মহল দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ সুবিধা ভোগ করে আসছিল, তারা তার সততা ও নীতিকে নিজেদের জন্য হুমকি হিসেবে চিহ্নিত করে। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে তারা নানা ধরনের ষড়যন্ত্র শুরু করে এবং তার বিরুদ্ধে নানা দপ্তরে বেনামী অভিযোগ দেওয়া শুরু হয়। অভিযোগগুলো ছিল অসংগত, অমূলক ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, যার মাধ্যমে তাকে বিতর্কিত করার চেষ্টা চালানো হয়।

এস এম লাবলুর রহমান সিভিল এভিয়েশনে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে আসছেন। তিনি ঘুষ, অনৈতিক সুবিধা ও ফাইলবাণিজ্যের সংস্কৃতিকে সম্পূর্ণ অস্বীকার করে নিয়মতান্ত্রিক পদ্ধতিতে কাজের গতি বাড়িয়েছেন। এতে করে দীর্ঘদিন ধরে সিভিল এভিয়েশনে প্রভাব বিস্তারকারী একটি সিন্ডিকেটের স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

তার সততা, দৃঢ়তা ও নীতির কারণে এ মহল নিজেদের দুর্নীতি ও অনিয়ম আড়াল করার জন্য কৌশলগতভাবে তাকে ভিলেন বানানোর চেষ্টা করছে। নানা বেনামী অভিযোগ, মিথ্যা প্রচার এবং ব্যক্তিগতভাবে অপমান করার প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে যেন তিনি নীতি থেকে সরে দাঁড়ান এবং প্রশাসনের স্বচ্ছতা নষ্ট হয়।
অন্যদিকে একটি প্রভাবশালী মহল ইচ্ছাকৃতভাবে গুজব ছড়িয়ে যাচ্ছে যে, এস এম লাবলুর রহমান নাকি ২০১৮ কিংবা ২০২৪ সালের জাতীয় নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। এই ধরনের গুজব ছড়ানোর মাধ্যমে তাকে রাজনৈতিকভাবে বিতর্কিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

কিন্তু অনুসন্ধান করে জানা যায়, এই অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। বাস্তবে তিনি কোনো ধরনের নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করেননি। তার বিরুদ্ধে যে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে তা মূলত তাকে প্রশ্নবিদ্ধ করার একটি কৌশল মাত্র।

মূলত একটি দুর্নীতিগ্রস্ত সিন্ডিকেটের স্বার্থ রক্ষার হাতিয়ার হিসেবে তার বিরুদ্ধে দায়িত্ব পালনের মিথ্যা অভিযোগ এনে একটি গোষ্ঠী তাকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এই অভিযোগগুলো কেবল মিথ্যাই নয়, বরং ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ।

সম্প্রতি এস এম লাবলুর রহমান সদস্য (অর্থ) পদ থেকে সরাসরি সদস্য (প্রশাসন) পদে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। এই দায়িত্ব পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তিনি প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডে নতুন ধারা সূচনা করেন। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই তিনি শুধু প্রশাসনিক কার্যক্রমকে গতিশীল করেননি, বরং দীর্ঘদিনের অচলাবস্থা ও ধীরগতির অবসান ঘটাতে সক্ষম হয়েছেন।

এর আগে বিভিন্ন কারণে প্রশাসনের ভেতরে স্থবিরতা, জটিলতা এবং কাজের অগ্রগতিতে ব্যাঘাত সৃষ্টি হচ্ছিল। গুরুত্বপূর্ণ অনেক ফাইল দীর্ঘদিন ধরে অনুমোদনের অপেক্ষায় পড়ে থাকত, ফলে কার্যক্রমে দেখা দিত ধীরগতি। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে তৈরি হয়েছিল এক ধরনের অনিশ্চয়তা ও হতাশা।
কিন্তু দায়িত্ব গ্রহণের পর এস এম লাবলুর রহমান তার দক্ষতা, সততা ও দৃঢ় প্রশাসনিক মনোভাবের মাধ্যমে এই স্থবির পরিস্থিতি দ্রুত কাটিয়ে ওঠেন। তার নেতৃত্বে ফাইল নিষ্পত্তি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে এসেছে গতি ও স্বচ্ছতা। প্রতিটি কাজ নিয়মতান্ত্রিকভাবে এগিয়ে চলছে, যা প্রশাসনের সামগ্রিক কর্মক্ষমতাকে উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে দিয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এস এম লাবলুর রহমান দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই প্রশাসনে দৃশ্যমান পরিবর্তন এসেছে। বিশেষ করে ফাইল নিষ্পত্তির প্রক্রিয়ায় এসেছে গতি ও স্বচ্ছতা। আগে যেখানে একটি ফাইল অনুমোদন পেতে দীর্ঘ সময় লেগে যেত, এখন নিয়মতান্ত্রিকভাবে দ্রুততার সঙ্গে তা সম্পন্ন হচ্ছে। এর ফলে কাজের অগ্রগতি বেড়েছে এবং সবার মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে এক ধরনের আস্থার পরিবেশ।
তারা আরও জানান, প্রতিটি কাজ এখন নিয়মের মধ্য দিয়ে সঠিকভাবে অগ্রসর হচ্ছে। কোনো ধরনের শর্টকাট পদ্ধতি বা অস্বচ্ছ প্রক্রিয়ার সুযোগ নেই। এতে করে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে যেমন স্বস্তি ফিরেছে, তেমনি দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে তৈরি হয়েছে ইতিবাচক মনোভাব।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।