খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

৫০ শয্যার হাসপাতালে ভর্তি ১৭০

অতিরিক্ত রোগীর চাপে সেবা কার্যক্রমে বিশৃঙ্খলা, হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসকরা

সোহেলা রানা, গলাচিপা (পটুয়াখালী)
প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২৫, ১:২৬ অপরাহ্ণ
অতিরিক্ত রোগীর চাপে সেবা কার্যক্রমে বিশৃঙ্খলা, হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসকরা

পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ধারণক্ষমতার তিনগুণেরও বেশি রোগী ভর্তি থাকায় চিকিৎসা সেবা প্রদান করতে গিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন কর্তৃপক্ষ। ৫০ শয্যার এই হাসপাতালটিতে প্রতিদিন গড়ে ১৩০ থেকে ১৭০ জন রোগী ভর্তি থাকছে। শয্যা সংকটের কারণে বাধ্য হয়ে মেঝেতে ও বারান্দায় রেখে রোগীদের চিকিৎসা দিতে হচ্ছে, যা তৈরি করছে চরম বিশৃঙ্খলা। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবার ভরসাস্থল এই হাসপাতালে প্রতিদিন বহির্বিভাগে ৩৫০ থেকে ৪৫০ জন রোগী সেবা নিতে আসেন। এছাড়া জরুরি বিভাগে প্রতিদিন ২৫০ থেকে ৩০০ জন রোগী চিকিৎসা গ্রহণ করেন। গড়ে প্রতিদিন নতুন করে ১০০-এর অধিক রোগী হাসপাতালে ভর্তি হন।

হাসপাতালটির শয্যা সংখ্যা মাত্র ৫০টি। কিন্তু বর্তমানে এখানে গড়ে ১৩০ থেকে ১৭০ জন রোগী ভর্তি থাকছেন। বিপুল সংখ্যক এই রোগীর চাপে কাঙ্ক্ষিত সেবা নিশ্চিত করা ডাক্তার ও নার্সদের জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত রোগীর কারণে হাসপাতালে প্রায়ই বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে এবং চিকিৎসকসহ সংশ্লিষ্টরা বিভিন্ন মহলের চাপের মুখে পড়ছেন। এ বিষয়ে গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. মেজবাহ উদ্দিন জানান, “হাসপাতালে রোগীর তুলনায় বেড সংখ্যা অপ্রতুল। ৫০ শয্যার বিপরীতে প্রতিদিন আমাদের দেড় শতাধিক রোগীকে সেবা দিতে হচ্ছে। অতিরিক্ত রোগীর চাপে ফ্লোরে রেখে চিকিৎসা দিতে হচ্ছে, ফলে অনেক সময় কাঙ্ক্ষিত সেবা প্রদানে সমস্যা হচ্ছে এবং বিশৃঙ্খলা তৈরি হচ্ছে। সীমিত জনবল ও অবকাঠামো নিয়ে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।”

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।