খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

ঢাকা-কক্সবাজারসহ ছয় রুটে বাড়লো ট্রেনের ভাড়া

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৭:৩৬ অপরাহ্ণ
ঢাকা-কক্সবাজারসহ ছয় রুটে বাড়লো ট্রেনের ভাড়া

ঢাকা-কক্সবাজারসহ দেশের ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ রুটে ট্রেনের ভাড়া বাড়িয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। আজ শনিবার (২০ ডিসেম্বর) থেকে নতুন ভাড়া কার্যকর হয়েছে। গত ১৩ বছরে সরাসরি বা কৌশলে ট্রেনের ভাড়া বাড়ানো হয়েছে অন্তত পাঁচবার। এবার সরাসরি টিকিটের দাম না বাড়িয়ে ‘পন্টেজ চার্জ’ বা মাশুল আরোপের মাধ্যমে ভাড়া বাড়ানো হয়েছে। এতে আসন ও রুটভেদে সর্বনিম্ন ৫ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ২২৬ টাকা পর্যন্ত ভাড়া বেড়েছে।

রেলওয়ের ভাষায়, রেলপথে কোনো সেতু বা সমজাতীয় স্থাপনা থাকলে তার রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় মেটাতে যে অতিরিক্ত মাশুল নেওয়া হয় সেটিই পন্টেজ চার্জ। নিয়ম অনুযায়ী ১০০ মিটার দৈর্ঘ্যের একটি সেতুকে আড়াই কিলোমিটার পথ হিসেবে গণনা করা হয়। ফলে এক কিলোমিটার দীর্ঘ সেতুর দূরত্ব ধরা হয় ২৫ কিলোমিটার। এতে কাগজে-কলমে রুটের দৈর্ঘ্য বেড়ে যায় এবং সেই অনুপাতে ভাড়াও বাড়ে। রেলওয়ের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকা-চট্টগ্রাম, ঢাকা-কক্সবাজার, ঢাকা-সিলেট, চট্টগ্রাম-সিলেট, চট্টগ্রাম-জামালপুর ও ঢাকা-দেওয়ানগঞ্জ- এই ছয় রুটের ১১টি সেতুতে পন্টেজ চার্জ আরোপ করা হয়েছে।

রেলওয়ে সূত্র জানায়, রেলওয়ের আয় বাড়ানো ও ব্যয় কমানোর লক্ষ্যে গত ২৫ মে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ফাহিমুল ইসলামের উপস্থিতিতে বিশেষ বৈঠক হয়। সেখানে টিকিটের ভাড়া না বাড়িয়ে কীভাবে রাজস্ব বাড়ানো যায়, সে বিষয়ে ১৩টি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর মধ্যে অন্যতম ছিল ১০০ মিটার বা তার বেশি দৈর্ঘ্যের সেতুগুলোতে পন্টেজ চার্জ আরোপ। রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের প্রধান বাণিজ্যিক ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান বলেন, সব রুটে নয়, নির্দিষ্ট কিছু রুটে ভাড়া বাড়ানো হয়েছে। এটি সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নেওয়া হয়েছে এবং পুরোনো সেতুগুলোর রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় মেটাতেই এই ব্যবস্থা।

ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে সুবর্ণ এক্সপ্রেস ট্রেনের স্নিগ্ধা আসনের ভাড়া ২০১২ সালে ছিল ৫৮৫ টাকা। ২০১৬ সালে তা বেড়ে হয় ৭২৫ টাকা। ২০২৪ সালে রেয়াতি সুবিধা প্রত্যাহারের পর ভাড়া দাঁড়ায় ৮৫৫ টাকা। নতুন পন্টেজ চার্জ যুক্ত হওয়ার পর এখন যাত্রীদের দিতে হচ্ছে ৯৪৩ টাকা।

ঢাকা-কক্সবাজার রুটে চলাচলরত কক্সবাজার ও পর্যটক এক্সপ্রেস ট্রেনের স্নিগ্ধা আসনের ভাড়া এক হাজার ৩২২ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে এক হাজার ৪৪৯ টাকা। এসি বার্থের ভাড়া ২ হাজার ৪৩০ টাকা থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৬৫৬ টাকায়। এ রুটে সর্বোচ্চ ২২৬ টাকা পর্যন্ত ভাড়া বেড়েছে।

এর আগে ২০১২ সালে একলাফে ৫০ শতাংশ ভাড়া বাড়ানো হয়। ২০১৬ সালে কিলোমিটারপ্রতি ভাড়া বাড়ে ৭ দশমিক ২৩ শতাংশ। ২০২২ সালে নন-এসি প্রথম শ্রেণির টিকিটে ১৫ শতাংশ ভ্যাট আরোপ করা হয়। ২০২৪ সালে অতিরিক্ত বগির টিকিটে ২০ থেকে ৩০ শতাংশ বাড়তি ভাড়া নেওয়া হয়। একই বছরের মে মাসে দীর্ঘপথে যাত্রীদের রেয়াতি সুবিধাও প্রত্যাহার করা হয়। ভাড়া বাড়ানোর বিষয়ে ভোক্তা সংগঠনগুলোর মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সহ-সভাপতি নাজের হোসাইন বলেন, রেল স্বল্প আয়ের মানুষের সবচেয়ে সাশ্রয়ী পরিবহন। বারবার কৌশলে ভাড়া বাড়ানো সাধারণ মানুষের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করছে। সরকার চাইলে রেলের অভ্যন্তরীণ অনিয়ম ও দুর্নীতি বন্ধ করেই রাজস্ব বাড়াতে পারে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।