খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

ইন্টার্নশিপে অংশ নিতে শহীদ মনসুর আলী মেডিকেলে বিক্ষোভ

ডা. খান ইফতেখার, মেডিকেল ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৯ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:৫৯ অপরাহ্ণ
ইন্টার্নশিপে অংশ নিতে শহীদ মনসুর আলী মেডিকেলে বিক্ষোভ

‎ইন্টার্নশিপে অংশ নেওয়ার দাবিতে সড়কে নেমে বিক্ষোভ করেছেন শহীদ মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারী, চিকিৎসক ও শিক্ষার্থীরা।

‎বৃহস্পতিবার (৮ ডিসেম্বর) সকাল থেকে কলেজ সংলগ্ন সড়কে অবস্থান নিয়ে তারা মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন। বিক্ষোভকারীরা জানান, ফাইনাল পেশাগত এমবিবিএস মে-২০২৫ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৮৩ জন নতুন চিকিৎসক চার মাস পেরিয়ে গেলেও ইন্টার্নশিপ শুরু করার সুযোগ পাচ্ছেন না।
‎
‎এ সময় শিক্ষার্থীরা, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (বিএমডিসি)এর বিরুদ্ধে বৈষম্যমূলক সিদ্ধান্তের অভিযোগ তোলেন। প্রতিবাদে অংশ নেওয়া এই শিক্ষার্থীরা জানান, একই শিক্ষাবর্ষের অন্যান্য মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরা ইতোমধ্যে ইন্টার্নশিপ শুরু করেছেন। কিন্তু তাদের ক্ষেত্রে বৈষম্য করা হচ্ছে। এতে তাদের পেশাগত ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। দ্রুত ইন্টার্নশিপ চালু না হলে আন্দোলন আরও জোরদার করার হুঁশিয়ারি দেন তারা।
‎
‎অন্যদিকে কলেজের চিকিৎসকরা বলেন, সব একাডেমিক শর্ত পূরণ হওয়া সত্ত্বেও শুধুমাত্র প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে ইন্টার্নশিপ কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছে, যা চরম বৈষম্যমূলক।
‎
‎আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানান, শহীদ মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ কেন্দ্র থেকে ফাইনাল পেশাগত এমবিবিএস মে-২০২৫ পরীক্ষার ফলাফল গত ১১ সেপ্টেম্বর প্রকাশ হয়েছে। ফলাফলের ভিত্তিতে ২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষের উত্তীর্ণ ৮৩ নতুন চিকিৎসক দীর্ঘদিন ধরে ইন্টার্নশিপ প্রশিক্ষণে যোগদানের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়ে চরম অনিশ্চয়তা, হতাশায় আছেন। ফলাফল প্রকাশিত হওয়ার পরও সাময়িক রেজিস্ট্রেশন না পাওয়ায় ছাত্র-ছাত্রীদের এই অনিশ্চয়তায় পড়তে হয়েছে। অথচ বিগত ৬ নভেম্বর অনুষ্ঠিত বৈঠকে অন্যান্য ১৩টি মেডিক্যাল কলেজের স্বীকৃতি ও সদ্য এমবিবিএস পাসকৃত ডাক্তারদের ইন্টার্নশিপ করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। সব একাডেমিক শর্ত পূরণ এবং প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ার পরও এই মেডিকেল কলেজের এই ৮৩ নব্য চিকিৎসক ইন্টার্নশিপ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু না হওয়ার বিষয়টিকে সংশ্লিষ্টরা স্পষ্টভাবে বৈষম্যমূলক ও অমানবিক বলে মনে করছেন।
‎
‎প্রসঙ্গত, শহীদ মনসুর আলী ট্রাস্টের আওতাধীন শহীদ মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ একটি সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক, অলাভজনক ও দাতব্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। গত তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে দেশের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবায় এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত এই প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে দেশ ছাড়াও বিদেশের শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে।
‎জানা গেছে, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের মধ্যে কয়েকজন ব্যক্তির ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে এই ইন্টার্নশিপ কার্যক্রম অযৌক্তিকভাবে বিলম্বিত করা হচ্ছে। শিক্ষা ও চিকিৎসার মতো সংবেদনশীল খাতে এ ধরনের হস্তক্ষেপ দেশের ভবিষ্যৎ চিকিৎসা ব্যবস্থার জন্য মারাত্মক হুমকি।
‎

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।