খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

নিশ্চিত পরাজয় জেনে দিশেহারা ধানের শীষ প্রার্থী

চাঁদপুর-৪ ফরিদগঞ্জ আসনের ধানের শীষ কর্মীদের অত্যাচারে স্বতন্ত্র প্রার্থীর দিকে ঝুকছেন ভোটাররা

চাঁদপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ১১:৩৩ অপরাহ্ণ
চাঁদপুর-৪ ফরিদগঞ্জ আসনের ধানের শীষ কর্মীদের অত্যাচারে স্বতন্ত্র প্রার্থীর দিকে ঝুকছেন ভোটাররা

চিংড়ি প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী এমএ হান্নান

চাঁদাবাজি, লোকজনকে মারধরসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে বিরক্ত হয়ে ধানের শীষের প্রার্থী হারুনুর রশিদ এর কাছ থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী এমএ হান্নান এর দিকে ঝুঁকেছেন চাঁদপুর ৪ ফরিদগঞ্জ আসনের ভোটাররা। ধানের শীষ ছাড়া অন্য কারো পক্ষে কাজ না করতে প্রকাশ্যে হুমকি দিয়ে চলছে ধানের শীষের প্রার্থীর কর্মীরা। এমনকি প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে তারা। গ্রামের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ধানের শীষের পক্ষে ভোট দিতে হুমকি দিচ্ছে। না হলে গ্রামে থাকতে পারবে না বলেও জানাচ্ছে তারা।

স্বতন্ত্র প্রার্থী এম এ হান্নান এর পক্ষে কাজ করায় ফরিদগঞ্জের ৩নং সুবিদপুর পূর্ব ইউনিয়নের উবারোমপুর গ্রামের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী যুবদল কর্মী শাহ আলম মিজি উজ্জ্বল (৩৮), উভারামপুর গ্রামের হারু ডাক্তার, গোবিন্দপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য মোঃ আব্দুল কাদির তপদার(৬০) সহ আরো বেশ কয়েকজন হামলার শিকার হয়েছে ধানের শীষের প্রার্থী হারুনুর রশিদের কর্মী দ্বারা।‎ শুধু হামলাই নয়। হামলার পাশাপাশি বিভিন্ন অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছে তারা।

‎গতকাল ২৪ জানুয়ারি ২০২৬ ফরিদগঞ্জে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী জনাব লায়ন মোহাম্মদ হারুনুর রশিদ এর সাথে যমুনা গ্রুপের পরিচালক(বাণিজ্যিক) এবং দৈনিক ঢাকার ডাকের সম্পাদক ও প্রকাশক এর  একটি মোবাইল কথোপকথন সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল হয়েছে।

এতে এলাকায় বিভিন্ন ধরনের হামকি ধমকি দিচ্ছে ধানের শীষ প্রতীকের কতিপয় সন্ত্রাসী। সন্ত্রাসীদের কথা হচ্ছে ধানের শীষ প্রতীক ছাড়া কেহ অন্য কারো পক্ষে কথা বলতে পারবেনা। অন্য কোন প্রার্থীর প্রচারণা করতে পারবেনা। এ বিষয়টি নিয়ে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীর সাথে কথোপকথন হয়। কথোপকথনের মূল বিষয়টি ধানের শীষ প্রতীকের লোকজন না বুঝেই হম্বিতম্বি এবং হইচই শুরু করে দিয়েছে। এতে এলাকায় তারা ভীতির সঞ্চার করেছে।

ধানের শীষ প্রতীকের কর্মীরা সাধারণ জনগণের গায়ে হাত দিচ্ছে এবং হুমকি ধমকি দিচ্ছে। এ বিষয়ে উল্টা তারাই আবার এলাকায় বহিরাগত লোক দিয়ে মানববন্ধন করেছে। প্রকৃত অর্থে ধানের শীষের পরাজয় নিশ্চিত জেনে ফরিদগঞ্জের ৩নং পূর্ব সুবিদপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডে কতিপয় সন্ত্রাসী এ ধরনের কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে। বিষয়টির জন্য এলাকার জনগণ খুবই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। অবিলম্বে এই সন্ত্রাসীদেরকে আইনের আওতায় আনার জন্য থানায় যোগাযোগ করা হচ্ছে। বিষয়টি সকলকে অবহিত করা হলো।

‎দীর্ঘদিন বিএনপির সাথে রাজনীতি করা এম এ হান্নান জনপ্রিয়তার দিক দিয়ে ফরিদগঞ্জের শীর্ষে। স্থানীয় জনগণের সুরক্ষার কথা চিন্তা করে ধানের শীষ কে ভালোবেসেও এলাকার মানুষের পাশে থাকার জন্য তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে দাঁড়িয়েছেন। কোন ক্ষমতা বলে হারুনুর রশিদ ধানের শীষ প্রতীক হাতিয়ে নিল তা স্থানীয় জনগণের বোধগম্য নয়। তাই পরাজয় নিশ্চিত জেনে হারুনুর রশিদ তার লোকজনকে দিয়ে ভয়-ভীতি দেখিয়ে এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।

নির্বাচনী এক জনমত জরিপে দেখা যায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর বিজয়ী হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। জামায়াত প্রার্থী দ্বিতীয় স্থান এবং ধানের শীষের তৃতীয় স্থান হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই প্রার্থী নির্বাচনে একটি ভুল শুধু একটি আসনই হারাবে না। এর দায়ভার জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র নীতি নির্ধারকদেরই নিতে হবে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।