খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

তৃণমূলের প্রত্যাশা মন্ত্রী পদে দেখতে চান সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুলকে

মোঃ আঃ কুদ্দুস, মনোহরদী
প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৪:১৮ অপরাহ্ণ
তৃণমূলের প্রত্যাশা মন্ত্রী পদে দেখতে চান সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুলকে

নতুন মন্ত্রিসভায় নরসিংদী-৪ (মনোহরদী-বেলাবো) আসনের বিএনপির বিজয়ী প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুলকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান এলাকাবাসী ও স্থানীয় নেতাকর্মীরা। এবার তিনি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিপুল ভোটে চতুর্থবারের মতো বিজয়ী হয়েছেন। নতুন সরকারের মন্ত্রিসভায় কারা ঠাঁই পাচ্ছেন এ নিয়ে ইতোমধ্যে আলোচনা চলছে। দুই একদিনের মধ্যে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করানো হবে। তারপর শুরু হবে মন্ত্রিসভা গঠনের কাজ। নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর সাখাওয়াত হোসেন বকুলকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চেয়ে ফেসবুকে পোস্ট দিচ্ছেন অনেক নেতাকর্মী। কারণ এই এলাকার ভাগ্য উন্নয়নে এমপি বকুলের বিকল্প নেই।

নরসিংদী সরকারি কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক জিএস সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল ১৯৯১ সালে বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। এরপর ১৯৯৬ এবং ২০০১ সালে একই দলের হয়ে আওয়ামী লীগ প্রার্থী সাবেক সেনাপ্রধান (অব.) লে. জেনারেল নূর উদ্দিন খানকে পরাজিত করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। এবারের নির্বাচনে তিনি চতুর্থবারের মতো বিজয়ী হলেন। মনোহরদী উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহবায়ক মুজিবুর রহমান বলেন, ‘এবারের নির্বাচনে সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন। বিএনপি চেয়ারম্যানের কাছে তাকে মন্ত্রিত্ব দেওয়ার দাবি জানাই।

মনোহরদী উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আমিনুর রহমান সরকার দোলন বলেন, ‘সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল সব সময় জনগণের কল্যাণে কাজ করে গেছেন। তিনি বিপুল ভোটে চতুর্থবারের মতো এমপি নির্বাচিত হয়েছেন। আমরা বিএনপি চেয়ারম্যানের কাছে সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুলকে মন্ত্রীর আসন দিয়ে সর্বস্তরের মানুষের আশা পূরণ করার দাবি জানাচ্ছি। নরসিংদী জেলা বিএনপির জেষ্ঠ্য সহসভাপতি সরদার তোফাজ্জল হোসেন লিয়াকত বলেন, ‘নির্বাচনী প্রচারণায় যেখানেই গিয়েছি সেখানেই মানুষ প্রত্যাশা জানিয়েছে সাখাওয়াত হোসেন বকুল বিজয়ী হয়ে মন্ত্রিসভায় স্থান পাবেন। দলে তার অনেক অবদান রয়েছে।

তিনি দলের সবাইকে সুসংগঠিত করেছেন। সরদার বকুল ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৬৩ হাজার ৩৯২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম পেয়েছেন ৭৮ হাজার ৭৪৪ ভোট। দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা ও জনসম্পৃক্ততার কারণে তাঁকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করা হলে এলাকার উন্নয়ন কার্যক্রম আরও ত্বরান্বিত হবে—এমন প্রত্যাশা স্থানীয়দের। এখন সময়ই বলবে, জাতীয় নেতৃত্ব তাঁর অভিজ্ঞতাকে কতটা মূল্যায়ন করে রাষ্ট্রীয় দায়িত্বে আসীন করার সিদ্ধান্ত নেয়।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।