খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

পঞ্চগড়ে দৈনিক ঢাকার ডাক পত্রিকার সাংবাদিককে হত্যার হুঁমকি

পঞ্চগড় প্রতিনিধি
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:৩৬ পূর্বাহ্ণ
পঞ্চগড়ে দৈনিক ঢাকার ডাক পত্রিকার সাংবাদিককে হত্যার হুঁমকি

ভাবতে অবাক লাগে যেখানে একটি ইউনিয়ন পরিষদ ও ভূমি অফিস রয়েছে এদের নাকের ডগার উপর দিয়ে অবৈধ পন্থায় যন্ত্রদানব ভেকু ও ড্রেজার মেশিন দিয়ে জমির বুক চিরে উত্তোলন করা হচ্ছে পাথর বালু। এই স্থান থেকে অপু নামের এক ব্যক্তি দীর্ঘ এক বছর থেকে পাথর বালু উত্তোলন করেই যাচ্ছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে সমতল ভূমির প্রায় ৩০ ফিট গভীর থেকে ভেকু ও ড্রেজার মেশিন দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকার পাথর বালুর উত্তোলন করে বিক্রি করছে অপু নামের ব্যক্তি। ঘটনার সত্যতা যাচাই করতে গেলে অপু সাংবাদিক এর সাথে তর্ক-বিতর্কে জড়িয়ে জানে মারার হুমকি দেয় এবং সাংবাদিকদের চাঁদাবাজ বলে আখ্যায়িত করে বিশেষ সূত্রে জানা যায় অপু একজন এনসিপির কর্মী তাই সে কাউকে তোয়াক্কা না করে প্রায় এক বছর থেকে এভাবে পাথর বালি উত্তোলন করেই যাচ্ছে।

এখন ভাববার বিষয় যে অপরাধ বড় নাকি আইন বড় যদি আইন বড় হয়ে থাকে তাহলে অতি নিকটে ইউনিয়ন পরিষদ ও ভূমি অফিস রয়েছে অথচ ভূমির প্রায় ৩০ ফিট গভীর থেকে পাথর উত্তোলন করে নাকের ডগার উপর দিয়ে ট্রাকে লোড আনলোড হচ্ছে কিভাবে প্রশ্ন কর্তৃপক্ষের কাছে।

সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে গেলে পাথর বালু খেকো অপু চড়াও হয়ে বসে এবং দলবল নিয়ে সাংবাদিকদের সাথে তর্ক বিতর্কে জড়িয়ে একপর্যায়ে দৈনিক ঢাকার ডাক পত্রিকার পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি মোছাঃ আছমা আক্তার আখিকে জানে মারার হুমকি দেয় অপু, এবং বলে পাথর বালু বিষয় নিউজ করলে আপনি প্রাণেবাচবেনা আমাকে আপনি চিনেন না আমি কে।

জানা যায় পঞ্চগড় সদর উপজেলার হাফিজাবাদ ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের তালমা বাজার এলাকার বাসিন্দা অপু, অপু এনসিপি যুবশক্তির জেলা যুগ্ন আহবায়ক ও তার পিতা মতিয়ার রহমান পঞ্চগড় জেলা এনসিপির যুগ্ন আহবায়ক।

বিগত আঠারো মাসে বাপ ছেলে লাখ লাখ টাকার মালিক হয়েছে অবৈধ কার্যকলাপ করে ও এনসিপির নাম ভাঙিয়ে গড়ে তুলেছে নানান ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। নতুন সরকার গঠন হওয়ার পরও এদের প্রভাব কমেনি এলাকায়। এখনো চলমান রয়েছে অবৈধ কার্যকলাপ।

গত শনিবার ২১ ফেব্রুয়ারি প্রায় দুইটা থেকে ২:৩০ মিনিটে ঘটনাটি ঘটে, ২২ফেব্রুয়ারি সকালে ভুক্তভোগী সাংবাদিক জান মালের নিরাপত্তা চেয়ে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে পঞ্চগড় সদর থানায় জিডি করেন যার জিডি নং ১১৮৩।

এ বিষয়ে পঞ্চগড় সদর উপজেলার এসিল্যান্ড মোহন মিনজি এর সাথে কথা হলে তিনি বলেন ঊর্ধ্বতন কতৃপক্ষের নির্দেশনা মোতাবেক আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।