খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হলো মোটরসাইকেল

ঘুম থেকে ডেকে এনে নৃশংস হত্যা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ২:৫৩ অপরাহ্ণ
ঘুম থেকে ডেকে এনে নৃশংস হত্যা

মুন্সিগঞ্জের লৌহজং উপজেলায় সোহেল মুন্সী (৩৯) নামে এক ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। হত্যাকাণ্ডের পর তার ব্যবহৃত মোটরসাইকেলেও আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। বুধবার (১৭ জুন) দিবাগত রাত পৌনে ২টার দিকে উপজেলার গাঁওদিয়া ইউনিয়নের কালুরগাঁও গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত সোহেল মুন্সী কালুরগাঁও গ্রামের মৃত ইসমাইল মুন্সীর ছেলে। তিনি পেশায় একজন ভাঙারি ব্যবসায়ী ছিলেন।

নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতে খাবার খেয়ে নিজ কক্ষে ঘুমাতে যান সোহেল। সম্প্রতি সন্তান জন্ম দেওয়ায় তার স্ত্রী নূপুর বেগম শাশুড়ি সেফালি বেগমের সঙ্গে অন্য ঘরে অবস্থান করছিলেন। গভীর রাতে বাড়ির উঠান থেকে শব্দ পেয়ে তারা ঘুম থেকে জেগে ওঠেন। ঘর থেকে বের হওয়ার চেষ্টা করলে দেখতে পান বাইরে থেকে দরজা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

পরে পেছনের দরজা দিয়ে বাইরে এসে তারা দেখতে পান উঠানে সোহেলের মোটরসাইকেলে আগুন জ্বলছে। একই সঙ্গে সেখানে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছে সোহেল মুন্সীর মরদেহ।

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, গভীর রাতে অজ্ঞাত পরিচয়ের এক বা একাধিক ব্যক্তি সোহেলকে ঘুম থেকে ডেকে বাইরে নিয়ে আসে। এরপর বাড়ির উঠানেই ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করা হয়। হত্যার পর ঘটনাটি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে কিংবা আলামত নষ্টের উদ্দেশ্যে তার মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দিয়ে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়।

নিহতের স্ত্রী নূপুর বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “আমার বিয়ে হয়েছে মাত্র এক বছর দুই মাস। আমার ৪০ দিনের একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। এখন সে কাকে বাবা ডাকবে? যারা আমার সন্তানকে এতিম করেছে, আমি তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।”

ঘটনার পর এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

মুন্সিগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. কামরান হোসেন জানান, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

তিনি আরও জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত শেষে এবং নিহতের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পুলিশ জানিয়েছে, হত্যার পেছনে ব্যক্তিগত বিরোধ, ব্যবসায়িক দ্বন্দ্ব কিংবা অন্য কোনো কারণ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষ হলে ঘটনার বিস্তারিত জানা যাবে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।