খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

সুনামগঞ্জে প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজের সতর্কবার্তা ; বাংলা, ইংরেজি ও গণিতে কোনো শিক্ষার্থী যেন পিছিয়ে না থাক

এমদাদুর রহমান চৌধুরী জিয়া
প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ৯:২৯ অপরাহ্ণ
সুনামগঞ্জে প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজের সতর্কবার্তা ; বাংলা, ইংরেজি ও গণিতে কোনো শিক্ষার্থী যেন পিছিয়ে না থাক

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, প্রাথমিক শিক্ষার মূল লক্ষ্য হলো প্রতিটি শিশুর শিক্ষা নিশ্চিত করা। বাংলা, ইংরেজি ও গণিতে কোনো শিক্ষার্থী যেন পিছিয়ে না থাকে, সে বিষয়ে শিক্ষকসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। একই সঙ্গে ধর্মীয়, পারিবারিক ও নাগরিক মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষা নিশ্চিত করে শিক্ষার্থীদের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।

তিনি (সোমবার) সুনামগঞ্জের প্রাইমারি টিচার্স ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে (পিটিআই) ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ফিডিং কর্মসূচি’ শীর্ষক প্রকল্পের কার্যক্রম সম্পর্কে ওরিয়েন্টেশন এবং প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন বিষয়ক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সিলেট বিভাগে শিক্ষক সংকট তুলনামূলক বেশি। এ সংকট দূর করতে দ্রুত শিক্ষক নিয়োগের পাশাপাশি পিটিআইগুলোকে আধুনিক ও কার্যকর প্রশিক্ষণকেন্দ্রে রূপান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কোনো শিক্ষক যাতে প্রশিক্ষণ ছাড়া শ্রেণিকক্ষে পাঠদান না করেন, সে লক্ষ্যে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে। বিশেষ করে যেসব জেলায় শিক্ষক সংকট ও পিটিআইয়ের সক্ষমতার ঘাটতি রয়েছে, সেখানে বিশেষ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে।

তিনি বলেন, শিক্ষকদের বেতন-ভাতা, পদমর্যাদা ও পেশাগত উন্নয়নে সরকার কাজ করছে। খুব শিগগিরই নতুন শিক্ষক নীতিমালা ও প্রধান শিক্ষক নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে। শিক্ষকদের যথাযথ মর্যাদা নিশ্চিত করার পাশাপাশি দায়িত্ব ও জবাবদিহিতাও আরও বৃদ্ধি পাবে।

ববি হাজ্জাজ বলেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ইতিবাচক ভাবমূর্তি গড়ে তুলতে হবে। বিদ্যালয়ে নিয়মিত পাঠদান, শৃঙ্খলা ও শিক্ষার মান নিশ্চিত করে অভিভাবকদের আস্থা অর্জন করতে হবে। বিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়ন, খেলাধুলার মাঠ নির্মাণ এবং হাওরাঞ্চলের মতো বিশেষ এলাকার উপযোগী শিক্ষা অবকাঠামো গড়ে তুলতে মাঠপর্যায়ের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া হবে।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ফিডিং কর্মসূচি প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত খাদ্য নিশ্চিত করতে সরকার শূন্য সহনশীলতা (জিরো টলারেন্স) নীতি অনুসরণ করছে। প্রতিটি খাদ্য চালান প্রত্যয়িত ফুড টেকনিশিয়ান দ্বারা যাচাই, আকস্মিক কারখানা পরিদর্শন, মাদার্স কমিটির মাধ্যমে খাদ্য গ্রহণ এবং প্রয়োজনে পরীক্ষাগারে নমুনা পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। কোনো অনিয়ম প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার, কর্মকর্তা বা দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, সরকারি বিদ্যালয়ের উন্নয়নে কমিউনিটি সম্পৃক্ততা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিটি শ্রেণিতে অভিভাবকদের নিয়ে ‘প্যারেন্ট সার্কেল’ এবং প্রতিটি বিদ্যালয়ে এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তি, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক, সরকারি কর্মকর্তা, ধর্মীয় ও সামাজিক নেতাদের সমন্বয়ে ‘স্কুল বন্ধু রেজিস্টার’ গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হবে। এর মাধ্যমে বিদ্যালয় পরিচালনায় স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ বাড়বে এবং শিক্ষা কার্যক্রমের স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও গুণগত মান আরও শক্তিশালী হবে।

সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিনহাজুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. আব্দুর রহিম, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ফিডিং কর্মসূচি প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মো. আবুল আলিম এবং পুলিশ সুপার এ বি এম জাকির হোসেন। এ সময় সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা এবং জেলার ছাতক ও বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।