খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

জাল জালিয়াতির অভিযোগ: নওগাঁয় মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের এমপিও স্থগিত

সহিদুল ইসলাম ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ৩:৩০ অপরাহ্ণ
জাল জালিয়াতির অভিযোগ: নওগাঁয় মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের এমপিও স্থগিত

নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলার ধামইরহাট সিদ্দিকীয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. রবিউল আলমের বিরুদ্ধে গুরুতর জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তাঁর বেতন-ভাতা (এমপিও) সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে এবং স্থায়ীভাবে কেন তা বন্ধ করা হবে না, সেই মর্মে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর। মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের অর্থ শাখা থেকে গত ২৭ জুলাই, ২০২৬ তারিখে এই সংক্রান্ত পত্রটি জারি করা হয়। মাদ্রাসার জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা, ২০২৬-এর ১৭.২.১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জুলাই/২০২৬ মাসের এমপিও যাচাই-বাছাইকালে এই অনিয়ম ধরা পড়ে। অভিযোগ রয়েছে, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. রবিউল আলম নিয়োগ বোর্ড গঠনপূর্বক ভুয়া ফলাফল শিট তৈরি করেন এবং মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের প্রতিনিধির স্বাক্ষর জাল করে জালিয়াতির আশ্রয় নেন। এই জালিয়াতির মাধ্যমে সুরাইয়া আক্তার নামে একজনের নতুন এমপিওভুক্তির আবেদন অধিদপ্তরে পাঠানো হয়েছিল। পরবর্তীতে অধিদপ্তরের যাচাই-বাছাই কমিটি আবেদনটি পরীক্ষা করে মহাপরিচালকের প্রতিনিধির নাম ও স্বাক্ষর জালিয়াতির বিষয়টি নিশ্চিত হয় এবং আবেদনটি বাতিলের সুপারিশ করে। এ বিষয়ে গভর্নিং বডির সদস্য শাহান চৌধুরী অভিযোগ করে বলেন, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ রবিউল ইসলাম লিটন নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত আছেন। এদিকে, এই বিষয়ে বক্তব্য জানার জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার কাজী তাহমিমা শারমিনের সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। এই বিষয়ে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (অর্থ) ও এমপিও বাছাই ও অনুমোদন কমিটির সদস্য সচিব মোহাম্মাদ শুকুর আলম মজুমদার স্বাক্ষরিত পত্রে জানানো হয়েছে যে, আগামী ৩ (তিন) কার্যদিবসের মধ্যে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষকে জালিয়াতির বিষয়ে সন্তোষজনক লিখিত জবাব দাখিল করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জবাব পাওয়া না গেলে বা জবাব সন্তোষজনক না হলে বিধি অনুযায়ী পরবর্তী প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।