খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

সুদানে ব্যাপক দুর্ভিক্ষের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৪, ১:০৯ অপরাহ্ণ
সুদানে ব্যাপক দুর্ভিক্ষের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের

যুদ্ধ-বিধ্বস্ত সুদান একটি ‘বিস্তৃত দুর্ভিক্ষ সংকট’-এর দিকে ধাবিত হচ্ছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে খাদ্য নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের একটি স্বাধীন দল দুর্ভিক্ষ পর্যালোচনা কমিটি (এফআরসি)। দেশটিতে অনাহার ও তীব্র অপুষ্টি বৃদ্ধির পর্যালোচনা করে এই তথ্য জানায় জাতিসংঘ সমর্থিত এই সংস্থাটি। বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এই খবর জানিয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, সুদানের পাঁচটি অঞ্চলে ইতোমধ্যেই দুর্ভিক্ষ ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে ২ কোটি ৪৬ লাখ মানুষের জরুরি খাদ্য সহায়তার প্রয়োজন।

২০ মাসের গৃহযুদ্ধের কারণে দেশটিতে ব্যাপক খাদ্য সংকট দেখা দিয়েছে যা সুদানকে ধ্বংসের মুখে ফেলেছে। সেনাবাহিনী ও আধাসামরিক র‌্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (আরএসএফ) এর মধ্যকার এই সংঘর্ষ অবসানের লক্ষ্যে বিভিন্ন মধ্যস্থতা প্রচেষ্টা চালানো হলেও তা ব্যর্থ হয়েছে।

২০২১ সালে সেনাবাহিনী ও আরএসএফ যৌথভাবে একটি অভ্যুত্থান করেছিল। তবে ২০২৩ সালে তাদের কমান্ডারদের মধ্যকার ক্ষমতার লড়াই দেশটিকে গৃহযুদ্ধে নিমজ্জিত করেছে, যা সুদানকে বিশ্বের সবচেয়ে খারাপ মানবিক সংকটগুলোর একটির দিকে পরিচালিত করেছে।

এফআরসি সতর্ক করেছে, এই সংঘাতের অবসান না হলে সুদানে একটি ‘বৃহত্তর বিপর্যয়’ দেখা দিতে পারে।

দুর্ভিক্ষের অবস্থা চিহ্নিত করার জন্য জাতিসংঘের সংস্থা কমিটিটি ইন্টিগ্রেটেড ফুড ফেজ ক্লাসিফিকেশন (আইপিসি) সংশ্লিষ্ট একটি সংস্থা এফআরসি।

রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সোমবার দেশটির সামরিক সমর্থিত সরকার ‘সুদানের সার্বভৌমত্ব ও মর্যাদাকে ক্ষুণ্ন করে এমন অনির্ভরযোগ্য প্রতিবেদন’ জারি করার অভিযোগে এফআরসি এর সঙ্গে দেশের সহযোগিতা স্থগিত ঘোষণা করেছে।

আইপিসি প্রথম আগস্টে সুদানের দারফুর অঞ্চলের জমজম ক্যাম্পে একটি দুর্ভিক্ষ চিহ্নিত করে। সেখানে তখন প্রায় ৫ লাখ মানুষ আশ্রয় নিচ্ছিল।

এফআরসি’র সর্বশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়, দুর্ভিক্ষ এখন দারফুরের অবরুদ্ধ শহর এল-ফাশারের আবু শৌক ও আল-সালাম শিবিরের পাশাপাশি দক্ষিণ কর্দোফান রাজ্যের দুটি এলাকায় দেখা দিয়েছে।

এফআরসি’র প্রতিবেদলে আরও বলঅ হয়, ‘দুর্ভিক্ষ হলো মানুষের দুর্ভোগের সবচেয়ে চরম বহিঃপ্রকাশ যা বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা ও সংস্থানগুলোর একটি বিপর্যয়কর অবনিতির প্রতিনিধিত্ব করে।’

তবে সুদানের দুর্ভিক্ষকে ‘নিছক খাদ্যের অভাব নয় বরং স্বাস্থ্য, জীবিকা ও সামাজিক কাঠামোর গভীর ভাঙ্গন’ হিসেবে অভিহিত করেছে সংস্থাটি ‘যা সমগ্র সম্প্রদায়কে হতাশার মধ্যে ফেলেছে’।

মে মাসের মধ্যে দারফুরের আরও পাঁচটি অঞ্চল দুর্ভিক্ষের সম্মুখীন হতে পারে বলেও সতর্ক করেছে সংস্থাটি। এ ছাড়া, অন্যান্য আরও ১৭টি এলাকায় তা ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকিও ছিল জানানো হয়।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, গৃহযুদ্ধের কারণে দেশেটির উচ্চ সংঘর্ষপ্রবণ এলাকায় কৃষিকাজ কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। ফলে কৃষকদের ফসল লুটপাট এবং এর মজুদ ধ্বংস করার ঘটনাও ঘটেছে।

দারফুর ও দক্ষিণ কোর্দোফান উভয়ই সবচেয়ে বেশি সহিংসতার শিকার হয়েছে। সেখানে বন্দুকধারীদের হাতে বহু বেসামরিক নিহত, ধর্ষণ ও অপহৃত হয়েছে।

মে মাসে সুদানে মার্কিন বিশেষ দূত টম পেরিলো বলেছিলেন, কয়েকটি জরিপে দেখা গেছে, সুদানজুড়ে সংঘাতে আনুমানিক প্রায় দেড় লাখ মানুষ নিহত হয়েছে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।