খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

গাজীপুরে আইনজীবী রেজাউল করিম রাজুর বিরুদ্ধে প্রভাব বিস্তার ও সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রিটেইনার পদ থেকে অব্যাহতি পরও তদবিরের অভিযোগ, নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি

গাজীপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:২১ অপরাহ্ণ
গাজীপুরে আইনজীবী রেজাউল করিম রাজুর বিরুদ্ধে প্রভাব বিস্তার ও সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রিটেইনার পদ থেকে অব্যাহতি পরও তদবিরের অভিযোগ, নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি

গাজীপুর জেলার আইন অঙ্গনে দীর্ঘদিন ধরে প্রভাব বিস্তার, প্রশাসনিক সুবিধা গ্রহণ ও বিপুল সম্পদ অর্জনের অভিযোগে আলোচনায় রয়েছেন আইনজীবী রেজাউল করিম রাজু। অভিযোগ রয়েছে, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে গাজীপুর জেলার রিটেইনার হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক প্রভাব কাজে লাগিয়ে তিনি বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করেন। স্থানীয় সূত্র ও অভিযোগকারীদের দাবি, ২০১২ সাল থেকে গাজীপুর জেলায় রিটেইনার হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তৎকালীন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হকের ছত্রচ্ছায়ায় থেকে তিনি প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার করেন। বিভিন্ন সরকারি দপ্তর ও প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবহার করে বিশেষ সুবিধা নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
অভিযোগকারীদের আরও দাবি, রাজধানীর উত্তরা ৬ নম্বর সেক্টরে একাধিক ফ্ল্যাট, গাজীপুর এলাকায় মাছের খামারসহ বিভিন্ন সম্পদের মালিকানা অর্জন করেছেন রেজাউল করিম রাজু। এছাড়া ভালুকা এলাকায় সরকারি জমি একটি কোম্পানির নামে দখল ও ব্যবহারের প্রক্রিয়ায় সহযোগিতার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
গাজীপুরের গজারিয়া এলাকায় বন বিভাগের একটি পুকুর নিয়েও অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্রের দাবি, প্রায় ১৭ বিঘা আয়তনের ওই পুকুরটি আগে ভাওয়াল রাজ এস্টেটের নামে রেকর্ডভুক্ত ছিল। পরবর্তীতে এটি বন বিভাগের গেজেটভুক্ত হয়। অভিযোগ রয়েছে, বন বিভাগ পুকুরটি লিজ দেওয়ার পর গাজীপুর আদালতের রিটেইনার হিসেবে দায়িত্ব পালনরত রেজাউল করিম রাজু কৌশলে তা লিজ নেন। পরে পরিবারের সদস্যের নামে সাইনবোর্ড টাঙিয়ে সেখানে মৎস্য চাষ করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। এদিকে, ৫ আগস্টের পর রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে প্রায় ছয় মাস তিনি জনসম্মুখে অনুপস্থিত ছিলেন বলে স্থানীয়দের দাবি। বর্তমানে তাকে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে যোগাযোগ ও তদবির করতে দেখা যাচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন কয়েকজন স্থানীয় ব্যক্তি। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে যোগাযোগ করা হলে মোবাইল রিসিভ করেনি এদিকে, সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, গাজীপুর জেলার রিটেইনার হিসেবে দায়িত্ব পালনের পর ইতোমধ্যে রেজাউল করিম রাজুকে ওই দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, রেজাউল করিম রাজুর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা হোক ,একই সঙ্গে সরকারি সম্পদ, লিজ এবং তার নামে বা পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা সম্পদের বৈধ উৎস ও মালিকানা যাচাইয়ের দাবি উঠেছে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।