খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

সুখ ভিন্ন বৃক্ষের ফল

ড. আব্দুল ওয়াদুদ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ১১:৫১ অপরাহ্ণ
সুখ ভিন্ন বৃক্ষের ফল

সুখ কি? প্রকৃতপক্ষে সুখের সুনির্দিষ্ট কোন সংজ্ঞা নেই। সুখ একটি আপেক্ষিক বিষয়। কেউ অল্পতেই সুখী। কেউ অনেক কিছু পেয়েও সুখী নয় আদৌ। তার আরও বেশি চাই। সমাজতত্ত্ববিদ ও মনোবিজ্ঞানীরা সুখের সংজ্ঞা খুঁজতে গিয়ে হিমশিম খেয়েছেন। ধর্মবেত্তারা অবশ্য অল্পতেই সুখের ঠিকানা খুঁজে নিতে উপদেশ দিয়েছেন মানুষকে। আবার কবি হা-হুতাস করে বলেছেন “হেথা নয় অন্য কোথা, অন্য কোনখানে যাও সুখের সন্ধানে”। আসলে সুখ নিহিত রয়েছে মানুষের মধ্যেই- শরীরে ও মনে। কথায় বলে সুস্থ দেহে, সুস্থ মনের যোগফল সুখ। শরীর ভাল থাকলে মন ভাল থাকে। আবার বিপরীতে মন ভাল তো শরীর ভাল। সেখানে বাসা বাঁধতে পারে না কোন অসুখ-বিসুখ। উপলব্ধি হয় সুখানুভূতি। বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা জাতিসংঘ ২০১২ সালে ২০ মার্চকে আন্তর্জাতিক সুখী দিবস ঘোষণা করে। সেই থেকে প্রতি বছর দিবসটি পালন করছে বিশ্বের ১৯৩টি দেশ। আন্তর্জাতিক সুখী দিবসের ধারণা প্রথম দেন বিশ্বের অন্যতম ফিলানথ্রপিস্ট বা মানবহিতৈষী জাতিসংঘের বিশেষ উপদেষ্টা জায়মি ইলিয়েন, মহামতি মাদার তেরেসার হাত ধরে যার বিশ্ব দর্শন।

আমাদের জীবন ইচ্ছার কাছে বন্দি। আর যে জীবন ইচ্ছার যতটা অধীন সেই জীবন ততটাই দুঃখময়। যুক্তি বুদ্ধি নয়, ইচ্ছাই জীবনের চালিকাশক্তি। জীবনের অধিকাংশ, এমনকি, সব ঘটনাই ইচ্ছার দাস। শুধু মানবজীবনই নয়, জগতের সব কিছুর, এমনকি, জড়জগতের সবকিছুরও চালকশক্তিকে ‘ইচ্ছা’ বলে চিহ্নিত করা যায়। ইচ্ছা হচ্ছে সেই অন্ধশক্তি যা সবকিছুর মূল জীবনীশক্তি অথবা চালিকাশক্তি। মানুষের মধ্যে রয়েছে বেঁচে থাকার ইচ্ছা, অগ্রগতির ইচ্ছা এবং সর্বোপরি সুখী হওয়ার ইচ্ছা। এই ইচ্ছা একটি সহজাত প্রবৃত্তির মতো, অনেকটা আবশ্যিকভাবে আমাদের টেনে নিয়ে চলে জীবনের জটিলতার দিকে, সুখ চাওয়ার দিকে। এই সুখী জীবনের ইচ্ছাই আমাদের সবরকম শক্তি-সামর্থ্য ব্যয়ের মূল চালিকা শক্তি

মানুষের চেতনা আছে, আত্মসচেতনতা ও বুদ্ধি আছে, তাই জীবনের অনেক লোভ-লালসা-আনন্দ আমাদের হাতছানি দেয়। আমরা জীবনের মোহে পড়ি। আমরা উন্মাদের মতো ছুটে চলি, নিজের অবস্থার উন্নতি করার জন্য, ভালো বেতনের কাজ খুঁজি, ভালো সঙ্গী-সঙ্গিনী খুঁজি। আমরা পদ-পদবির লোভ করি, ক্ষমতা অর্জনের চেষ্টা করি। মানুষের ওপর প্রভাব খাটাতে চাই, এসবই আমরা করে থাকি আত্মসুখের অদম্য ইচ্ছার দ্বারা চালিত হওয়ার কারণে।

অনেক মনোবিজ্ঞানী বলেন, সুখ হল জেনেটিক বা বংশানুগতিসম্বন্ধীয়। আবার কিছু বিজ্ঞানী তাদের বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারের সূত্র ধরে বলেছেন, তারা মস্তিষ্কের এমন কিছু অংশ নির্ণয় করেছেন যেখান থেকে সুখ নিঃসৃত হয়। জেনেটিক বা বংশানুগতিসম্বন্ধীয় তত্ত্বের ভিত্তিতে সুখ অনেকাংশেই মানুষের নিয়ন্ত্রণাধীন একটি অনুভূতি। এটি অনেকটা মানুষের কোলেস্টেরল লেভেলের মতো, যা জেনেটিক্যালি প্রভাবান্বিত, আবার বেশির ভাগ ক্ষেত্রে মানুষের আচার-আচরণ বা লাইফস্টাইল এবং খাদ্যাভ্যাস দ্বারা নিয়ন্ত্রিত।

সুখকে মাঝে মাঝে এক ধরনের স্বার্থিক উদ্দেশ্য বলে মনে করা হয়। মানুষের কী আছে- তার ওপর সুখ নির্ভর করে না। মানুষ কী ভাবে বা কিভাবে ভাবে- তার ওপর সম্পূর্ণভাবে নির্ভর করে সুখ। যার যা আছে বা যে অবস্থায় আছে তার জন্য শোকরিয়া জানিয়ে যদি দিন শুরু করা হয়- তাতে সুখ আসবে। মানুষ আজ যা ভাবছে তার ওপর ভিত্তি করে তার ভবিষ্যতের সুখ গড়ে উঠবে। সুতরাং কাজ-কর্ম ও চিন্তাধারায় পজিটিভ অ্যাপ্রোচ নিয়ে শুরু করলে জীবনে সুফল আসবে। আত্মবিশ্বাসে বিশ্বাসী, মর্যাদাবান, হৃদয়বান, জ্ঞানী-গুণী, সৎ মানুষ সাধারণত সব সময় সুখী হয়। যারা শুধু নিতে চায়, দিতে জানে না বা চায় না, তারা সুখী হয় না।

প্রত্যেক অভিজ্ঞ মানুষই বলে থাকেন- সুখপ্রাপ্তির জন্য শর্টকাট কোনো রাস্তা নেই। পৃথিবীর সবচেয়ে সুখী মানুষরাও দিনের ২৪ ঘণ্টা সুখী হয় না বা থাকেন না। সুখী মানুষের জীবনেও হতাশা, দুঃখ-কষ্ট আসে। পার্থক্য হল সুখী মানুষরা হতাশা, দুঃখ-কষ্টকে সহজভাবে গ্রহণ করতে পারে। অন্যরা তা পারেন না। আমাদের শরীর শুধু রক্ত-মাংসে গড়া কোনো জড়বস্তু নয়। আমাদের আত্মা আছে যা শরীরের অবিচ্ছেদ্য অংশ। আবেগ-অনুভূতি আমাদের শরীরের ওপর প্রচণ্ড প্রভাব ফেলে থাকে। বস্তুজগতে কাম, ক্রোধ, লোভ-লালসা, মোহ, মাৎসর্য, ঈর্ষা ও প্রতিহিংসা আমাদের দুঃখ, কষ্ট, অশান্তি, অসুখ ও ধ্বংসের মূল কারণ। মানুষ তার সততা, সৎকর্ম ও অটল সৃষ্টিকর্তাপ্রীতি দ্বারা উল্লিখিত বদগুণ থেকে নিজেকে দূরে রেখে এই পার্থিব জীবনেই পরম স্বর্গসুখের স্বাদ লাভ করতে পারে।

‘অন্যের সঙ্গে ভাগাভাগি করতে পারাই প্রকৃত সুখ।’ মনের আনন্দ, সুখ অন্যের সাথে ভাগাভাগি না করতে পারলে সেটা কোনো আনন্দই নয়। অনেক মনোবিজ্ঞানী বলেন, সুখ হল জেনেটিক বা বংশানুগতিসম্বন্ধীয় একটি বিষয়। গবেষকরা শনাক্ত করেছেন যে ৫-এইচটিটি বা ‘হ্যাপি জিন’ হিসেবে চিহ্নিত একটি নির্দিষ্ট জিনের কারণে গর্ভধারণের সময় থেকেই সুখী হওয়া আমাদের ডিএনএ-তে নিহিত আছে। এর মানে আমাদের সবারই এই জিন আছে।

সুখ অনেকাংশেই মানুষের নিয়ন্ত্রণাধীন একটি অনুভূতি। এটি অনেকটা মানুষের কোলেস্টেরল লেভেলের মতো, যা জেনেটিক্যালি প্রভাবিত হলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মানুষের আচার-আচরণ বা লাইফস্টাইল এবং খাদ্যাভ্যাস দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।

সবাই সুখী হতে চায়। সুখের সংজ্ঞা ব্যক্তি বিশেষে ভিন্ন। পশ্চিমা দেশগুলোতে সুখ মানেই অর্থ সম্পদ, উচ্চ আয় এবং আর্থিক স্থিতিশীলতা। কিন্তু বিপুল অর্থ সম্পদের মধ্যেই কি জীবনের সব সুখ মেলে? সুখ অনুভূতির পুরোটাই কি অর্থ দিয়ে মূল্যায়ন করা সম্ভব? সন্তুষ্টি লাভের পথে অর্থই কি শেষ কথা? নাকি জীবনে অন্যকিছুরও প্রয়োজন রয়েছে? অর্থ সুখ কিনতে পারে না। হয়তো ক্ষণিকের সুখ দিতে পারে। কিন্তু সবকিছু অর্থ দিয়ে বিবেচনা করা ঠিক নয়। এ থেকে প্রতীয়মান হয়, সুখের জন্য অর্থ খুব জরুরি নয়।

গবেষকরা মনে করেন, অর্থ ব্যয় করে মানুষ যে অসংখ্য জিনিস কেনে, তা তাদের সুখ অনুভূতির ওপর একটা বড় প্রভাব ফেলে। গবেষকরা আরও মনে করেন, অর্থ দিয়ে কিছু কেনায় যে শান্তি আসে, তা মানসিক চাহিদা পূরণ করে। অর্থাৎ কোনো ব্যক্তি যদি অর্থ ব্যয় করে কোনো কিছু কেনার মাধ্যমে সুখ অনুভব করেন, তবে তাই তার সুখ। আবার ব্যক্তি বিশেষে বদলে যেতে পারে সুখের সংজ্ঞা। অনেকে মনে করেন, অর্থ সুখ কিনতে পারে না।

সম্প্রতি এক গবেষণায় বলা হয়, অর্থ সুখ কিনতে পারে। আর সেই সুখ তখনই কেনা যায়, যখন মানুষ তার ব্যক্তিত্বের সঙ্গে মিল রেখে তা খরচ করে।

পার্থিব জীবনে অর্থের প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য। অর্থাৎ জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রেই অর্থের প্রয়োজন রয়েছে। তবে জীবন চালাতে কতটা অর্থের দরকার, সেটি অবশ্য তর্ক সাপেক্ষ। অনেকে আছেন যারা অর্থ ছাড়া জীবনকে অর্থহীন মনে করেন। তারা অল্পতে তুষ্ট নন। তাদের জীবন দর্শন হলো দুনিয়াটা টাকার বশ। তাই কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা চাই। আবার অনেকে মনে করেন, মানব জীবনে অর্থের প্রয়োজন রয়েছে এটা যেমন ঠিক, তেমনি বেশি অর্থ হয়ে উঠে সকল অশান্তির উৎস।

আসলে সুখ একটি মানবিক মানসিক অনুভূতি। অর্থাৎ সুখ মনের একটি অবস্থা বা অনুভূতি, যা ভালোবাসা, তৃপ্তি, আনন্দ বা উচ্ছ্বাস দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। অর্থ সব সময় সুখ দিতে পারে না সত্যি, কিন্তু একজন লোক যখন অন্যদের চেয়ে বেশি উপার্জন করেন, তখন তিনি নিজেকে ঠিকই সুখী মনে করেন। একটি প্রবাদ রয়েছে, ‘অভাব যখন দরজায় এসে দাঁড়ায়, তখন সব ভালোবাসা জানালা দিয়ে পালায়। তাই সুখের জন্য কি পরিমাণ অর্থ প্রয়োজন, তা নির্ধারণেরও প্রয়োজন রয়েছে। বলা হয়, মোটামুটি ভালোভাবে চলার জন্য যা খরচ হয়, সেই ব্যয় মেটাতে পারলেই খুশি হয় মানুষ। অর্থের সঙ্গে সুখের সম্পর্ক যেমন জটিল, সঠিকভাবে সুখ পরিমাপ করাও তেমনি কঠিন।

সমাজে ধনী, গরিব, সুখী-অসুখী বিভিন্ন ধাচের মানুষ রয়েছে। তবে সুখী মানুষ খুঁজে পাওয়া সোনার পাথর বাটির মতো। সকলেই সুখী হতে পারে না। সুখী হতে হলে অঢেল সম্পদ আর প্রাচুর্য থাকতে হবে, এমন কোনো কথা নেই। নিজের যতটুকু আছে তার মধ্যে সন্তুষ্ট থেকে আনন্দ খুঁজে পেলে সুখী হওয়া কঠিন কিছু নয়। কিন্তু মানুষের তো চাহিদার শেষ নেই। সে যত পায় ততই চায়। আমরা যখনই ‘অধিক’ (more) এর পেছনে ছুটবো তখনই শারীরিক ও মানসিক চাপের কারণে আমাদের সুখ ও শান্তি ভূলুণ্ঠিত হবে, আর আমরা যখন ‘যথেষ্ট’ (enough) বলতে শিখব তখন চাপমুক্ত থেকে সুখ ও শান্তি অনুভব করতে পারব।

একজন মানুষের কত টাকা লাগে? কিংবা একটা পরিবারেরই বা কত টাকা লাগে? কত জমিজমা দরকার? খাই খাই স্বভাবেরও তো একটা সীমারেখা থাকা দরকার! ক্ষমতা আছে বলেই কি যা খুশি তাই করব?

প্রত্যেকের জীবন শেষ হয়, কিন্তু চাহিদার শেষ হয় না। আমরা প্রত্যেকেই যেন ছুটে চলেছি অনন্ত এক চাহিদাকে সঙ্গী করে। মহাকালের আয়ুতে জীবনের দৌরাত্ম্য বড্ড ছোট রেখায়! একজন মানুষ, একটা পরিবারের সদস্যরা কি পরিমাণ খেতে পারেন? যে সম্পদে অন্যের দীর্ঘশ্বাস লেগে থেকে, যে ক্ষমতায় অন্যকে প্রবঞ্চনার ইতিহাস লেপটে থাকে তা মানুষকে ভোগবাদী বানাতে পারে কিন্তু সুখী বানায় না! সুখ ভিন্ন বৃক্ষের ফল।

লেখক: ফিকামলি তত্ত্বের জনক, শিক্ষাবিদ ও মনোবিজ্ঞান গবেষক, ওয়াইল্ডলাইফ বিশেষজ্ঞ

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।