খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

একুশে বইমেলায় রাজু আহমেদের বই ‘সত্য সুন্দরের সন্ধানে’র মোড়ক উন্মোচন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ৭:৩০ অপরাহ্ণ
একুশে বইমেলায় রাজু আহমেদের বই ‘সত্য সুন্দরের সন্ধানে’র মোড়ক উন্মোচন

আজ সন্ধ্যায় অমর একুশে বইমেলার মোড়ক উন্মোচন মঞ্চে সুদূর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী লেখক ও গবেষক রাজু আহমেদ মোবারক রচিত মোটিভেশনাল বই ‘সত্য সুন্দরের সন্ধানে (ভলিউম ৪) এর মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের জাতীয় ঐক্যমত কমিশনের অন্যতম সদস্য ও সুজন সম্পাদক, দেশবরেণ্য বুদ্ধিজীবী জনাব বদিউল আলম মজুমদার। বিশেষ অতিথি ছিলেন অধ্যাপক আলেয়া চৌধুরী, চলচ্চিত্র পরিচালক ও নির্মাতা এস বি বিপ্লব, নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশন প্রধানের একান্ত সচিব লেখক ও অনুবাদক নেসার আমিন, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট স্বজয় চক্রবর্তী ও প্রখ্যাত কার্ডিয়াক সার্জন ডাক্তার সাবরিনা হুসেন মিষ্টি।

আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন আবৃত্তি শিল্পী মায়ারাজ, কবি ইকবাল হোসেন, কবি সুমাইয়া আক্তার তৃপ্তি, উদ্যোক্ত মোহাম্মদ লিটন ও সংবাদ কর্মী শেখ মোস্তাফিজ চিশতী । গ্রন্থটির সম্পাদনা ও অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দৈনিক আজকালের বাংলাদেশ পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক শেখ মোহাম্মদ বদরুল আলম শাহ্। প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিবৃন্দের বক্তব্যে সমকালীন সামাজিক বাস্তবতার প্রেক্ষাপটে বইটির প্রাসঙ্গিকতা ও গুরুত্ব বারবার উচ্চারিত হয়। বিশেষত প্রধান অতিথি প্রখ্যাত রাষ্ট্রচিন্তক জনাব বদিউল আলম মজুমদার বলেন, মানুষকে অমিত সম্ভাবনা ও অসাধারণ শক্তি দিয়ে সৃষ্টি করা হয়েছে, কিন্তু কখনো আত্মবিশ্বাসের অভাব ও পারিপার্শ্বিক নেতিবাচক পরিস্থিতির কারণে মানুষ আপন সত্তাকে বিকশিত করতে পারে না, এজন্যই মোটিভেশন ও মোটিভেশনাল বইয়ের গুরুত্ব অনস্বীকার্য ।

বিশেষ অতিথি ডাক্তার সাবরিনা হোসেন মিষ্টিও তার ব্যক্তি জীবনের অভিজ্ঞতার আলোকে নৈরাশ্য, মনস্তাত্ত্বিক সংকট ও পারিপার্শ্বিক প্রতিকূল পরিস্থিতির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে নবউদ্যমে অগ্রসর হওয়ার জন্য মোটিভেশনাল বই পাঠের গুরুত্ব উপস্থাপন করেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন কবি, চিন্তক ও গণমাধ্যম কর্মী শায়েখ শোয়েব। আত্মউন্নয়নমূলক এই বইটি পাওয়া যাচ্ছে একুশে বইমেলার অবনী প্রকাশনীর স্টলে।

অস্কারের ৯৯তম আসরে বাংলাদেশের রইদ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৩৯ অপরাহ্ণ
অস্কারের ৯৯তম আসরে বাংলাদেশের রইদ

ঢাকার ডাক বিনোদন ডেস্ক: অস্কারের ৯৯তম আসরে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবে মেজবাউর রহমান সুমন পরিচালিত সিনেমা ‘রইদ’। অস্কারের ‘ইন্টারন্যাশনাল ফিচার ফিল্ম বিভাগে প্রতিযোগিতার জন্য সিনেমাটিকে বাংলাদেশ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনীত করা হয়েছে।

রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। অস্কার বাংলাদেশ কমিটির চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ ফেডারেশন অব ফিল্ম সোসাইটিজের (বিএফএফএস) সভাপতি ড. মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম বাংলাদেশের নির্বাচিত সিনেমা হিসেবে ‘রইদ’-এর নাম ঘোষণা করেন।

অস্কার বাংলাদেশ কমিটি জানিয়েছে, ৯৯তম অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ডসে অংশগ্রহণের জন্য নির্ধারিত সময়সীমা ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর মধ্যে মোট পাঁচটি চলচ্চিত্র জমা পড়ে। এগুলো হলো—রেদওয়ান রনির ‘দম’, মেজবাউর রহমান সুমনের ‘রইদ’, নূরুল আলম আতিকের ‘মানুষের বাগান’, মোহাম্মদ তৌকির ইসলামের ‘দেলুপি’ এবং মনিরুল আকাশ হকের ‘দ্য ইউনিভার্সিটি অব চাঁনখারপুল’।

তবে পরবর্তী সময়ে ‘মানুষের বাগান’ স্বেচ্ছায় প্রতিযোগিতা থেকে সরে দাঁড়ায়। ফলে বাকি চারটি চলচ্চিত্র নিয়ে পর্যালোচনা করে অস্কার বাংলাদেশ কমিটি। চলচ্চিত্রগুলোর বিভিন্ন দিক বিশ্লেষণের পর সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বের জন্য ‘রইদ’ সিনেমাকে চূড়ান্ত করা হয়।

ড. মোহাম্মদ জহিরুল ইসলামের নেতৃত্বে ছয় সদস্যের অস্কার বাংলাদেশ কমিটিতে ছিলেন সাজ্জাদ শরিফ, শাহীন দিল-রিয়াজ, রাশেদ জামান, সাইয়্যিদ শাহজাদা আল কারীম ও শাহরীন আক্তার সুমি।

রইদ’ নির্মাতা মেজবাউর রহমান সুমনের দ্বিতীয় পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র। এর আগে তার নির্মিত প্রথম সিনেমা ‘হাওয়া’ দেশ-বিদেশে আলোচিত হয়। এবার ‘রইদ’-এর মাধ্যমে অস্কারের আন্তর্জাতিক ফিচার ফিল্ম বিভাগে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করতে যাচ্ছেন এই নির্মাতা।

বাংলাদেশ থেকে অস্কারে সিনেমা পাঠানোর প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে ‘রইদ’। পরবর্তী ধাপে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে জমা পড়া চলচ্চিত্রগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতা করবে সিনেমাটি।অ্যাকাডেমি অব মোশন পিকচার আর্টস অ্যান্ড সায়েন্সেসের আয়োজনে ২০২৭ সালের ১৪ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে ৯৯তম অস্কারের অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠান। যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসের ক্যালিফোর্নিয়ার ডলবি থিয়েটারে ২৪টি শাখায় দেওয়া হবে এই পুরস্কার।