খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

রমজানেও নেই বাংলাদেশি পর্যটক, হতাশ পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ মার্চ, ২০২৫, ৪:০৮ অপরাহ্ণ
রমজানেও নেই বাংলাদেশি পর্যটক, হতাশ পেট্রাপোলের ব্যবসায়ীরা

চলছে পবিত্র মাহে রমজান, আর সামনে আছে ঈদ। প্রতিবছর এই সময় ভারত-বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সীমান্তের পেট্রাপোল স্থলবন্দর দিয়ে হাজার হাজার বাংলাদেশি পর্যটক পশ্চিমবঙ্গে আসেন। কিন্তু সাম্প্রতিক টানাপোড়েনের জেরে এবার বাংলাদেশি পর্যটকের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। এর প্রভাব পড়েছে পশ্চিমবঙ্গের ব্যবসায়। বাংলাদেশি পর্যটকের অভাবে কলকাতার নিউমার্কেটের ব্যবসায় ধস নামার পর এবার পেট্রাপোল সীমান্তকেন্দ্রিক অঞ্চলের ব্যবসায়ও মন্দাভাব দেখা দিয়েছে। পেট্রাপোল স্থলবন্দর অঞ্চলে ফলের ব্যবসা থেকে শুরু করে যানবাহন, হোটেল, মুদ্রা বিনিময় কেন্দ্রগুলো বাংলাদেশি পর্যটকের অভাবে ধুঁকছে।

বাংলাদেশি পর্যটকের সংখ্যা কমেছে : অভিবাসন দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে দৈনিক গড়ে ৫০০ থেকে এক হাজার মানুষ পেট্রাপোল-বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে পাসপোর্ট-ভিসা নিয়ে যাতায়াত করছেন। অথচ আগের বছর পর্যন্ত এই সংখ্যা ছিল দৈনিক সাত থেকে আট হাজার। পেট্রাপোল স্থলবন্দরের অর্থনীতির বড় অংশই বাংলাদেশি পর্যটকদের ওপর নির্ভরশীল। রমজান মাসে সাধারণত ব্যবসায়ীদের আয় বাড়ে। কারণ বাংলাদেশি পর্যটকরা এখান থেকে ফল কিনে ইফতার সারেন। কিন্তু এবার ক্রেতার ভিড় নেই। ফলের দোকানের পাশাপাশি মুদ্রা বিনিময় কেন্দ্রগুলোতেও বাংলাদেশি পর্যটকের দেখা মিলছে না। খাবারের হোটেল থেকে শুরু করে থাকার হোটেলগুলো ফাঁকা। সিএনজিচালিত অটোরিকশাগুলো যাত্রীশূন্য দাঁড়িয়ে থাকছে।

ব্যবসায়ীদের হতাশা : ফল ব্যবসায়ী সমিরন মণ্ডল  জানান, প্রতিবছর রমজানে আমাদের এখানে ফলের চাহিদা অনেক বেশি থাকে। কারণ বাংলাদেশি পর্যটকরা এখান থেকেই ফল কিনে ইফতার করেন। এবার বাংলাদেশি পর্যটক না থাকায় আমাদের ব্যবসায় বড় ধরনের ক্ষতি হচ্ছে। আশা করছি, সমস্যা দ্রুত মিটে যাবে। মুদ্রা বিনিময় ব্যবসায়ী হায়দার আলী বলেন, প্রতিবছর রমজান মাসে পেট্রাপোল সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশি পর্যটকের সংখ্যা বেশি থাকে। কিন্তু এবার সংখ্যাটা খুবই কম। যদি দ্রুত এই সমস্যার সমাধান না হয়, তাহলে আমাদের ব্যবসা বন্ধ করে দিতে হবে। সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক মঙ্গল বিশ্বাস জানান, বাংলাদেশি পর্যটক প্রায় নেই বললেই চলে। স্থানীয় যাত্রী নিয়েই আমাদের চলতে হচ্ছে। জানি না এইভাবে আর কতদিন চলবে। পেট্রাপোল বন্দরকেন্দ্রিক অর্থনীতির ওপর কয়েক লাখ মানুষ নির্ভরশীল। তারা চান, ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে সম্পর্ক দ্রুত স্বাভাবিক হোক, যাতে ব্যবসার অবস্থাও আগের মতো ফিরে আসে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।