খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

পাকিস্তানে হামলার শিকার ট্রেনে চলছে অভিযান, উদ্ধার ১৭৫ জন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১২ মার্চ, ২০২৫, ৪:২৯ অপরাহ্ণ
পাকিস্তানে হামলার শিকার ট্রেনে চলছে অভিযান, উদ্ধার ১৭৫ জন

পাকিস্তানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে সন্ত্রাসী হামলার শিকার ট্রেনে অভিযান চালিয়েছে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী। বুধবার (১২ মার্চ) এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কর্তৃপক্ষের অভিযানে অন্তত ১৫৫ জন যাত্রীকে উদ্ধার ও ২৭ সন্ত্রাসীকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম। পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম দ্য ডন এ খবর জানিয়েছে। নিরাপত্তা বাহিনী জানিয়েছে, সন্ত্রাসীরা যাত্রীদের জিম্মি করে রাখায় অতি সতর্কতার সঙ্গে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। উদ্ধারকৃতদের মধ্যে ৩৭ জনকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। তবে তারা কীভাবে আহত হয়েছে, তা নিশ্চিত করা যায়নি।

রেডিও পাকিস্তানের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, ট্রেনের ভিন্ন তিন স্থানে নারী ও শিশুদের জিম্মি করে রেখেছে আত্মঘাতী বোমা হামলাকারীরা। মঙ্গলবার কোয়েটা থেকে ১৫৭ কিলোমিটার দূরবর্তী মাশাকাফ টানেলের কাছে অতর্কিত হামলা চালিয়ে জাফার এক্সপ্রেস ট্রেনের দখল নেয় সন্ত্রাসীরা। এ ঘটনায় নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যসহ চার শতাধিক যাত্রী জিম্মি হয়ে পড়েন। এই ঘটনার পর যত দ্রুত সম্ভব উদ্ধার কাজে নেমে পড়ে কর্তৃপক্ষ। ট্রেনটি এক প্রত্যন্ত অঞ্চলে হামলার শিকার হলেও ধাদার এলাকার বোলান পাসে ব্যাপক উদ্ধার অভিযান শুরু করে কর্তৃপক্ষ।

এখন পর্যন্ত মোট হতাহতের সংখ্যা নিশ্চিত করা হয়নি। তবে কর্মকর্তারা বলেছেন, ট্রেনচালক ও আট নিরাপত্তা সদস্য গোলাগুলিতে প্রাণ হারিয়েছেন। পাকিস্তানে এর আগে কোনও সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর পুরো ট্রেন জিম্মি করার নজির নেই। ফলে, এই ঘটনায় সবাই হতবাক হয়ে পড়ে। এদিকে, সন্ত্রাসী হামলার দায় স্বীকার করে বিবৃতি দিয়েছে বালুচ লিবারেশন আর্মি বা বিএলএ। অনেক মানুষকে জিম্মি করার দাবি করে ওই বিবৃতি দেয় তারা। অবশ্য পরবর্তী এক বিবৃতিতে তারা দাবি করে, নারী-শিশুসহ অনেক জিম্মিকে তারা মুক্তি দিয়েছে। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তাদের কোনও দাবির সত্যতা যাচাই করতে পারেনি ডন।

উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তানে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা বেড়ে গেছে। পাকিস্তানি থিংক ট্যাংক ইনস্টিটিউট ফর কনফ্লিক্ট অ্যান্ড সিকিউরিটি স্টাডিজের (পিআইসিএসএস) তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারিতে দেশটিতে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা আগের মাসের তুলনায় ৪২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।