খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

শিশুদের মানসিক ও সামাজিক উন্নয়নে সমাজ ও পরিবেশের অবদান

নাইমুল রাজ্জাক, লেখক ও গবেষক
প্রকাশিত: সোমবার, ১২ মে, ২০২৫, ৮:৩৬ অপরাহ্ণ
শিশুদের মানসিক ও সামাজিক উন্নয়নে সমাজ ও পরিবেশের অবদান

শিশুদের মানসিক বিকাশ ও সামাজিকীকরণ প্রক্রিয়া মূলত পরিবার, সমাজ ও পরিবেশের সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে গড়ে ওঠে। শিশুর মানসিক বিকাশ বলতে তার অনুভূতি, আবেগ, বুদ্ধি, চিন্তাভাবনা ও আচরণগত পরিবর্তনের ধারাবাহিক উন্নয়নকে বোঝানো হয়। অন্যদিকে সামাজিকীকরণ হলো সেই প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে শিশু সমাজের নিয়মনীতি, মূল্যবোধ ও আচরণ রপ্ত করে সমাজের একজন সক্রিয় সদস্যে পরিণত হয়।

শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষালয় হলো পরিবার। পরিবারের স্নেহ, ভালোবাসা ও পরিচর্যা শিশুর মানসিক বিকাশের মজবুত ভিত্তি তৈরি করে। একটি নিরাপদ, ভালোবাসাময় ও উদ্দীপক পরিবেশ শিশুর আত্মবিশ্বাস ও আত্মমর্যাদা গড়ে তোলে। শিশুরা পরিবার থেকে নৈতিক শিক্ষা, ভাষা দক্ষতা, আবেগ নিয়ন্ত্রণ এবং সামাজিক আচরণ শিখে থাকে।একই সঙ্গে, সুস্থ ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ শিশুর শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সুরক্ষিত ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশ শিশুদের মনোযোগী হতে এবং সঠিকভাবে শিখতে সহায়তা করে। পরিবেশের মধ্যে থাকা বিভিন্ন উপাদান যেমন—প্রকৃতি, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড, খেলাধুলা ইত্যাদি শিশুর মানসিক প্রসার ও সৃজনশীলতা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।

অপর দিকে সমাজ শিশুর সামাজিকীকরণ প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সমাজের সঙ্গে সম্পৃক্ততা শিশুকে পারস্পরিক সম্পর্ক, সহনশীলতা, সহযোগিতা ও নেতৃত্বের গুণাবলি অর্জনে সহায়তা করে। স্কুল, বন্ধু-বান্ধব, প্রতিবেশীসহ সমাজের বিভিন্ন স্তর থেকে শিশু সমাজের নিয়মকানুন ও শিষ্টাচার রপ্ত করে। এই সামাজিক সম্পর্কগুলো শিশুর মধ্যে সামাজিক দক্ষতা, আত্মসংযম এবং সহানুভূতি গড়ে তোলে।

শিশুদের মানসিক বিকাশ ও সামাজিকীকরণ একটি ধারাবাহিক ও সমন্বিত প্রক্রিয়া, যেখানে পরিবার, সমাজ এবং পরিবেশের সম্মিলিত ভূমিকা অপরিহার্য। একটি সুস্থ ও উদার সমাজ ও পরিবেশ শিশুর জন্য উপযুক্ত বিকাশের ক্ষেত্র তৈরি করে, যা তাকে আত্মনির্ভরশীল ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সহায়তা করে।

ফিচার রাইটার-
নাইমুল রাজ্জাক
লেখক ও গবেষক

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।