খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

ঘুরতে গিয়ে জাবি শিক্ষার্থী সাগরের আর ফেরা হলো না

সাহামিনা আক্তার দিতি, জাবি প্রতিনিধি
প্রকাশিত: রবিবার, ২২ জুন, ২০২৫, ২:১৭ অপরাহ্ণ
ঘুরতে গিয়ে জাবি শিক্ষার্থী সাগরের আর ফেরা হলো না

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষার্থী সাহগর আহমেদ। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার পাশাপাশি চাকুরি করতেন গাজীপুরে একটি তৈরি পোশাক সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে। ছুটিতে ঘুরতে গিয়েছিলেন রাজশাহীতে। সেখান থেকে নাটোরে গিয়ে আম কিনে ঢাকায় ফেরার কথা ছিল তার। তবে আম কিনে ফেরার পথে সড়ক দূর্ঘটনায় মৃত্যু হয় এই মেধাবী শিক্ষার্থী সাগর আহমেদের।

শুক্রবার (২০ জুন) বিকেল সাড়ে চারটায় নাটোরের সদর উপজেলার বনবেলঘরিয়া এলাকায় বাস-সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই মারা যান তিনি। নিহত সাগর আহমেদ রাজ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের ৪৬তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন। থাকতেন ঢাকার দিয়াবাড়ি তে। স্নাতক পাসের পর তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব রিমোট সেনসিং এন্ড জিআইএস এ স্নাতকোত্তরে অধ্যয়নরত ছিলেন।

দূর্ঘটনায় মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে নাটোরের ঝলমলিয়া হাইওয়ে থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আব্দুল কালাম গণমাধ্যমদের বলেন, “গতকাল বিকেল সাড়ে চারটার দিকে সিরাজগঞ্জ থেকে রাজশাহীগামী বাসের সাথে সাগরদের সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ড্রাইভার এবং সাগরসহ তার দুই কলিগ ঘটানস্থলেই মারা যান। পরবতীর্তে তাদের পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয় এবং থানায় একটি মামলা রুজু করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের ৪৬তম ব্যাচের সাগরের একজন বন্ধু জানান, এ ঘটনায় আমরা খুব শোকাহত। তাদের পরিবারে তারা দুই-ভাই বোন ছিলেন। বড় বোন বিবাহিত হওয়ায় এখন তাদের পরিবার দেখভালের মতো আর কেউ রইলো না। এটি তার পরিবার ও আমাদের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক জামাল উদ্দিন রুনু সাংবাদিকদের বলেন, “আমাদের শিক্ষার্থীর এমন অনাকাক্ষিত মৃত্যুতে আমরা শোকাহত। তার পরিবারের প্রতি আমরা সহমর্মিতা জানাচ্ছি। তার মৃত্যুতে কেউ দায়ী থাকলে তদন্ত সাপেক্ষে শাস্তির দাবি করছি।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।