খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

মাঠে নেমেই ইতিহাস! ১৮ সেকেন্ডে গোল

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬, ৫:০৪ অপরাহ্ণ
মাঠে নেমেই ইতিহাস! ১৮ সেকেন্ডে গোল

মন্টেরেই, ১৫ জুন: মাঠে নামার পর ঘড়ির কাঁটায় পেরিয়েছে মাত্র ১৮ সেকেন্ড। বল পায়ে প্রথম স্পর্শেই গোল। আর তাতেই বিশ্বকাপের মঞ্চে নতুন ইতিহাসের জন্ম দিলেন সুইডেনের মিডফিল্ডার মাটিয়াস সভানবার্গ।

২০২৬ উত্তর আমেরিকা বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে তিউনিসিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে বদলি খেলোয়াড় হিসেবে নেমে মাত্র ১৮ সেকেন্ডে গোল করে বিশ্বকাপ ইতিহাসের দ্বিতীয় দ্রুততম বদলি গোলদাতার রেকর্ড গড়েছেন তিনি। তার এই অবিশ্বাস্য কীর্তির রাতে তিউনিসিয়াকে ৫-১ গোলের বড় ব্যবধানে হারিয়ে আসরের দারুণ সূচনা করেছে সুইডেন।

মেক্সিকোর মন্টেরেই স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ‘এফ’ গ্রুপের ম্যাচে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে সুইডেন। ম্যাচের প্রথমার্ধে ইয়াসিন আয়ারির দুর্দান্ত গোলে এগিয়ে যায় স্ক্যান্ডিনেভিয়ানরা। এরপর ব্যবধান দ্বিগুণ করেন দলের অন্যতম ভরসার নাম আলেকজান্ডার ইসাক।

প্রথমার্ধের শেষ দিকে একটি গোল শোধ করে তিউনিসিয়া ম্যাচে ফেরার আভাস দিলেও বিরতির পর সেই সম্ভাবনা উড়িয়ে দেন ভিক্টর গিওকেরেস। তার গোলে ৩-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় সুইডেন।

তবে ম্যাচের সবচেয়ে স্মরণীয় মুহূর্তটি আসে দ্বিতীয়ার্ধে। কোচ গ্রাহাম পটার কৌশলগত পরিবর্তন এনে মাঠে নামান মাটিয়াস সভানবার্গকে। বদলি হিসেবে মাঠে নামার পর সময় নেন মাত্র ১৮ সেকেন্ড। আলেকজান্ডার ইসাকের নিখুঁত পাস থেকে বল পেয়ে দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে জালে বল জড়িয়ে দেন তিনি।

এই গোলের মাধ্যমে বিশ্বকাপ ইতিহাসে বদলি খেলোয়াড় হিসেবে দ্বিতীয় দ্রুততম গোলদাতার তালিকায় নাম লেখান সভানবার্গ। এ তালিকায় এখনো শীর্ষে রয়েছেন উরুগুয়ের রিচার্ড মোরালেস, যিনি ২০০২ বিশ্বকাপে বদলি হিসেবে নেমে মাত্র ১৬ সেকেন্ডে গোল করেছিলেন। অন্যদিকে ১৯৯৮ বিশ্বকাপে ২১ সেকেন্ডে গোল করা ডেনমার্কের ইবি স্যান্ডকে পেছনে ফেলেছেন সুইডিশ এই মিডফিল্ডার।

সভানবার্গের রেকর্ড গড়া গোলের পর আরও একটি গোল যোগ করে বড় জয় নিশ্চিত করে সুইডেন। ফলে ৫-১ গোলের দাপুটে জয় নিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করল গ্রাহাম পটারের দল।

দুর্দান্ত আক্রমণভাগ, কার্যকর বদলি এবং রেকর্ড গড়া এক মুহূর্ত—সব মিলিয়ে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই নিজেদের শক্তির বার্তা দিয়ে রাখল সুইডেন।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।