খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

চেহলাম উপলক্ষে খান্দুরায় ধর্মীয় সমাবেশ, অংশ নিলেন হাজারো মুরিদ

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬, ৬:১৮ অপরাহ্ণ
চেহলাম উপলক্ষে খান্দুরায় ধর্মীয় সমাবেশ, অংশ নিলেন হাজারো মুরিদ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার চাপরতলা ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী খান্দুরা উত্তর হাবেলীতে মজ্জুব পীর তরিকত মরহুম আলহাজ্ব সৈয়দ রফিকুল হুসাইন (রফিক মিয়া)-এর চেহলাম উপলক্ষে আলোচনা সভা, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (১৫ জুন) ভোর থেকে দিনব্যাপী ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে দেশ-বিদেশ থেকে আগত ভক্ত-মুরিদান, আলেম-ওলামা, শিক্ষাবিদ, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এবং স্থানীয় নারী-পুরুষ অংশ নেন।

মরহুমের বড় ছেলে পীরে তরিকত আলহাজ্ব সৈয়দ মজিবুল হুসাইন লিটন, ছোট ছেলে পীরে তরিকত আলহাজ্ব সৈয়দ আশরাফুল হুসাইন জনি এবং জামাতা, চুনারুঘাটের ঐতিহাসিক মুড়ারবন্দ ১২০ আউলিয়া দরবার শরীফের মোতাওয়াল্লী পীরজাদা আলহাজ্ব সৈয়দ সফিক আহমেদ চিশতী সফির তত্ত্বাবধানে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে কোরআন খতম, খতমে সহিহ বুখারি শরিফ পাঠ, জিয়ারত এবং মরহুমের কর্মময় জীবন ও ধর্মীয় অবদান নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। পরে তার আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, অনুষ্ঠানে প্রায় ১৫ হাজার মানুষের জন্য তবারকের ব্যবস্থা করা হয়। এতে হবিগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়াসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আগত ভক্ত-মুরিদান অংশ নেন।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, মরহুম সৈয়দ রফিকুল হুসাইন একজন ধর্মপ্রাণ, মানবকল্যাণে নিবেদিতপ্রাণ এবং আধ্যাত্মিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন। তিনি দীর্ঘদিন শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত থাকার পাশাপাশি পারিবারিক আধ্যাত্মিক ধারার নেতৃত্ব দিয়ে অসংখ্য মানুষের আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, তিনি শিক্ষকতা জীবন শেষে নিজ এলাকায় অবস্থান করে ধর্মীয় ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে নিজেকে সম্পৃক্ত রাখেন। দেশ-বিদেশে তার অসংখ্য ভক্ত ও অনুসারী রয়েছে। মৃত্যুর আগে তিনি তার আধ্যাত্মিক দায়িত্ব পুত্রদের ওপর অর্পণ করে যান।

উল্লেখ্য, আলহাজ্ব সৈয়দ রফিকুল হুসাইন গত ৯ মে রাতে নিজ বাড়িতে বার্ধক্যজনিত কারণে ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল প্রায় ৯২ বছর। তিনি সন্তান-সন্ততি, আত্মীয়-স্বজন, অসংখ্য ভক্ত-মুরিদান ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

চেহলাম উপলক্ষে আয়োজিত এ দোয়া মাহফিল শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয়।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।