খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

স্ত্রীকে হত্যা করে আত্মহত্যা সাজানোর চেষ্টা, পুলিশের জালে স্বামী

নড়াইল প্রতিনিধি
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬, ৬:৪৩ অপরাহ্ণ
স্ত্রীকে হত্যা করে আত্মহত্যা সাজানোর চেষ্টা, পুলিশের জালে স্বামী

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলায় টিকটক ব্যবহারকে কেন্দ্র করে দাম্পত্য কলহের জেরে সুমনা ফেরদৌসী (৩৮) নামে এক গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামী লিমন মল্লিকের (২৭) বিরুদ্ধে। ঘটনার পর হত্যাকাণ্ডকে আত্মহত্যা হিসেবে প্রচারের চেষ্টা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় অভিযুক্ত স্বামীকে আটক করা হয়েছে।

সোমবার (১৫ জুন) উপজেলার চর দিঘলিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। একই রাতে পুলিশ লিমন মল্লিককে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে।

নিহত সুমনা ফেরদৌসী লোহাগড়া উপজেলার চর দিঘলিয়া গ্রামের বাসিন্দা লিমন মল্লিকের দ্বিতীয় স্ত্রী। তার বাবার বাড়ি নারায়ণগঞ্জে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঢাকার একটি পোশাক কারখানায় চাকরির সময় লিমন ও সুমনার পরিচয় হয়। পরবর্তীতে ২০২১ সালে তারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। বিয়ের পর সুমনাকে নিয়ে নিজ গ্রামে বসবাস শুরু করেন লিমন।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টিকটকে ভিডিও প্রকাশ এবং অনলাইনে বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগের বিষয় নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। সোমবার সকালে এ বিষয়কে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে তর্ক-বিতর্কের একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

অভিযোগ রয়েছে, বাকবিতণ্ডার সময় লিমন মল্লিক স্ত্রীকে মারধর করেন। পরে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। ঘটনাটি আত্মহত্যা হিসেবে দেখাতে মরদেহ ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিল বলে পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে।

পুলিশ জানায়, ঘটনার পর অভিযুক্ত স্বাভাবিকভাবে কর্মস্থলে চলে যান। পরে বিকেলে বাড়িতে ফিরে চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু করলে স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

সুরতহাল প্রতিবেদনে বেশ কিছু অসঙ্গতি পাওয়া গেলে পুলিশ ঘটনাটিকে সন্দেহজনক হিসেবে বিবেচনা করে। পরে লিমন মল্লিককে থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

লোহাগড়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) অজিত কুমার রায় বলেন, “প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তি স্ত্রীকে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন বলে আমরা জানতে পেরেছি। ঘটনাটিকে আত্মহত্যা হিসেবে দেখানোর জন্য মরদেহ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। নিহতের পরিবারের সদস্যদের খবর দেওয়া হয়েছে এবং আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।”

পুলিশ জানিয়েছে, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। তদন্ত শেষে ঘটনার প্রকৃত কারণ ও বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে।

এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।