খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

হিজরি নববর্ষে মুসলিম উম্মাহর প্রত্যাশা: শান্তি, সম্প্রীতি ও কল্যাণময় সমাজ গঠন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬, ৮:৫৩ অপরাহ্ণ
হিজরি নববর্ষে মুসলিম উম্মাহর প্রত্যাশা: শান্তি, সম্প্রীতি ও কল্যাণময় সমাজ গঠন

নতুন আশা, আত্মশুদ্ধি ও মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের প্রত্যয়ে শুরু হয়েছে নতুন ইসলামী বর্ষ ১৪৪৮ হিজরি। বিশ্বের কোটি কোটি মুসলমান নতুন বছরকে স্বাগত জানিয়েছেন দোয়া, ইবাদত এবং কল্যাণমুখী জীবনের অঙ্গীকারের মাধ্যমে।

ইসলামী বর্ষপঞ্জির প্রথম মাস মহররম-এর আগমনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় নতুন হিজরি বছর। ইসলামের ইতিহাসে হিজরি সনের গুরুত্ব অপরিসীম। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর মক্কা থেকে মদিনায় হিজরতের ঐতিহাসিক ঘটনাকে স্মরণীয় করে রাখতে ইসলামী ক্যালেন্ডারের প্রচলন করা হয়। মুসলিম উম্মাহর কাছে এই দিনটি শুধু নতুন বছরের সূচনাই নয়, বরং আত্মসমালোচনা, নৈতিক উন্নয়ন এবং ইসলামী আদর্শে জীবন পরিচালনার নতুন অঙ্গীকারেরও উপলক্ষ।

ধর্মীয় ব্যক্তিত্বরা বলছেন, হিজরি নববর্ষ মানুষের জীবনে পরিবর্তনের বার্তা নিয়ে আসে। বিগত বছরের ভুল-ত্রুটি পর্যালোচনা করে নতুন বছরে আল্লাহর নির্দেশনা অনুযায়ী জীবন পরিচালনা, মানবসেবায় আত্মনিয়োগ এবং সমাজে ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা চালানোর শিক্ষা দেয় ইসলাম।

নতুন বর্ষ উপলক্ষে বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক সংগঠন মুসলিম উম্মাহকে শুভেচ্ছা জানিয়েছে। তারা শান্তি, সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ববোধ ও মানবিক মূল্যবোধ চর্চার ওপর গুরুত্বারোপ করেছে। একই সঙ্গে সমাজ থেকে হিংসা, বিভেদ ও অন্যায় দূর করে কল্যাণমুখী সমাজ গঠনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও নতুন হিজরি বর্ষকে স্বাগত জানিয়ে বিভিন্ন শুভেচ্ছাবার্তা ছড়িয়ে পড়েছে। অনেকেই নতুন বছরের প্রতিটি পদক্ষেপকে আল্লাহর সন্তুষ্টির পথে পরিচালিত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।

নতুন ইসলামী বর্ষ ১৪৪৮ হিজরির শুরুতে দেশ-বিদেশের মুসলমানরা মহান আল্লাহর কাছে রহমত, বরকত, ক্ষমা ও হেদায়েত কামনা করছেন। তাদের প্রত্যাশা, নতুন বছর ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজজীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন বয়ে আনবে এবং বিশ্বজুড়ে শান্তি ও মানবকল্যাণ প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখবে।

ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের বিশ্বাস, হিজরি নববর্ষের প্রকৃত তাৎপর্য উপলব্ধি করে ইসলামের শিক্ষা ও আদর্শ অনুসরণ করা গেলে ব্যক্তি ও সমাজ উভয় ক্ষেত্রেই কল্যাণ ও সমৃদ্ধির পথ সুগম হবে। তাই নতুন বছরের প্রতিটি দিন হোক ন্যায়, সততা, সংযম ও আল্লাহভীতির আলোকে পরিচালিত—এমন প্রত্যাশাই মুসলিম উম্মাহর।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।