খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

অব্যাহতির পর একই পদে ফের যোগদান, বিএমডিএ সহকারী প্রকৌশলীকে ঘিরে নীতিমালা লঙ্ঘনের অভিযোগ

রাজশাহী প্রতিনিধি
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬, ১০:০২ অপরাহ্ণ
অব্যাহতির পর একই পদে ফের যোগদান, বিএমডিএ সহকারী প্রকৌশলীকে ঘিরে নীতিমালা লঙ্ঘনের অভিযোগ

রাজশাহীর বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ)-তে এক সহকারী প্রকৌশলীর চাকরি থেকে স্বেচ্ছায় অব্যাহতি নেওয়ার পর একই পদে পুনরায় যোগদানকে কেন্দ্র করে প্রশাসনিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে সংস্থাটির অভ্যন্তরে নীতিমালা লঙ্ঘনের অভিযোগও উঠেছে।

অভিযোগে জানা যায়, বিএমডিএর সহকারী প্রকৌশলী এএসএম দেলোয়ার হোসেন ২০১০ সালে তানোরে কর্মরত অবস্থায় স্বেচ্ছায় চাকরি থেকে অব্যাহতি চান। সে সময় তিনি কর্তৃপক্ষের নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী তিন মাসের মূল বেতনের সমপরিমাণ অর্থ জমা দিয়ে অব্যাহতি গ্রহণ করেন বলে নথিপত্রে উল্লেখ রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট স্মারক অনুযায়ী, ২০১০ সালের ১১ মে জারি করা এক অফিস আদেশে তার অব্যাহতির আবেদন গ্রহণ করা হয় এবং তাকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। পরে একই বছরের ২৯ জুলাই আরেক আদেশে তাকে পঞ্চগড় রিজিয়নের বোদা জোনে সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হয়।

বিএমডিএর চাকরি বিধিমালায় বলা আছে, স্বেচ্ছায় অব্যাহতি নেওয়া কোনো কর্মকর্তা পুনরায় চাকরিতে যোগ দিতে চাইলে তা বোর্ড সভার সিদ্ধান্তের মাধ্যমে অনুমোদিত হতে হবে এবং পদাবনতি কার্যকর হওয়ার কথা। তবে অভিযোগ রয়েছে, সে সময় কোনো বোর্ড সভার সিদ্ধান্ত ছাড়াই তাকে পুনরায় নিয়োগ দেওয়া হয়।

এছাড়া আরও অভিযোগ উঠেছে, পুনঃযোগদানের পর তিনি সহকারী প্রকৌশলী পদে বহাল থাকার পাশাপাশি পরবর্তীতে নির্বাহী প্রকৌশলী (সেচ) পদে পদোন্নতি পান, যা নিয়োগ ও পদোন্নতি নীতিমালার সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে দাবি করছেন সংশ্লিষ্টরা।

একাধিক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে নিয়মবহির্ভূতভাবে তাকে পুনর্বহাল করা হয়েছিল এবং এটি প্রশাসনিক বিধি লঙ্ঘনের স্পষ্ট উদাহরণ।

এ বিষয়ে বিএমডিএর নির্বাহী পরিচালক ও অতিরিক্ত সচিব আবু সাঈদ মোহাম্মদ কামরুজ্জামান বলেন, “সে সময় কীভাবে নিয়োগ বা পুনঃযোগদান হয়েছে, সে বিষয়ে আমার জানা নেই।”

অন্যদিকে অভিযুক্ত প্রকৌশলী এএসএম দেলোয়ার হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

বিএমডিএর একাধিক প্রকৌশলী জানান, বিষয়টি নিয়ে সংস্থার ভেতরে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে এবং পুরো ঘটনাটির নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি উঠেছে। একই সঙ্গে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মাধ্যমে বিষয়টি খতিয়ে দেখার আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।