খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

পুকুরের আগাছা থেকে ভবিষ্যতের খাবার

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৮:৩৪ অপরাহ্ণ
পুকুরের আগাছা থেকে ভবিষ্যতের খাবার

ঢাকার একটি সাধারণ রান্নাঘরের ছবি কল্পনা করুন। ভাতের ধোঁয়া উঠছে, চুলায় ডাল ফুটছে, পাশে হয়তো এক টুকরো মাছ ভাজা। কোটি বাঙালি পরিবারের এই চিরচেনা দৃশ্যের আড়ালে একটি অদৃশ্য বাস্তবতা ধীরে ধীরে গভীর হচ্ছে।  বাংলাদেশ ধীরে ধীরে প্রোটিন ঘাটতির একটি নীরব চ্যালেঞ্জের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, আর তার সমাধান হয়তো লুকিয়ে আছে আমাদেরই চেনা খাবারের থালার ঠিক বাইরে।

খাদ্য নিরাপত্তায় গত কয়েক দশকে বাংলাদেশ অভূতপূর্ব অগ্রগতি করেছে। কিন্তু পেট ভরা আর শরীর পুষ্ট হওয়া এক কথা নয়। দেশের একটি বড় অংশের মানুষ — বিশেষত নারী, শিশু এবং নিম্নআয়ের পরিবার  এখনও প্রতিদিন পর্যাপ্ত প্রোটিন পাচ্ছেন না। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে জলবায়ু পরিবর্তনের আঘাত, বঙ্গোপসাগরে অতিমাত্রায় মাছ ধরার চাপ এবং লাগামহীন খাদ্যমূল্য। প্রশ্নটি তাই শুধু আজকের নয় বরং আগামীকাল কী টেকসইভাবে খাওয়া যাবে, সেটাও।

অপ্রচলিত প্রোটিন: যে জগৎ আমরা এখনও চিনিনি

প্রোটিনের কথা উঠলে বেশিরভাগ মানুষের মাথায় আসে মাছ, মাংস, ডিম বা ডাল। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে খাওয়া এই উৎসগুলোই আমাদের কাছে পরিচিত। কিন্তু বিজ্ঞান বলছে, এর বাইরেও এমন কিছু উৎস আছে যেগুলো পুষ্টিগুণে এদের সমতুল্য, অনেক ক্ষেত্রে তার চেয়েও বেশি সমৃদ্ধ  শুধু আমরা এখনও সেগুলোকে চিনতে শিখিনি।

এই তালিকায় রয়েছে বাংলাদেশের খাল–বিল–পুকুরে ভাসমান ক্ষুদিপানা, দ্রুত বর্ধনশীল শৈবাল ও স্পিরুলিনা, মাশরুম ও ফাঙ্গি–ভিত্তিক প্রোটিন এবং মটর ও সয়ার মতো উদ্ভিদ থেকে তৈরি প্রোটিন মিশ্রণ। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এসব নিয়ে গবেষণা ও বাণিজ্যিক ব্যবহার ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। বাংলাদেশ এখনও সেই পথে পুরোপুরি হাঁটতে শুরু করেনি  কিন্তু এর কারণ সম্ভাবনার অভাব নয়, বরং সচেতনতার।

 পুকুরের ‘আগাছা‘ যখন পুষ্টির ভান্ডার

বাংলাদেশের অগণিত পুকুর ও জলাশয়ে ভাসমান যে সবুজ স্তরকে মানুষ বছরের পর বছর ধরে আগাছা বলে উপেক্ষা করে এসেছে, বিজ্ঞানীরা এখন সেই ক্ষুদিপানাকেই (Lemna spp.) আগামীর প্রোটিন বিপ্লবের অন্যতম সম্ভাব্য উৎস হিসেবে চিহ্নিত করেছে। গবেষণায় দেখা গেছে, শুষ্ক ওজনের হিসেবে এতে উচ্চমাত্রার প্রোটিন থাকতে পারে, যা সয়াবিনের সঙ্গে তুলনীয়। মাত্র চব্বিশ ঘণ্টায় তার জৈববস্তু দ্বিগুণ করতে পারে এবং সব প্রয়োজনীয় অ্যামিনো অ্যাসিড ধারণ করে, যা ডিমের প্রোটিনের সমতুল্য।

বিষয়টি বাংলাদেশের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এ দেশের ভূগোলই ক্ষুদিপানা চাষের জন্য আদর্শ। কোনো কীটনাশক লাগে না, বিশেষ অবকাঠামোর প্রয়োজন নেই, উৎপাদন খরচ প্রচলিত প্রোটিন উৎসের তুলনায় অতি সামান্য। শুকিয়ে গুঁড়া করে এটি খিচুড়ি, রুটি বা ডালে মেশানো যায়,  স্বাদ বা রঙে তেমন কোনো পার্থক্য ছাড়াই। বাংলাদেশ এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সাসটেইনেবিলিটি সোসাইটি (BESS)-সহ কিছু গবেষণা দল এটিকে বাংলাদেশি ভোক্তাদের কাছে গ্রহণযোগ্য খাদ্যপণ্যে রূপান্তরের কাজ করছে, তবে সেই গবেষণা এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে।

 স্পিরুলিনা থেকে মাশরুম: সম্ভাবনার পুরো মানচিত্র

ক্ষুদিপানার বাইরেও সম্ভাবনার তালিকা দীর্ঘ। স্পিরুলিনা,  একটি নীলাভ–সবুজ শৈবাল,  শুষ্ক ওজনে ৬০ শতাংশেরও বেশি প্রোটিন ধারণ করে এবং পানিতে অত্যন্ত দ্রুত বৃদ্ধি পায়। বিশ্বব্যাপী এটি ইতোমধ্যে পুষ্টি সাপ্লিমেন্ট হিসেবে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। মাশরুম ও ফাঙ্গি–ভিত্তিক প্রোটিন মাংসের মতো টেক্সচার দেয়, অ্যামিনো অ্যাসিড প্রোফাইল শক্তিশালী এবং চাষে জমির ব্যবহার নূন্যতম। মটর ও সয়া প্রোটিনের সংমিশ্রণে তৈরি উদ্ভিদ–ভিত্তিক খাবার সাশ্রয়ী মূল্যে সম্পূর্ণ অ্যামিনো অ্যাসিড সরবরাহ করতে পারে।

এই উৎসগুলোর আরেকটি বড় সুবিধা পরিবেশগত। শিল্পভিত্তিক প্রাণীপালন বিশ্বের অন্যতম বড় গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণকারী এবং বিশাল পরিমাণ জমি ও পানির ব্যবহারকারী। বিপরীতে ক্ষুদিপানা, স্পিরুলিনা বা মাশরুমের কার্বন নিঃসরণ ও সম্পদ ব্যবহার তুলনামূলকভাবে নগণ্য। জলবায়ু পরিবর্তনের এই সময়ে এটি কেবল স্বাস্থ্যকর সিদ্ধান্ত নয়, পরিবেশের প্রতি দায়িত্বশীলতারও প্রশ্ন।

 

গ্রহণযোগ্যতার পথে যা বাধা

অপ্রচলিত প্রোটিনের সুবিধা বোঝা এক কথা, মানুষকে সত্যিকার অর্থে তা খেতে রাজি করানো আরেক কথা। বাংলাদেশে এই পথে কিছু বাস্তব বাধা রয়েছে যেগুলোকে উপেক্ষা করার সুযোগ নেই।

সবচেয়ে বড় বাধা হলো সাংস্কৃতিক অভ্যাস। খাদ্য শুধু পেট ভরানোর উপায় নয়, এটি পরিচয়ের অংশ, স্মৃতির অংশ। ডালে ক্ষুদিপানার গুঁড়া মেশানোর কথা শুনলে অধিকাংশ মানুষ স্বাভাবিকভাবেই ভ্রু কুঁচকাবেন — পুষ্টিগত যুক্তি যতই শক্তিশালী হোক। এই পরিবর্তন তাই বাইরে থেকে চাপিয়ে দেওয়া যাবে না, আনতে হবে ধীরে, সমাজের ভেতর থেকে, মানুষের বিশ্বাস ও অভ্যাসকে সম্মান করে।

দ্বিতীয় বাধা হলো নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তার অভাব। নতুন খাদ্য উৎসের ক্ষেত্রে বাংলাদেশে এখনও শক্তিশালী পরীক্ষা ও মান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা গড়ে ওঠেনি। ব্যাপক গ্রহণের আগে এই কাঠামো তৈরি করা অপরিহার্য।

তৃতীয়ত, উৎপাদন থেকে ভোক্তা পর্যন্ত সরবরাহ শৃঙ্খল এখনও অনুপস্থিত — বিনিয়োগ, নীতি সহায়তা এবং উদ্যোক্তাসুলভ মানসিকতা ছাড়া এই শৃঙ্খল গড়ে উঠবে না।

যে  ভবিষ্যৎ সম্ভব

সিলেটের কোনো গ্রামের মা তাঁর সন্তানের সকালের খাবারে এক চামচ স্থানীয়ভাবে শুকানো ক্ষুদিপানার গুঁড়া মেশাচ্ছেন,  জানছেন যে এটি উপকারী এবং বাড়ির কাছের জলাশয়েই জন্মেছে। ঢাকার রাস্তায় স্পিরুলিনা–সমৃদ্ধ উচ্চ–প্রোটিন ফুচকা বিক্রি হচ্ছে। স্কুলের মধ্যাহ্নভোজে মাশরুম প্রোটিন যুক্ত হচ্ছে। পুষ্টিবিজ্ঞানী ও নীতিনির্ধারকরা একই আলোচনার টেবিলে বসে ভবিষ্যতের খাদ্যনীতি তৈরি করছেন।

এটি কল্পনা নয়। উপকরণগুলো ইতোমধ্যে এখানে আছে,  বাংলাদেশের কাছে জল আছে, কৃষি–উদ্ভাবনের সক্ষমতা আছে এবং প্রয়োজন মেটানোর তীব্র তাগিদ আছে। যা দরকার তা হলো সংকল্প  এবং খাবারের থালার বাইরে তাকানোর সাহস।

বাংলাদেশের সামনের প্রশ্নটি শুধু পেট ভরানোর নয়, পুষ্টি নিশ্চিত করার।  আর সেই সমাধান হয়তো আমাদের চেনা পরিবেশেই আছে, শুধু নতুনভাবে দেখার প্রয়োজন।

লেখক :ফাহিমা হোসেন মুনা

রিসার্চ টিম হেড, বাংলাদেশ স্মার্ট ইকোনমিকস সোসাইটি,  এবং স্বাস্থ্য ও পুষ্টিবিষয়ক কনটেন্ট বিশেষজ্ঞ; প্রতিষ্ঠাতা, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট পাথওয়েজ

রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে স্পেনের শুভসূচনা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫২ অপরাহ্ণ
রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে স্পেনের শুভসূচনা

ঢাকার ডাক স্পোর্টস: ক্যারিয়ারে প্রথমবার ওয়েম্বলিতে খেলতে নেমে প্রতিপক্ষের উপহার পেয়ে দ্বিতীয় মিনিটেই গোল করলেন লামিন ইয়ামাল। অবশ্য প্রথমার্ধেই চার মিনিটের এক ঝড়ে দুই গোল করে পাল্টা জবাব দিল ইংল্যান্ড। দুই বদলি খেলোয়াড়ের গোলে জিতে নেশন্স লিগ অভিযান শুরু করল স্পেন।প্রথম ম্যাচ খেলতে নেমে শনিবার রাতে ৩-২ গোলে জিতেছে লুইস দে লা ফুয়েন্তের দল।

ইয়ামালের গোলে পিছিয়ে পড়া ইংল্যান্ডকে সমতায় ফেরান অ্যান্থনি গর্ডন। একটু পর স্বাগতিকদের এগিয়ে নেন কেইন। এরপর দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে তার ওই পেনাল্টি মিসের হতাশা। একসঙ্গে বদলি নেমে স্পেনের পরের দুটি গোল করেন অ্যালেক্স বায়েনা ও মিকেল ওইয়ারসাবাল।

আন্তর্জাতিক ফুটবলে টানা অপরাজেয় রেকর্ড যাত্রা ৩৯ ম্যাচে নিয়ে গেল স্পেন। সবশেষ হারের তেতো স্বাদ পায় তারা ২০২৪ সালের মার্চে, কলম্বিয়ার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে। প্রতিযোগিতামূলক ফুটবলে তাদের সবশেষ হার তো সেই ২০২৩ সালের মার্চে, ইউরো বাছাইয়ে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে। এ লিগের তিন নম্বর গ্রুপের ম্যাচটিতে বল দখল ও আক্রমণে দুই দলই ছিল প্রায় সমানে-সমান। গোলের জন্য স্পেনের ১৫ শটের পাঁচটি ছিল লক্ষ্যে, আর ইংল্যান্ডের ১৩ শটের পাঁচটি লক্ষ্য ছিল।

লন্ডনের ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে ইংল্যান্ডের শুরুটা হয় দুঃস্বপ্নের মতো। দলটির ডিফেন্ডার মার্ক গেয়ি নিজেদের বক্সের বাইরে বল পেয়ে বিপদমুক্ত না করে গোলরক্ষকের দিকে ঘুরে দাঁড়ান। ঠিক তার পেছনেই যে ইয়ামাল ওত পেতে আছেন, সেদিকে যেন খেয়ালই করেননি তিনি। প্রতিপক্ষের থেকে বল কেড়ে নিয়ে বক্সে ঢুকে এগিয়ে আসা গোলরক্ষকের পাশ দিয়ে শট নেন ১৯ বছর বয়সি খেলোয়াড়। বল পোস্টের ভেতরের দিকে লেগে জালে জড়ায়।

ইয়ামালের দ্বিতীয় মিনিটের গোলটি ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে কোনো দলের তৃতীয় দ্রুততম। অষ্টম মিনিটে ইংল্যান্ডের জালে বল জড়ায় আবার। ফাবিয়া রুইসের ক্রসে বক্সে প্রথম স্পর্শে ভলিতে লক্ষ্যভেদ করেন বিশ্বকাপ ফাইনালে বদলি নেমে একমাত্র গোলটি করা ফেররান তরেস। কিন্তু তিনি অফসাইডে থাকায় গোল মেলেনি।

ষোড়শ মিনিটে ব্যবধান বাড়ানোর দারুণ সুযোগ হাতছাড়া করেন তরেস। ইয়ামালের থ্রু বল ধরে বক্সে ঢুকে পড়েন তিনি। তার সামনে একমাত্র বাধা ছিল গোলরক্ষক। পিএসজি স্ট্রাইকারের প্রচেষ্টা এগিয়ে এসে রুখে দেন জেমস ট্র্যাফোর্ড।২৭তম মিনিটে আরেকটি সুযোগ নষ্ট করেন তরেস। রদ্রির পাস ধরে বক্সে ঢুকে পড়েন তিনি, এবারও সামনে ছিল কেবল গোলরক্ষক, কিন্তু বাইরে মেরে বসেন বার্সেলোনার সাবেক এই খেলোয়াড়।

ইংল্যান্ডের খেলোয়াড়দের মধ্যে শুরু থেকে সবচেয়ে উজ্জ্বল ছিলেন যিনি, সেই গর্ডন সমতা টানেন ৩৬তম মিনিটে। নিজেদের অর্ধে ব্যাকহিল ফ্লিকে জুড বেলিংহ্যামের উদ্দেশ্যে বল বাড়িয়ে এগিয়ে যান তিনি। রেয়াল মাদ্রিদ মিডফিল্ডারের ফিরতি পাস ধরে বক্সের বাইরে থেকে শটে উনাই সিমনকে পরাস্ত করেন বার্সেলোনার উইঙ্গার।

৪০তম মিনিটে ডিফেন্ডার মার্ক কুকুরেইয়ার ভুলে দ্বিতীয় গোল হজম করে স্পেন। বাঁ দিকের বাইলাইনের কাছ থেকে নিকো ও’রাইলির দারুণ ক্রসে বক্সে হেড করেন কেইন, আটকানোর চেষ্টায় পা বাড়ান কুকুরেইয়া, তার ঊরুতে পড়ে বল জালে জড়ায়।বিশ্বকাপে আট ম্যাচে স্রেফ একটি গোল হজম করে স্পেন, আর এখানে চার মিনিটের মধ্যে দুই গোল খেয়ে বসে তারা।দ্বিতীয়ার্ধের ষষ্ঠ মিনিটে বেলিংহ্যামকে বক্সে রদ্রি ফাউল করলে মনিটরে দেখে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। কিন্তু কেইনের স্পট কিক ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে। শট নেওয়ার মুহূর্তে কিছুটা পা পিছলে যায় ইংল্যান্ড অধিনায়কের।

৫৫তম মিনিটে নিকো উইলিয়ামস ও তরেসকে তুলে বায়েনা ও ওইয়ারসাবালকে নামান স্পেন কোচ।মাঠে নামার চার মিনিট পরই দলকে সমতায় ফেরান বায়েনা। ডান দিক থেকে দানি ওলমোর পাস বক্সের বাইরে পেয়ে জোরাল শটে ঠিকানা খুঁজে নেন তিনি।৭৪তম মিনিটে দলের পরের গোলেও জড়িয়ে আছে বায়েনার নাম। তার পাস বক্সে পেয়ে এগিয়ে আসা গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন ওইয়ারসাবাল।

৪৭তম মিনিটে চমৎকার এক গোলে দলকে এগিয়ে নেন ৪১ বছর বয়সি ক্রোয়াট অধিনায়ক লুকা মদ্রিচ। ৫৪তম মিনিটে কারাবেকের গোলে ম্যাচে ফেরে স্বাগতিকরা। ৭৭তম মিনিটে জয়সূচক গোলটি করেন মারিও পাসালিচ।