খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

বাজেট কার্যকরের আগেই যশোর জুড়ে সিগারেটের বাড়তি মূল্য আদায়; নিরব প্রশাসন 

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ১২:১৩ অপরাহ্ণ
বাজেট কার্যকরের আগেই যশোর জুড়ে সিগারেটের বাড়তি মূল্য আদায়; নিরব প্রশাসন 
আসন্ন জাতীয় বাজেটে তামাকজাত পণ্যের ওপর কর ও ভ্যাট বৃদ্ধির ঘোষণা আসার পর থেকেই যশোর জেলার বিভিন্ন স্থানে প্যাকেটে উল্লেখিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে সিগারেট বিক্রি হচ্ছে। এতে সাধারণ ভোক্তা ও খুচরা ব্যবসায়ীদের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, জুন মাসের শুরু থেকেই বেনসন অ্যান্ড হেজেস, গোল্ডলিফসহ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের সিগারেট অতিরিক্ত মূল্যে বাজারজাত করা হচ্ছে। বেনসন অ্যান্ড হেজেসের একটি প্যাকেটে সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য (এমআরপি) ৩৭০ টাকা উল্লেখ থাকলেও তা ৪২০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। একইভাবে ২৮০ টাকা মূল্যমানের গোল্ডলিফ সিগারেটের প্যাকেট বিক্রি হচ্ছে ৩২০ টাকায়।
সাধারণ ক্রেতাদের অভিযোগ, নতুন মূল্য কার্যকর হওয়ার আগেই বাজারে অতিরিক্ত দাম আদায় করা হচ্ছে। এতে প্রতিদিন আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ভোক্তারা।
খুচরা বিক্রেতারা জানান, তারা নিজেরা মূল্য নির্ধারণ করছেন না। সিগারেট সরবরাহকারী বিক্রয় প্রতিনিধিরা যেভাবে পণ্য সরবরাহ করছেন, সেভাবেই বিক্রি করতে হচ্ছে।
এ বিষয়ে বেনাপোলের কয়েকজন বিক্রয় প্রতিনিধির সঙ্গে কথা হলে তারা জানান, ডিলারের নির্দেশনা অনুযায়ীই অতিরিক্ত মূল্যে সিগারেট বিক্রি করা হচ্ছে। মূল্য বৃদ্ধির কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চাইলে তারা ডিলারের সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেন। তবে ডিলারের ফোন নম্বর চাইলে তারা তা দিতে অস্বীকৃতি জানান। তাদের দাবি, এ ধরনের তথ্য দিলে চাকরি হারানোর আশঙ্কা রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, যশোরে ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশ (BATB)-এর একমাত্র ডিলার প্রতিষ্ঠানের নাম মেসার্স আজিজুর রহমান ডিস্ট্রিবিউটর। এই ডিস্ট্রিবিউশন হাউজটির স্বত্বাধিকারী বা প্রধান ব্যক্তিত্ব হলেন আজিজুর রহমান।
বিষয়টি নিয়ে অ্যাডভোকেট নাজিম মৃধা বলেন, “জাতীয় বাজেটে তামাকজাত পণ্যের ওপর কর বা ভ্যাট বৃদ্ধি পেলেও তা নির্ধারিত সময়ের আগে কার্যকর হয় না। জুলাই মাসের আগে নতুন করহার কার্যকর হওয়ার সুযোগ নেই। এছাড়া কোনো পণ্যের গায়ে উল্লেখিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে বিক্রি করারও আইনগত সুযোগ নেই। এ বিষয়ে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।”
এদিকে সাধারণ জনগণ ও খুচরা ব্যবসায়ীরা দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে বাজারে প্যাকেটে উল্লেখিত মূল্য নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
প্রতিবেদন প্রকাশের আগ পর্যন্ত চেষ্টা করেও এ বিষয়ে ডিলার আজিজুর রহমানের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা গুরুত্বসহকারে প্রকাশ করা হবে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।