খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

বাঁচা-মরার ম্যাচে আজ মুখোমুখি চেক প্রজাতন্ত্র ও দক্ষিণ আফ্রিকা

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ৮:৫৯ অপরাহ্ণ
বাঁচা-মরার ম্যাচে আজ মুখোমুখি চেক প্রজাতন্ত্র ও দক্ষিণ আফ্রিকা

বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে পরাজয়ের তিক্ত স্বাদ পাওয়া চেক প্রজাতন্ত্র ও দক্ষিণ আফ্রিকা এবার প্রথম জয়ের সন্ধানে মাঠে নামছে। নকআউট পর্বের দৌড়ে টিকে থাকতে দুই দলের জন্যই ম্যাচটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) বাংলাদেশ সময় রাত ১০টায় আটলান্টার Mercedes-Benz Stadium-এ ‘এ’ গ্রুপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে মুখোমুখি হবে চেক প্রজাতন্ত্র ও দক্ষিণ আফ্রিকা।

গ্রুপ পর্বের প্রথম ম্যাচে লিড নিয়েও দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে ২-১ ব্যবধানে হেরে যায় চেক প্রজাতন্ত্র। ম্যাচের ৫৯তম মিনিটে এগিয়ে গেলেও রক্ষণভাগের দুর্বলতা এবং গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে গোল বাতিলের কারণে জয় হাতছাড়া হয়। ফলে টানা ছয় ম্যাচ অপরাজিত থাকার ধারাও ভেঙে যায় তাদের।

অন্যদিকে, ২০১০ সালের পর বিশ্বকাপে ফেরা দক্ষিণ আফ্রিকা প্রথম ম্যাচে মেক্সিকোর কাছে হেরে কঠিন অবস্থায় পড়ে। ম্যাচে বলের নিয়ন্ত্রণ হারানোর পাশাপাশি দুই ফুটবলারের লাল কার্ড দলের জন্য বড় ধাক্কা হয়ে আসে। ফলে দ্বিতীয় ম্যাচে দল নির্বাচন ও কৌশল নিয়ে নতুন করে ভাবতে হচ্ছে কোচ হুগো ব্রোসকে।

চেক প্রজাতন্ত্রের কোচ Miroslav Koubek তার পরিচিত ৩-৪-২-১ ফরমেশনেই দল সাজাতে পারেন। মাঝমাঠে নেতৃত্ব দেবেন Tomáš Souček, আর আক্রমণভাগের ভরসা থাকবেন Patrik Schick।

অন্যদিকে, নিষেধাজ্ঞাজনিত কারণে দক্ষিণ আফ্রিকার কোচ Hugo Broos দলে বেশ কিছু পরিবর্তন আনতে পারেন। সম্ভাব্য ৪-২-৩-১ ফরমেশনে আক্রমণের মূল দায়িত্ব পেতে পারেন Lyle Foster।

ইতিহাস বলছে, এর আগে মাত্র একবার মুখোমুখি হয়েছিল দুই দল। ১৯৯৭ সালের FIFA Confederations Cup 1997-এ সেই ম্যাচটি ২-২ গোলে ড্র হয়েছিল।

ম্যাচের আগে চেক কোচ কৌবেক প্রতিপক্ষের হাই-প্রেসিং ফুটবলের প্রশংসা করে বলের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। অন্যদিকে দক্ষিণ আফ্রিকার কোচ ব্রোস জানিয়েছেন, প্রথম ম্যাচের ভুলগুলো শুধরে নিয়ে চেকদের শারীরিক ও আক্রমণাত্মক ফুটবলের মোকাবিলায় প্রস্তুত করা হয়েছে দলকে।

দুই দলই প্রথম ম্যাচে হেরে যাওয়ায় আজকের লড়াইটি কার্যত নকআউট পর্বে ওঠার লড়াইয়ে টিকে থাকার ম্যাচ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। জয়ী দল পাবে গুরুত্বপূর্ণ তিন পয়েন্ট, আর পরাজিত দলের সামনে তৈরি হতে পারে বিদায়ের শঙ্কা।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।