খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

ফ্যামিলি কার্ড গ্রামীণ অর্থনীতিকে গতিশীল করছে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ৭:৪৪ অপরাহ্ণ
ফ্যামিলি কার্ড গ্রামীণ অর্থনীতিকে গতিশীল করছে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

বিশেষ প্রতিনিধি: প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট কোনো স্বল্পমেয়াদি বা জোড়াতালির বাজেট নয়,বাংলাদেশকে আত্মনির্ভরশীল ও নিজের পায়ে দাঁড় করানোর একটি সুদূরপ্রসারী ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ। জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাজেটে অন্তর্ভুক্ত ‘ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির মাধ্যমে প্রতি পরিবারকে ২ হাজার ৫০০ টাকা প্রদান শুধু আর্থিক সহায়তা নয়, বরং গ্রামীণ অর্থনীতিকে গতিশীল করার একটি কার্যকর উদ্যোগ। তিনি বলেন, এ অর্থ প্রান্তিক মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি গ্রামের মুদি দোকান, কাঁচাবাজার, ওষুধের দোকানসহ ক্ষুদ্র ব্যবসা-বাণিজ্যে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে এবং শহর-গ্রামের অর্থনৈতিক বৈষম্য কমাতেও সহায়ক ভূমিকা রাখছে।

নির্বাচন-পূর্ব ও পরবর্তী সময়ে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি নিয়ে সমালোচনা হলেও বর্তমানে অনেকেই এ ধরনের কর্মসূচির প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করছেন। ডিজিটাল যুগে গুজব ও অপপ্রচার সমাজে অস্থিরতা সৃষ্টির অন্যতম মাধ্যম হয়ে উঠেছে। এ প্রেক্ষাপটে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় ফ্যাক্ট-চেকিং ব্যবস্থা আরও জোরদার করা এবং গণসচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে।

নতুন প্রজন্মের মধ্যে মানবিক মূল্যবোধ, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও জীবপ্রেম জাগ্রত করতে মন্ত্রণালয় বিভিন্ন শর্ট ফিল্ম, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমভিত্তিক রিলস এবং বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে, যা তরুণদের ইতিবাচক মানসিক বিকাশে ভূমিকা রাখবে,সাধারণ মানুষের বিনোদনের অধিকার নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ টেলিভিশনের মাধ্যমে বিনামূল্যে ফুটবল বিশ্বকাপ সম্প্রচারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এর ফলে দেশের কোটি কোটি মানুষ প্রায় বিনামূল্যে বিশ্বকাপের খেলা উপভোগের সুযোগ পাচ্ছেন। এতে রাষ্ট্রের কোটি টাকা সাশ্রয় হয়েছে। সরকার একটি মানবিক, সচেতন ও স্বাবলম্বী বাংলাদেশ গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং প্রস্তাবিত বাজেট সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নের অন্যতম ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে।

বক্তব্যের শুরুতে প্রতিমন্ত্রী স্বাধীনতার মহান ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি তাঁর নির্বাচনী এলাকা নান্দাইলের ভোটারদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এসময় তিনি তাঁর বাবা-মায়ের কথা বলতে গিয়ে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন।

ঢাকার ডাক নিউজ/এস

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।