খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

সাতক্ষীরায় বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য ধ্বংস করলো বিজিবি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬, ৭:৩২ অপরাহ্ণ
সাতক্ষীরায় বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য ধ্বংস করলো বিজিবি

ঢাকার ডাক নিউজ ডেস্ক: বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়ন (৩৩ বিজিবি) কর্তৃক দায়িত্বপূর্ণ সীমান্তে পরিচালিত বিভিন্ন অভিযানে জব্দকৃত প্রায় ৭৩ কোটি ৭৫ লক্ষাধিক টাকা মূল্যের বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য আনুষ্ঠানিকভাবে ধ্বংস করা হয়েছে।

২৮ জুন রবিবার সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তরে আয়োজিত “মাদকদ্রব্য ধ্বংসকরণ অনুষ্ঠান-২০২৬”-এ এ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিজিবি দক্ষিণ-পশ্চিম রিজিয়নের রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাহমুদুল হাসান, পিবিজিএম, বিপিএম (সেবা), বিজিওএম, পিএসসি।

অনুষ্ঠানের শুরুতে সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী আশিকুর রহমান স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন। পরবর্তীতে প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন, মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গঠনে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। সীমান্তে বিজিবির সদস্যরা দিন-রাত নিরলসভাবে দায়িত্ব পালন করে মাদক চোরাচালান প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন। তিনি আরও বলেন, মাদক একটি বহুমাত্রিক সামাজিক সমস্যা, যা মোকাবিলায় শুধু আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রচেষ্টা যথেষ্ট নয়; বরং সর্বস্তরের জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও সচেতনতা অপরিহার্য। তিনি মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

প্রধান অতিথি সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়নের সদস্যদের দক্ষতা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং নিজ হাতে মাদকদ্রব্য ধ্বংস কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়ন কর্তৃক ২০২৫ সালের ০১ জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত ৩,৭৯১ বোতল বিভিন্ন প্রকার মদ, ৪,৫২৪ বোতল ফেনসিডিল ও সমজাতীয় মাদক, ৪৭,২৭০ পিস ইয়াবা, ৬,০৭,৭৬৯ পিস বিড়ি ও সিগারেট, ৩৩.৪০০ কেজি গাঁজা, ৬৩,১৩,১২০ পিস বিভিন্ন প্রকার অবৈধ ঔষধ, ৩৫ কেজি তামাকের গুঁড়া, ২ বোতল লিকুইড সীসা এবং মাদক তৈরিতে ব্যবহৃত ১০০ কেজি বট পাতা, ৭২.৫০ মিলিলিটার উচ্চমূল্যের মাদক এলএসডি, ৮.৫৮৩ কেজি ক্রিস্টাল মেথ (আইস/আইস মেথ) এবং আফিম তৈরির কেমিক্যাল ২০ বোতল ধ্বংস করা হয়। উল্লেখ্য, সাতক্ষীরা ব্যাটালিয়ন সদর ও অধীনস্থ বিওপি কর্তৃক দায়িত্বপূর্ণ সাতক্ষীরা সদর ও কলারোয়া সীমান্ত এলাকায় বিগত ২০২৫ সালের ০১ জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত পরিচালিত বিভিন্ন অভিযানে ১২৬ কোটি ৬৬ লক্ষ ৩৬ হাজার ৮৫৬ টাকা মূল্যের বিভিন্ন চোরাচালান পণ্যসহ এর সাথে জড়িত ৪৮ জন ব্যক্তিকে আটক করেছে। এর মধ্যে ৭৩ কোটি ৭৫ লক্ষাধিক টাকা মূল্যের বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়।

অনুষ্ঠানে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বিজিবি খুলনা সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার, সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক, বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট,র‍্যাব-৬ এর কোম্পানী কমান্ডার,  মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক, পুলিশ সুপারের প্রতিনিধি, সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা, কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট বিভাগের কর্মকর্তা এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকগণ। উপস্থিত সকলেই মাদকের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান তুলে ধরে সম্মিলিত প্রচেষ্টায় কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।