খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নতুন প্রজন্মকে প্রস্তুত করতে হবে

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ৭:১৭ অপরাহ্ণ
ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নতুন প্রজন্মকে প্রস্তুত করতে হবে

বিশেষ প্রতিনিধি: জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের সহসভাপতি ডা. জুবাইদা রহমান বলেছেন, দেশের স্বাস্থ্য খাতে বিদ্যমান ঘাটতিগুলো চিহ্নিত করে সেগুলো দূর করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সরকার কাজ করছে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে আয়োজিত ‘দ্য পাথ টু বিকামিং অ্যা হেলথ এন্টারপ্রেনার ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন জুবাইদা রহমান।

তিনি বলেন, প্রত্যেক নাগরিকের জন্য মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ লক্ষ্য অর্জনে তরুণদের অধিক সম্পৃক্ততার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।তরুণ প্রজন্মের ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করে ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার বিদ্যমান ও উদীয়মান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তরুণদের স্বাস্থ্য উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। আমরা তরুণদের প্রশিক্ষণ ও মেন্টরশিপের সুযোগ দিতে পারি, যাতে তারা তাদের উদ্ভাবনী ধারণাগুলোকে বাস্তবে রূপ দিতে পারে। এজন্য তাদের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা, গবেষক, সামাজিক ও বেসরকারি খাতের উদ্ভাবক, বিনিয়োগকারী এবং সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে।

উদ্ভাবন বিকাশে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করে ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে এমন পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে, যেখানে শিক্ষার্থীরা ব্যবহারিক কাজের মাধ্যমে শিখবে এবং শিক্ষকরা বিভিন্ন বিষয়ে পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে কাজ করবেন।

ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আমাদের নতুন প্রজন্মকে প্রস্তুত করতে হবে এবং তাদের উদ্ভাবনী উদ্যোগ গ্রহণে উৎসাহিত করতে হবে।স্বাস্থ্য উদ্যোক্তা হওয়া শুধু ব্যবসা শুরু করা বা স্বাস্থ্যসেবাকে বাণিজ্যিকীকরণের বিষয় নয়; বরং স্বাস্থ্য খাতের ঘাটতি চিহ্নিত করে বাস্তবসম্মত সমাধান উদ্ভাবনের মাধ্যমে সৃজনশীলতা, প্রমাণভিত্তিক জ্ঞান এবং শৃঙ্খলার প্রয়োগ ঘটিয়ে মানুষের বাস্তব জীবনের স্বাস্থ্য সমস্যার সমাধান করাই এর মূল উদ্দেশ্য।

বর্তমানে দেশের মানুষ স্বাস্থ্যসেবার মোট ব্যয়ের প্রায় ৭২ শতাংশ নিজস্ব অর্থ থেকে বহন করে। ফলে, বাংলাদেশে অসুস্থতা দারিদ্র্যের অন্যতম প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।স্বাস্থ্যসেবা কোনো বিশেষ সুবিধা নয়; এটি মানুষের মৌলিক অধিকার। কিন্তু দীর্ঘদিনের অবহেলা এবং স্বাস্থ্য খাতে জবাবদিহিতার অভাবে সাধারণ মানুষের ওপর চাপ বেড়েছে। আমরা এখন সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে কাজ করছি এবং প্রতিটি পরিবারের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া আমাদের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার।

দেশের স্বাস্থ্য খাতের পরিবর্তিত বাস্তবতার প্রসঙ্গ তুলে ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে নতুন নতুন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে অসংক্রামক রোগের প্রকোপ বৃদ্ধি, বয়স্ক জনগোষ্ঠী, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং দ্রুত নগরায়ন।করা সম্ভব নয়। এর জন্য নতুন চিন্তাভাবনা এবং আরো শক্তিশালী অংশীদারিত্ব প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন এবং প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার।

ঢাকার ডাক নিউজ/এস

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।