খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে গলিত স্বর্ণ ও স্বর্ণালংকার উদ্ধার করেছে এনএসআই ও ডিজিএফআই 

চট্টগ্রাম অফিস
প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২৬, ১১:১২ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে গলিত স্বর্ণ ও স্বর্ণালংকার উদ্ধার করেছে এনএসআই ও ডিজিএফআই 

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মোহাম্মদ শহীদুল আলম চৌধুরী নামের এক যাত্রীর কাছ থেকে ২ দশমিক ১৬ কেজি গলিত স্বর্ণ ও স্বর্ণালংকার উদ্ধার করেছে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই) ও প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর (ডিজিএফআই)। যার আনুমানিক বাজারমূল্য ৩ কোটি ৫৬ লাখ টাকা। সোমবার ( ১৩ জুলাই ) সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে দুবাই থেকে ফ্লাইদুবাইয়ের একটি ফ্লাইটে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান যাত্রী মোহাম্মদ শহীদুল আলম চৌধুরী। কাস্টমসের গ্রিন চ্যানেল অতিক্রম করার সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এনএসআই ও ডিজিএফআইয়ের সদস্যরা তাকে তল্লাশি করে এ গলিত স্বর্ণ ও স্বর্ণালংকার উদ্ধার করে।

 

 

 

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল। তিনি জানান, তল্লাশির সময় যাত্রীর পায়জামার বেল্টের অংশ এবং অন্তর্বাসের ভেতরে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা গলিত স্বর্ণ ও স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া স্বর্ণের মোট ওজন ২ দশমিক ১৬ কেজি। আটক যাত্রীর বাড়ি চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলায় বলে জানিয়েছে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ।

 

 

 

উদ্ধার করা স্বর্ণ বিমানবন্দর কাস্টমসের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। পাশাপাশি স্বর্ণ চোরাচালানের অভিযোগে আটক যাত্রীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ ও মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, বৈদেশিক মুদ্রা পাচার এবং গলিত স্বর্ণসহ বিভিন্ন ধরনের স্বর্ণ চোরাচালান প্রতিরোধে এনএসআই, ডিজিএফআই, কাস্টমস গোয়েন্দা, বিমানবন্দর কাস্টমস ও বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) সমন্বিতভাবে নজরদারি জোরদার করেছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।