খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী জাহাজে ভারতীয় নাবিক নিয়োগ না দেয়ার নির্দেশনা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬, ৮:৪৮ অপরাহ্ণ
হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী জাহাজে ভারতীয় নাবিক নিয়োগ না দেয়ার নির্দেশনা

ঢাকার ডাক আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে চলমান সামরিক সংঘাত মারাত্মক আকার ধারণ করার কারণে নিরাপত্তার স্বার্থে পারস্য উপসাগরের কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নৌ-রুট হরমুজ প্রণালি (Strait of Hormuz) দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলোতে ভারতীয় নাবিক নিয়োগ না দেওয়ার জরুরি নির্দেশ দিয়েছে নয়া দিল্লি।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) স্থানীয় জাহাজ মালিক ও রিক্রুটিং সংস্থাগুলোকে এই নির্দেশ দেয় ভারতের ডিরেক্টরেট জেনারেল অব মেরিটাইম অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (ডিজিএমএ)।

বিশ্বব্যাপী মার্চেন্ট শিপিং বা বাণিজ্যিক জাহাজে নাবিক সরবরাহের ক্ষেত্রে ভারত অন্যতম শীর্ষস্থানীয় দেশ। দেশটির নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে বিশ্বজুড়ে ৩ লাখ ২০ হাজারের বেশি সক্রিয় ভারতীয় নাবিক কর্মরত ছিলেন। কিন্তু সম্প্রতি হরমুজ প্রণালি কেন্দ্র করে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে শুরু হওয়া এই যুদ্ধ পরিস্থিতি নতুন করে চরম উদ্বেগ তৈরি করেছে। এই সপ্তাহে ইরানের ওপর মার্কিন বাহিনীর ব্যাপক হামলা ও এর জবাবে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে মার্কিন ঘাঁটি ও অবকাঠামোর ওপর ইরানি বাহিনীর পাল্টা আঘাতের কারণে এই নৌপথটি এখন রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে।

ডিজিএমএ’র জরুরি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাতায়াতকারী কোনো জাহাজে ভারতীয় নাবিকদের মোতায়েন বা নিয়োগ না করার জন্য জোরালো আহ্বান জানানো হলো। বিবৃতিতে সংস্থাটি স্পষ্ট উল্লেখ করেছে যে, তারা এই অঞ্চলের ক্রমাগত পরিবর্তনশীল নিরাপত্তা পরিস্থিতি খুব নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং ভারতীয় নাবিকদের জীবন রক্ষা, নিরাপত্তা ও কল্যাণের বিষয়ে তারা সম্পূর্ণ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

বিশ্বের জ্বালানি তেল ও গ্যাস সরবরাহের জন্য হরমুজ প্রণালি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক নৌপথ হলেও এটি দীর্ঘদিন ধরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার বিরোধের প্রধান কেন্দ্রবিন্দু। গত সপ্তাহ থেকে শুরু হওয়া এই সংঘাতে এ পর্যন্ত বাণিজ্যিক জাহাজে চালানো হামলায় অন্তত দুজন ভারতীয় নাবিক নিহত হয়েছেন বলে সরকারি কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন।

ওই ঘটনার পর সোমবার (১৩ জুলাই) ভারতের নৌপরিবহন মন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল ‘সিফেয়ারার-ফার্স্ট’ (Seafarer-First) নামে একটি জরুরি প্রতিক্রিয়া কর্মসূচির ঘোষণা দেন। সরকারি বিবৃতি অনুযায়ী, পারস্য উপসাগর, হরমুজ প্রণালি ও ওমান উপসাগরে চলাচলকারী যে কোনো পতাকাবাহী জাহাজে থাকা ‘প্রতিটি ভারতীয় নাগরিকের’ নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এই বিশেষ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

ঢাকার ডাক নিউজ/এস

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।