খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াকরণ শিল্পের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে : বাণিজ্যমন্ত্রী  

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ৬:০২ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশের অর্থনীতিতে জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াকরণ শিল্পের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে : বাণিজ্যমন্ত্রী  

বিশেষ প্রতিনিধি:  বাংলাদেশের জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াকরণ শিল্পকে নিরাপদ, আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব করতে এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোকে আন্তর্জাতিক সরবরাহ ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত করতে জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা) এর সহায়তায় বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য,শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

২২ জুলাই বুধবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নিজ কার্যালয়ে জাইকার বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকে এসব বিষয়ে আলোচনা করেন তিনি। প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন বাংলাদেশে নিযুক্ত জাইকার প্রধান  প্রতিনিধি তাকাহাশি জুনকো।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতিতে জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াকরণ শিল্পের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। এ শিল্পে ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। তবে টেকসই উন্নয়নের জন্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার, পরিবেশ সুরক্ষা, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং অনুমোদন প্রক্রিয়া সহজ করা প্রয়োজন।জাইকার সহযোগিতায় বাস্তবায়নাধীন “জাইকা জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াকরণ প্রকল্প” দেশের জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াকরণ খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

প্রকল্পের আওতায় জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াকরণ ইয়ার্ডের সক্ষমতা মূল্যায়ন, সংশ্লিষ্টদের প্রশিক্ষণ, আধুনিক নির্দেশিকা প্রণয়ন এবং জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াকরণ সুবিধা পরিকল্পনা (এসআরএফপি) যাচাই ও সনদ প্রদান এবং জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াকরণ পরিকল্পনা (এসআরপি) অনুমোদন ব্যবস্থার উন্নয়ন করা হবে। জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াকরণ খাতে অনুমোদন প্রক্রিয়ার জটিলতা কমাতে একটি একক সেবা অনলাইন ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এর মাধ্যমে বিভিন্ন সরকারি অনুমোদন দ্রুত ও সহজে সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।

জাইকার প্রতিনিধি বলেন, বাংলাদেশের জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াকরণ শিল্পের প্রশাসনিক ও কারিগরি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তারা সংশ্লিষ্ট সংস্থার সঙ্গে কাজ করছেন। আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন ও পরিবেশবান্ধব শিল্প ব্যবস্থা গড়ে তোলাই এ প্রকল্পের মূল লক্ষ্য। ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক বাজারে যুক্ত করার বিষয়েও আলোচনা হয়। স্থানীয় উদ্যোক্তাদের প্রযুক্তি, প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে বড় দেশীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের সরবরাহ ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

স্থানীয় উদ্যোক্তাদের সক্ষমতা বৃদ্ধি করে আন্তর্জাতিক শিল্প ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত করা সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। জাইকার সহযোগিতায় বাংলাদেশের শিল্পখাত আরও প্রতিযোগিতামূলক হয়ে উঠবে।এ সময়  বাংলাদেশ জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াকরণ বোর্ডের মহাপরিচালক এ এস এম শফিউল আলম তালুকদার এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মাহবুবা খাতুন মিনু উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকার ডাক নিউজ/এস

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।