খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

চট্টগ্রামে পারিবারিক কলহ ও মানসিক ক্ষোভ থেকেই বাবা-মাকে হত্যা করে সন্তান

চট্টগ্রাম অফিস
প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ৭:৪৬ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামে পারিবারিক কলহ ও মানসিক ক্ষোভ থেকেই বাবা-মাকে হত্যা করে সন্তান

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় আলোচিত মা বাবার হত্যাকারী ছেলে রিমন দাশ গুপ্তকে গ্রেফতার করেছে আনোয়ারা থানা পুলিশ। রোববার ( ২৬ জুলাই ) আনোয়ারা থানা আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এসব তথ্য জানান পুলিশ। পুলিশ বলছে, দীর্ঘদিনের মানসিক ক্ষোভ কাজ করছিলো হত্যাকারীর মধ্যে। তাই কাঁচি দিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটায়। ঘটনার নেপথ্যে পারিবারিক কলহের জের বলে জানিয়েছেন পুলিশ। হত্যাকাণ্ডের পর গ্রেপ্তারকৃত রিমন দাশ গুপ্তের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যায় ব্যবহৃত কাঁচিটি উদ্ধার করেছে পুলিশ।

 

পুলিশ জানান , প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বাবা মায়ের সঙ্গে রিমন দাশ গুপ্তের বিরোধ চলছিল। ঘটনার দিন দুপুরে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে তিনি ঘরে থাকা একটি কাঁচি দিয়ে প্রথমে মা কল্পনা দাশ গুপ্তকে এলোপাতাড়ি আঘাত করেন। মাকে রক্ষা করতে এগিয়ে এলে বাবা স্বপন দাশ গুপ্তকেও একই কাঁচি দিয়ে গলা ও পেটে আঘাত করেন। পুলিশ আরও জানান , ঘটনাস্থলেই কল্পনা দাশ গুপ্ত মারা যান। গুরুতর আহত অবস্থায় স্বপন দাশ গুপ্তকে আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার পর নিজ কক্ষে অবস্থান করছিলেন অভিযুক্ত রিমন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে আটক করে। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেছেন বলে জানান পুলিশের। এসময় তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যায় ব্যবহৃত কাঁচিটিও উদ্ধার করে পুলিশ।

 

 

ঘটনার বিষয়ে আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জুনায়েত চৌধুরী বলেন, নিহত স্বপন দাশ গুপ্তের ভাই তপন দাশ গুপ্ত বাদী হয়ে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। অভিযুক্তকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। এর আগে, ২৫ জুলাই দুপুরে উপজেলার হাইলধর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব গুজরা এলাকার চৈতন্য মহাজন বাড়িতে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন, স্বপন দাশ গুপ্ত (৬৫) ও তার স্ত্রী কল্পনা দাশ গুপ্ত (৫৫)। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও নিহত কল্পনা দাশ গুপ্তের ছোট জা তিথি দাশ বলেন, রিমন দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন এবং তাকে একাধিকবার মাদক নিরাময় কেন্দ্রে নেওয়া হয়েছিল। ঘটনার দিন সকালে পরিবারের সদস্যরা বাইরে থেকে সাড়ে ১১টার দিকে বাড়িতে ফিরেন। এর কিছুক্ষণ পরই রিমন ছুরি জাতীয় একটি ধারালো বস্তু দিয়ে তার মাকে আঘাত করতে শুরু করে। মাকে বাঁচাতে স্বপন দাশ এগিয়ে গেলে রিমন তাকেও আঘাত করে। এ সময় আমরা দ্রুত আশপাশের লোকজনকে ডাকতে ছুটে যাই। পরে ফিরে এসে দেখি, কল্পনা দাশ ঘটনাস্থলেই মারা গেছেন। আর গুরুতর আহত অবস্থায় স্বপন দাশকে আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।