খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

জাবি ক্যাম্পাসে শিশু শ্রম, ১২ হোটেলে কাজ করছে অন্তত ৩১ শিশু

সাহামিনা দিতি, (জাবি) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ৯:২৮ অপরাহ্ণ
জাবি ক্যাম্পাসে শিশু শ্রম, ১২ হোটেলে কাজ করছে অন্তত ৩১ শিশু

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) বটতলা ও আরটিএইচ (RTH) চত্বরের বিভিন্ন হোটেল ও খাবারের দোকানে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক অপ্রাপ্তবয়স্ক কর্মী কাজ করছেন।

সরেজমিনে দেখা গেছে, অন্তত ১২টি হোটেল ও খাবারের দোকানে মোট ৭৩ জন কর্মীর মধ্যে ১৮ বছরের নিচে রয়েছে অন্তত ৩১ জন। তাদের অধিকাংশের বয়স ১৪ থেকে ১৭ বছরের মধ্যে।

তথ্য অনুযায়ী, আল মদিনা, সুজন হোটেল, তাজমহল, রাবেয়া ভর্তা বাড়ি, নুরজাহান, রাধুনি, বামের দোকান, জান্নাতুল কফি হাউজ, জমজম জুস ভান্ডার, ইলিয়াস অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট, খোরাক ও ক্রেভিংস কর্নার—এসব প্রতিষ্ঠানে অপ্রাপ্তবয়স্করা খাবার পরিবেশন, থালা-বাসন পরিষ্কার, রান্নাঘরের সহকারীসহ বিভিন্ন কাজে নিয়োজিত রয়েছে। কাজ করা কয়েকজন কিশোরের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সংসারের অভাবই তাদের স্কুলের বদলে কর্মস্থলে নিয়ে এসেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ১৬ বছর বয়সী এক কর্মী বলেন, ‘বাড়িতে বাবা অসুস্থ। সংসারে নিয়মিত আয় করার মতো কেউ নেই। এখানে কাজ করে যা পাই, তা দিয়ে পরিবারের খাবার-দাবার চলে। পড়াশোনা করতে ইচ্ছা ছিল, কিন্তু এখন পরিবারের দায়িত্বই আগে।’

১৫ বছর বয়সী আরেক কর্মীর ভাষ্য, ‘আমরা কাজ না করলে বাসায় রান্না হয় না। ছোট ভাইবোন আছে। তাদের জন্যই কাজ করছি।’ ১৭ বছর বয়সী এক কর্মী বলেন, ‘সারাদিন কাজ করি। মাস শেষে যে টাকা পাই, পুরোটা বাড়িতে পাঠিয়ে দিই। নিজের জন্য তেমন কিছুই রাখি না।’

এ বিষয়ে কয়েকজন হোটেল মালিক বলেন, তারা ইচ্ছাকৃতভাবে শিশুদের কাজে নিচ্ছেন না; বরং মানবিক দিক বিবেচনা করেই সুযোগ দিচ্ছেন। একজন মালিক বলেন, ‘আমরা বড় বয়সী কর্মী খুঁজে পাই না। যারা আসে, তারা বেশিদিন থাকে না বা বেশি বেতন চায়। এই ছেলেগুলো নিজেরাই কাজের জন্য আসে। অনেকের পরিবারে উপার্জন করার আর কেউ নেই। মানবিক দিক বিবেচনা করেই তাদের কাজ দিই।’

শ্রম আইন অনুযায়ী অপ্রাপ্তবয়স্কদের কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট বিধিনিষেধ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কথা থাকলেও বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন এসব প্রতিষ্ঠানে শিশু ও কিশোরদের শ্রমে যুক্ত থাকার বিষয়টি নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, শুধু আইন প্রয়োগ নয়, দারিদ্র্য নিরসন ও শিক্ষাবান্ধব সামাজিক সহায়তা বাড়ানোই এ সমস্যার দীর্ঘমেয়াদি সমাধান হতে পারে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।