খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

তীব্র দাবদাহে মনোহরদীতে বেপরোয়া লোডশেডিং, জনজীবন বিপর্যস্ত

আঃ কুদ্দুস মনোহরদী (নরসিংদী) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ১:০৭ অপরাহ্ণ
তীব্র দাবদাহে মনোহরদীতে বেপরোয়া লোডশেডিং, জনজীবন বিপর্যস্ত

তীব্র দাবদাহের মধ্যে নরসিংদীর মনোহরদীতে ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। অসহনীয় গরমের পাশাপাশি বিদ্যুতের অনিয়মিত সরবরাহে জনজীবন প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে রাতের বেলায় দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় নির্ঘুম রাত কাটছে উপজেলার বাসিন্দাদের।

চলমান এইচএসসি, আলিম ও সমমানের পরীক্ষার্থীরা সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছে। বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে রাতে পড়াশোনায় ব্যাঘাত ঘটছে। একই সঙ্গে তীব্র গরমে শ্রেণিকক্ষও হয়ে উঠছে অস্বস্তিকর, ফলে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের পাঠদানে ও পাঠগ্রহণে মনোযোগ ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে।

লোডশেডিংয়ের প্রভাব পড়েছে ব্যবসা-বাণিজ্যেও। বিদ্যুৎ না থাকায় দোকানপাট অন্ধকারে ডুবে থাকছে, ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক বেচাকেনা। এতে ক্ষতির মুখে পড়েছেন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। নিম্ন আয়ের মানুষও নিত্যদিনের কাজে নানা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, পৌর এলাকায় তুলনামূলকভাবে কিছুটা বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকলেও গ্রামাঞ্চলে পরিস্থিতি অত্যন্ত নাজুক। ঘন ঘন বিদ্যুৎ আসা-যাওয়ার কারণে ফ্রিজ, টেলিভিশন, ফ্যানসহ বিভিন্ন বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

উপজেলার তারাকান্দি গ্রামের ব্যবসায়ী সফিকুল ইসলাম বলেন, “লোডশেডিংয়ের কারণে দোকানপাট অন্ধকারে ডুবে থাকে। আবার চার্জের অভাবে অটোরিকশা কম চলায় যাতায়াতে অতিরিক্ত ভাড়া গুনতে হচ্ছে।”

এদিকে অনেক গ্রাহকের অভিযোগ, কাঙ্ক্ষিত বিদ্যুৎ সেবা না পেলেও মাস শেষে নিয়মিত অতিরিক্ত বিল পরিশোধ করতে হচ্ছে।

বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার চাহিদার তুলনায় বিদ্যুতের বরাদ্দ উল্লেখযোগ্যভাবে কম থাকায় এ সংকট তৈরি হয়েছে। নরসিংদী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ (মনোহরদী জোনাল অফিস)-এর ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) প্রকৌশলী ফযিলত রাব্বি মু’মিনাহ জানান, বর্তমানে মনোহরদীতে বিদ্যুতের চাহিদা প্রায় ৪৫ মেগাওয়াট। তবে বরাদ্দ পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ২৭ মেগাওয়াট। প্রতিদিন প্রায় ১৮ মেগাওয়াট বিদ্যুতের ঘাটতি থাকায় বাধ্য হয়েই লোডশেডিং করতে হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত বিদ্যুতের বরাদ্দ বৃদ্ধি ও নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর উদ্যোগ কামনা করেছেন।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।